সময়টা ছিল প্রিয় নবীজির নবুয়ত প্রাপ্তির সময় তখন নবীজির উপর ওহী নাযিল ঠিক হয়েছে ঠিক এমন সময় সেখানে দেখা যায় কাবা ঘরের সামনে নতুন নতুন মূর্তি সাজানোর জন্য ভিন দেশ থেকে একটি কাফেলা বিভিন্ন রকম মূর্তি নিয়ে মক্কায় আসে আবু সুফিয়ান এবং উমাইয়া ইবনে খালফ তখন তাদেরকে দেখে অনেক খুশি হয় তার কিছুক্ষণ পর আবু লাহাব ঘরের ভিতরে মূর্তিগুলো সাজাতে থাকে সেই সময় তার স্ত্রী বলে তুমি মোহাম্মদকে কেন আটকাচ্ছ না সে তো চাইলে তার স্ত্রী খাদিজাকে নিয়ে অনেক সুখে থাকতে পারে তাহলে সে কেন বারবার আমাদের বিরোধিতা করছে আবু লাহাব বলে ভয় পেও না
আমাদের খোদা আমাদের রক্ষা করবে মক্কার অবস্থা তখন এমন হয়েছিল যে মক্কার ভিতর এবং আশেপাশের সব জায়গায় মূর্তি পূজায় চলত সকলেই তখন চারিদিকে আল্লাহর সাথে শিরিকে লিপ্ত হয়ে যায় এদিকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর হেরা গুহায় ওহী নাযিল হতে থাকে তিনদিন পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রচন্ড জ্বরগায়ে বাড়ি ফিরলে তার সাহাবীরা এবং চাচা আবু তালেব তার জন্য দুশ্চিন্তা করতে থাকে আবু সুফিয়ান উমাইয়া এবং মক্কার নেতারা একদিন আবু তালেবের বাসায় গিয়ে তাকে হুমকি দিয়ে বলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম যেন ভালো হয়ে যায় তার এই সকল কাজ যেন খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দেয় প্রয়োজন হলে তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কার নেতা বানাবো এবং তাকে অনেক ধন সম্পত্তি দান করব কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাদের সকল কথা প্রত্যাখ্যান করে দেয় এদিকে উদবা ইবনে রাবিয়ার ছেলে হুজাইফ কে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য শাসন করতে থাকে পরে ইবনে হুজাইফার বোন যে কিনা আবু সুফিয়ানের স্ত্রী এবং তার ভাই ওয়ালিদ ও তার বিরোধিতা করতে থাকে হযরত হুজাইফা তখন ঘর থেকে বার হয়ে চলে যায় ওদিকে মক্কার
শাসকদের ভয়ে নবীজির সাহাবীরা লুকিয়ে লুকিয়ে সারারাত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকে একদিন তারা আল্লাহর এবাদত করতে করতে সকাল হয়ে গেলে যে যার বাসায় লুকিয়ে লুকিয়ে চলে যায় নবীজির এক সাহাবা সারারাত বাড়ি না ফেরায় তার বাবা-মা তাকে নিয়ে চিন্তা করছিল বাসায় ফিরলে তার বাবা-মা তাকে বলে তুমি কোথায় ছিলে এমন সময় তাদের ঘরে থাকা মূর্তিটি হাতে লেগে পড়ে সেখানেই ভেঙে যায় তার বাবা বলে তুমি এটা কি সর্বনাশ করলে এতদিন যে খোদা আমাদের রক্ষা করতো তুমি তাকে ভেঙে ফেললে তখন ওই সাহাবী বলে যে খোদা নিজে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না সে আমাদের কিভাবে রক্ষা করবে
তার বাবা-মা তখন বলে তুমি মোহাম্মদের সাথে মিশে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছো তখন সাহাবী বলে মোটেও না সে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লামের বাণীগুলো শোনাতে থাকে এক পর্যায়ে তার বাবা-মা তাদের ভুলগুলো সব বুঝতে পারে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নেয় পরের দিন মক্কার নেতারা এসব জানতে পেরে ওই সাহাবীকে ডেকে আনে সকলেই ওই সাহাবীর সামনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্পর্কে হাসি ঠাট্টা করতে থাকে উমাইয়া তখন তার গোলাম বেলালকে বলে বেলাল তুমি ওকে ততক্ষণ মারতে থাকবে যতক্ষণ ও নিজের ভুল বুঝতে না পারে কিন্তু হযরত বেলাল জানতেন
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল বাণীগুলি ছিল সত্যবাণী সে মনে প্রাণে আল্লাহকে ভয় করতেন ফলে সে তার মনিব উমাইয়ার মুখে বলে দেয় না এটা আমি কখনোই করতে পারবো না উমাইয়া তখন হযরত বেলালকে মরুভূমিতে নিয়ে অমানবিক অত্যাচার করতে থাকে তখন সেখানে নবীজির পালকপুত্র জাহেদ আসে এবং বলে আবু বক্কর এই গোলামের জন্য 200 দিনার দিতে রাজি আছে তুমি তাকে মুক্ত করে দাও উমাইয়া তখন এই দিনার গুলো দেখে হযরত বেলালকে মুক্ত করে দেয় এদিকে নবীজির কাছে ওহী নাযিল হওয়ায় মক্কার লোকেরা যেন সকলের সামনে ইসলাম প্রচারের কাজ চালিয়ে
যায় আল্লাহর হুকুমে সাহাবীরা সকলেই একত্রিত হয়ে মক্কা শহরে ইসলাম প্রচার করতে থাকে তারা সকলেই দলবদ্ধ হয়ে কাবা ঘরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে মক্কার কাফের মুশরিকরা তখন নানাভাবে তাদেরকে অত্যাচার করতে থাকে অনেক কষ্ট সহ্য করে তারা শেষমেষ কাবা ঘরের সামনে পৌঁছাতে সক্ষম হয় রাতে আবু সুফিয়ান এবং তার স্ত্রী কথা বলছিল আবু সুফিয়ানের স্ত্রী তখন তাকে বলে কিভাবে একজন অশিক্ষিত ব্যক্তির মুখ থেকে এত সুন্দর এবং সত্যবাণী বার হয় আবু সুফিয়ান তখন বলে যেভাবে দিন দিন তার অনুসারীরা বৃদ্ধি পাচ্ছে আমাদের কিছু একটা করতেই হবে আমরা প্রথমে মোহাম্মদের দুর্বল
এবং অসহায় অনুসারীদেরকে অত্যাচার ও নির্যাতনের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করব যেই বলা সেই কাজ পরের দিন সুফিয়ান এবং তার বিভিন্ন গোত্রের নেতারা মিলে অসহায় ও দুর্বল মানুষদের তুলে আনে এবং তাদের উপর চালাতে থাকে প্রচন্ড অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন নির্যাতন করতে করতে এক পর্যায়ে আবু জাহেল সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহাকে আঘাত করে মেরে ফেলে একটু পরে সেখানে হামজা আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু নবীজির পালকপুত্র জাহেদ আসলে সেখানে সাহাবীদের অবস্থা খুবই মার্মান্তিক দেখে জায়েদ বলে তোমরা আবিসিনিয়ায় চলে যাও কারণ সেখানকার
শাসক ছিল অত্যন্ত ন্যায়পাউন এবং ধার্মিক একজন খ্রিস্টান বাদশার কাছে তাই সকলেই কথা মতো সেখানে চলে যেতে থাকে এদিকে আবু সুফিয়ান তাদের এই খবর জানতে পেরে তার একটি সহকর্মীকে কে বলে তুমি আবু সিরিয়ায় চলে যাও সেখানে গিয়ে তারা কি করছে সমস্ত খবরাখবর আমাকে বলবে তখন তাকে আবু সিরিয়ায় পাঠিয়ে দেয় কেননা মক্কার বাইরে যদি আবু সুফিয়ানের এসব কর্মকাণ্ড শুনে ফেলে তাহলে তার ব্যবসা-বাণিজ্যের অনেক ব্যাঘাত ঘটবে আবু সুফিয়ানের লোকটি সাথে সাথে সেই রাজ্যে চলে যায় ওদিকে আবু সিরিয়ার রাজা তার সবাই প্রবেশ করতেই সকলেই মাথা নত করে তাকে সম্মান করে মক্কা
থেকে আসা ওই সাহাবীরা তাকে দেখে মাথা নত করেনি তখন সেই রাজা তার তাদেরকে জিজ্ঞেস করে তোমরা কেন আমার সামনে মাথা নত করোনি সাহাবীরা তখন বলে আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো সামনে মাথা নত করি না আমাদের নবী আপনার কাছে পাঠিয়েছেন কারণ তিনি বলেছেন আপনি একজন সত্যবাদী এবং ন্যায়পরণ বাদশা হযরত আব্বাস তখন নবীজির অনেকগুলো বাণী সকলের সামনে তুলে ধরেন বাদশা তখন অবাক হয়ে যায় কারণ তাদের নবী ঈসা আলাইহিস সাল্লামও একই কথা বলে গিয়েছেন বাদশা তখন বুঝতে পারে এটি হয়তো সত্য নবী তখন সে আবু সুফি এর লোকটিকে বলে পাহাড় পরিমাণ সম্পদের বিনিময়েও আমি তাদেরকে তোমার হাতে
তুলে দেবো না অতঃপর আবু সুফিয়ানের লোকটি চুপচাপ সেখান থেকে চলে আসে এবং বলে ওখানকার বাদশা বলেছে পাহাড় পরিমাণ সম্পদ দিলেও তাদেরকে ফেরত পাঠাবে না আবু সুফিয়ান সকল কিছু জানতে পেরে খুবই হতাশ হয়ে যায় আবু সুফিয়ান তখন বলে মক্কা থেকে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল অনুসারীকে বের করে দাও তাদের উপর অমানবিক অত্যাচার চালাও যাতে তারা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য হয় কথামতো পরের দিন থেকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল অনুসারীকে বার করে তুলে আনে এবং তারা আবারো সকলের উপর চালাতে থাকে অমানবিক
অত্যাচার ও নির্যাতন আবু সুফিয়ান ঘোষণা করে মক্কার কেউ যেন তাদের কোন সাহায্য না করে যদি কেউ সাহায্য করে তাহলে তাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে তাই আর কোন উপায় না দেখে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সকল অনুসারীকে নিয়ে মক্কার মরুভূমির খোলা প্রান্তরে চলে যায় সেখানে থাকতে হয়েছিল তিনটি বছর এই তিনটি বছর তাদের ভোগ করতে হয়েছিল ক্ষুধার যন্ত্রণা এবং অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন কিন্তু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের সবচাইতে কষ্টের মুহূর্তগুলো তখনো বাকি ছিল তখন তার প্রিয় স্ত্রী খাদিজা এবং অভিভাবক আবু তালেব মারা
যায় আবু তালেবের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মক্কার কাফের মুশরিকদের আল্লাহর রসূলের দাওয়াত দিয়েছেন কিন্তু মক্কার কাফের মুশরিকরা প্রতিবারের মতোই আল্লাহ এবং তার রসূলের কথাগুলো অমান্য করে গিয়েছে চাচা আবু তালেবের মৃত্যুর পর নবীজির উপর থেকে যেন ছায়া সরে গেল মক্কার কাফেররা এবার আরো বেশি কষ্ট দিতে লাগলো বাধ্য হয়ে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পালিত পুত্র জাহেদকে নিয়ে তায়েফে চলে যায় কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখল ভিন্ন চিত্র তায়েফের মানুষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কবুল করেনি বরং তারা তাদের বাচ্চাকে লেলিয়ে
দেয় তাকে পাথর মারার জন্য বাচ্চারা তখন মোহাম্মদ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাথর মারতে মারতে সেখান থেকে সরিয়ে দেয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ব্যবহারে এত বেশি কষ্ট পেয়েছিল যে ওইদিন তার জীবনের সবচেয়ে বেশি কষ্টের দিন বলে আখ্যায়িত হয়েছিল দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে নবীজি কাঁদতে কাঁদতে রক্তাক্ত অবস্থায় তায়েফ ত্যাগ করে নবীজি তখন তার সকল আশা ছেড়ে দিয়েছিল এমন সময় আল্লাহ তাআলার হুকুমে অদ্ভুতভাবে মদিনা থেকে একটি কাফেলা আসে তারা এসে নবীজিকে মদিনায় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় এটা শুনে
নবীজি অনেক খুশি হয়েছিল নবীজি তখন তার সাহাবীদের কথা চিন্তা করে নিজেই মক্কায় থেকে যায় যা করে তার সাহাবীরা কোন বাধাবিপত্তি ছাড়া মদিনায় পৌঁছাতে পারে দিন দিন এভাবেই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনপ্রিয়তা এবং ইসলাম প্রসার দেখে আবু সুফিয়ান এবং তার লোকেরা নবীজির উপর আরো বেশি হিংসা করতে থাকে তারা বলে এবার নবীজিকে হত্যা করব যেই ভাবা সেই কাজ তারা অনেক লোক পাঠিয়ে দেয় নবীজিকে মারা জন্য সেখানে গিয়ে দেখে নবীজির বদলে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু শুয়ে আছে আবু সুফিয়ান এই ব্যাপারটি জানতে পারলে তখন সে মক্কায়
ঘোষণা করে দেয় যে ব্যক্তি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ধরে আনতে পারবে তাকে 100 উট পুরস্কার দেওয়া হবে মক্কার লোকেরা তখন পাগলের মত বেরিয়ে যায় নবীজিকে খোঁজার জন্য খুঁজতে খুঁজতে তারা একটি গুহা দেখতে পায় কিন্তু তারা গুহার মুখে গিয়ে দেখতে পায় একটি মাকলসা জাল বাসা বেঁধে আছে যা দেখে বুঝতে পারে এই গুহায় অনেকদিন ধরে কেউ প্রবেশ করেনি আসলেই তাদের ধারণাটি ভুল ছিল গুহাটির ভিতরেই আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীরা ছিল আল্লাহর
হুকুমে মাকড়সার জাল বাঁধার কারণে কাফেররা বিভ্রান্ত হয়ে চলে যায় ফলে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীরা সেবারের মত বেঁচে যায় এদিকে মক্কার লোকেরা অপেক্ষা করতে থাকে কখন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে এসে পৌঁছাবে অপেক্ষা করতে করতে একসময় মদিনার মরুভূমিতে দেখা যায় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দিকে ফিরে আসছে যা দেখে তারা খুবই আনন্দিত হয়ে যায় তারা সকলেই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অতি যত্ন আদরের সাথে গ্রহণ করে নেয় এরপর
আল্লাহ তাআলার হুকুমে একটি উটের মাধ্যমে একটি জায়গা নির্বাচন করে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় মদিনার সকল ধনী গরীব একসাথে ওই মসজিদের কাজ সম্পন্ন করে এরপর হযরত হামজা বলে মসজিদে কি যেন একটা কমতি রয়েছে তখন এক সাহাবী বলে সকলকে আল্লাহর কথা স্মরণ করে দেওয়ার জন্য আমাদের একটি ঘন্টা রাখার প্রয়োজন হযরত হামজা তখন বলে না ঘন্টা তো খ্রিস্টানরা ব্যবহার করে তখন এক সাহাবী বলে তাহলে আমরা কেন বাদ্যযন্ত্র ছাড়া নিজেরাই মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকছি না হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বেলালের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে বলে
হে বেলাল তুমি আজান দাও হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশে বেলাল প্রথমবারের মতো মদিনায় আযান দেয় অন্যদিকে মক্কা তো ছিল এখন পুরোপুরি ফাঁকা সেখানে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারীরা বা তার গোত্রের কেউ ছিল না আবু সুফিয়ান এই সুযোগে মক্কা ছেড়ে চলে যাওয়ার সকল মানুষের ঘরবাড়ি দোকানপাট এবং তাদের সকল পণ্য সামগ্রী দখল করে নেয় আবু সুফিয়ানের লোক তখন মদিনায় সাহাবীদের উসকে দেওয়ার জন্য খবর নিয়ে আসে যে মক্কায় তোমাদের সকল সম্পদ লুট হয়ে গিয়েছে তোমাদের তো এখন যুদ্ধ করা
উচিত হযরত হামজা বলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখন শান্তি চাচ্ছেন তাই আমরা এখন যুদ্ধ করতে পারবো না হযরত হামজা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে বলল ইয়া রাসূলাল্লাহ আমাকে যুদ্ধের অনুমতি দিন যুদ্ধের অনুমতি চাইলে নবীজি তখন আল্লাহর হুকুম না থাকায় তাদেরকে মানা করে দেয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করল কিছুদিনের মধ্যেই আল্লাহ তাআলা তাদের কে যুদ্ধ করার অনুমতি দেয় নবীজি তখন সকলকে যুদ্ধের ব্যাপারটি ঘোষণা করে দেয় সকলেই তাই
প্রস্তুত হয়ে রওনা দেয় বদরের প্রান্তে সেখানে গিয়ে তারা কয়েকটি কূপের কাছাকাছি তাদের তাবু খাটায় এদিকে উদবা খবর নিয়ে আসে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাফেলা নিয়ে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মক্কার দিকে রওনা দিয়েছে এবার মক্কা থেকে সকল কাফেররা যুদ্ধের জন্য বদরের দিকে রওনা হলেন আবু সুফিয়ান তাদের সাথে না গিয়ে সে মক্কা থেকে লুট করা সম্পদ নিয়ে বাণিজ্য করতে বেরিয়ে পড়ে অন্য দেশের দিকে কাফেররা যুদ্ধের জন্য আবু সুফিয়ানের কাছে সাহায্য চাইলেও সে তার মালগুলো নষ্ট হবার ভয়ে যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃত জানায় এদিকে যুদ্ধের দিন ঘনিয়ে
আসলে সকলেই বদরের প্রান্তে একত্রিত হয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাফেলাটি বদরের প্রান্তের বেশ কয়েকটি কূপের কাছাকাছি তাদের ঘাঁটি বাঁধে সেখানে দাঁড়িয়ে সকলকে বলে তোমরা সকলেই ইচ্ছেমত পানি পান করে নাও পানি পান করা হয়ে গেলে প্রতিটি কূপের মুখ পাথর দিয়ে ঢেকে দাও সবাই ইচ্ছেমত পানি পান করে প্রতিটি কূপের মুখগুলো পাথর দিয়ে ঢেকে দেয় যাতে করে কাফেররা এসে সেখানে পানি পান করতে না পারে এবং এর ফলে তারা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমনটি ভেবেছিল ঠিক তেমনটি হয়েছে কাফেররা অনেক
দূর থেকে আসার কারণেই পিপাসায় তারা কাতর হয়ে পড়েছিল যার কারণে সংখ্যায় বেশি হলেও যুদ্ধের জন্য তারা শারীরিকভাবে ছিল দুর্বল যাই হোক এক পর্যায়ে যুদ্ধ শুরু হলে সেখানে কাফেরদের সাথে মুসলমানদের অনেক রক্তপ্রাপ্ত একটি যুদ্ধ হয় কিন্তু ভালো সংবাদ এটি ছিল যে সে যুদ্ধে আবু সুফিয়ান বাদে মক্কার বড় বড় প্রায় সকল নেতারাই মারা গিয়েছিল এভাবেই মাত্র 313 জন সাহাবী নিয়ে মক্কায় হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধে জয়ী হয় বদরের যুদ্ধে জয়ের ফলে মুসলমানদের ক্ষমতা পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পায় এদিকে
আবু সুফিয়ান তার বাণিজ্য শেষ করে মক্কায় ফিরে আসলে সকল ঘটনা শুনে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরুদ্ধে আরো বেশি রেগে যায় তার স্ত্রী ভিন্ন ইবনে উদবার বাবা ও ভাই সেই বদরের যুদ্ধে হামজার হাতে নিহত হয়েছিল যার কারণে সে তার ভাই ও বাবার প্রতিশোধের আগুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে আবু সুফিয়ানের সবাই একজন বর্ষা নিক্ষেপকারী ছিল যার নিশানা ছিল অতি নিখুত এবং সূক্ষ আবু সুফিয়ানের স্ত্রী তখন সেই বিক্ষোপকারীর কাছে গিয়ে বলে তুমি যদি হযরত হামজাকে মারতে পারো তাহলে আমি তোমাকে অনেক স্বর্ণমুদ্রা দেবো এবং তোমাকে আজাদ করে
দিব এভাবেই কেটে যায় এক বছর এক সাহাবী মক্কা থেকে একদিন খবর নিয়ে আসে মক্কার লোকেরা তাদের বদরের যুদ্ধের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আবার নতুনভাবে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা সংখ্যায় মুসলমানদের তুলনায় অনেক বেশি তাই মুসলমানদের জন্য এটি ছিল একটি দুশ্চিন্তার ব্যাপার দেখতে দেখতে এভাবেই সময় ঘনিয়ে আসে সকলেই উপস্থিত হয় ওহুদ পাহাড়ের সামনে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে দুটি দলে ভাগ করে দেয় একটি দল যুদ্ধ করবে এবং অপর একটি দল পিছন থেকে জামালে রোম নামের একটি পাহাড়ে দাঁড়িয়ে পাহারা দেবে যাতে করে শত্রুরা
পিছন থেকে আক্রমণ করতে না পারে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে বারবার নিষেধ করেছে যত কিছুই হোক না কেন তারা যেন কোনভাবেই সেই পাহাড় থেকে না নড়ে কিছুক্ষণ পর শুরু হয়ে যায় আবারো সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধটি যুদ্ধ করতে করতে আবু সুফিয়ানের স্ত্রীর সেই ঠিক করা বর্ষা নিক্ষেপকারী সুযোগ বুঝে একটি বর্ষা নিক্ষেপ করে হযরত হামজা কে মেরে ফেলে হযরত হামজার মৃত্যু দেখে মুসলমানরা প্রচন্ড রেগে যায় তারা সবাই অনেক বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে যায় যা দেখে কাফির মুশরিকরা তখন পালাতে থাকে মুসলমানরা ভেবেছিল তারা হয়তো
যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গিয়েছে এটি দেখে পিছনের পাহারাদার সকল সাহাবীরা সেখান থেকে চলে আসে কিন্তু এটি ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভুল যুদ্ধের জন্য আবু সুফিয়ান খালিদ বিন ওয়ালিদ নামক একজন লোককে ঠিক করে রেখেছিল সে দূর থেকেই সকল কিছু দেখেছিল তাই সে তার বাহিনী নিয়ে পিছন থেকে উপর আক্রমণ করে বসে হঠাৎ করে পেছন থেকে আক্রমণ হওয়ার ফলে মুসলমানরা একের পর এক মারা যেতে থাকে পরিস্থিতি খারাপ দেখে তখন সকল মুসলমানরা সেখান থেকে পালিয়ে যায় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কঠোর আদেশ অমান্য করার কারণেই এভাবেই বিজয়ী হতে হতে ওহুদের
যুদ্ধে হেরে যায় যুদ্ধ শেষ হলে আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হযরত হামজার লাশটি খুঁজে বের করে এবং তার বুক ছিড়ে কলিজাটি চিবিয়ে খেতে থাকে এভাবেই কেটে যায় দীর্ঘদিন মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের নিয়ে বিশাল একটি কাফেলা নিয়ে বের হয় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে মাঝপথে গিয়ে তারা সবাই বিশ্রাম নেওয়ার জন্য এক জায়গায় বসে পড়ে হঠাৎ সেখানে খালিদ বিন ওয়ালিদ তার সৈন্য বাহিনী নিয়ে চলে আসে আক্রমণ করার জন্য কিন্তু মুসলমানদের ব্যবহারে তাকে মুগ্ধ করে ফেলেছিল তাই খালিদ বিন ওয়ালিদ আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে যায় এদিকে
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার কাফেরদের সাথে একটি চুক্তি করে যেখানে 10 বছর কেউ কারো উপর আঘাত করতে পারবে না কাফেরদের সাথে এই চুক্তিতে মুসলমানরা রাজি হয়ে যায় এটি ছিল মুসলমানদের জন্য একটি অন্যতম সুযোগ এই 10 বছর শেষ হবার আগেই মুসলমানরা ইসলামের ব্যাপক প্রসার ঘটানোর প্ল্যান করে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার সাহাবীদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দাওয়াতের জন্য পাঠিয়ে দেয় এভাবেই আস্তে আস্তে মুসলমানদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে বিভিন্ন কাফির মুশরিকরা ইসলাম ধর্ম কবুল করতে থাকে এমনকি আবু সুফিয়ানের দলের
সেই লোক খালিদ বিন ওয়ালিদ যে কিনা নবীজিকে ওহুদের যুদ্ধে হারিয়েছিল সেও নিজে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নেয় হঠাৎ একদিন কিছু কাফের মুশরিক এসে মুসলমানদের কাফেলা আক্রমণ করে বসে যার ফলে সেখানে অনেক সাহাবী শহীদ হয়ে যায় সকলেই বুঝে ফেলে দিয়েছিল আবু সুফিয়ানের চালাকি আবু সুফিয়ান তার শর্ত ভঙ্গ করে চুক্তি নষ্ট করে ফেলেছিল খবর পেয়ে পরের দিন আবু সুফিয়ান মদিনায় আসে কিন্তু চুক্তি ভঙ্গ হবার কারণেই মদিনায় কেউ তার সাথে কথা বলতে চাইছিল না সবাই থেকে ঘেরিনা চোখে দেখতে থাকে এমনকি সে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে
কথা বলতে চাইলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবার তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল আবু সুফিয়ান তখন নিজের মত করে বলতে থাকে আমি সবদিক থেকে হেরে গেলাম এমন একজনের কাছে যে কিনা একজন মেশপালক তখন হযরত আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলে সেই সামান্য মেষপালকের ধর্ম এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে ততদিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীর লোকসংখ্যা ছিল 10000 এরও বেশি এই বহুল সংখ্যক সাহাবী নিয়ে নবীজি রওনা দেয় মদিনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে আবু সুফিয়ান তখন মক্কায় ফিরে এসে তার গোত্রের লোকদের বলতে থাকে আর কোন
উপায় নেই মোহাম্মদ তার কথা রেখেছে সে সত্যিই সারা বিশ্বে সকলের মন জয় করে নিয়েছে মক্কার কাফেররা তখন বুঝতে পারে তাদের আর কোন করার কিছুই ছিল না মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীরা মক্কার পাশেই মরুভূমিতে রাত্রি যাপন করতে থাকে আবু সুফিয়ান এবং তার স্ত্রী হিন্দ ইবনে উদবা রাতে লুকিয়ে লুকিয়ে তাদেরকে দেখতে যায় এবং এত বড় কাফেলা দেখে তারা খুবই অবাক হয়ে যায় আবু সুফিয়ান বুঝতে পারে ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত আবু সুফিয়ান তখন সেই কাফেলার কাছে গিয়ে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দেখা করে এবং তার
কাছে ইসলাম ধর্ম কবুল করে নেয় পরের দিন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিশাল কাফেলাটি নিয়ে মক্কায় চলে আসে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কাকে অনেক ভালোবাসতেন মক্কায় আসার পর সকল মুসলমানরা মিলে দখল করে নেয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সকলের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন তিনি তার সকল শত্রুকে ক্ষমা করে দিয়েছেন আজ থেকে তোমরা সবাই মুক্ত এদিকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুঝতে পারে তার জীবনের শেষ দিনগুলো ঘনিয়ে আসছে তাই জীবনের শেষবারের মতো সে বিদায় হজের ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন
যেখানে নবীজি বলেছেন আমি হয়তো তোমাদের মাঝে আর বেশিদিন থাকবো না তোমরা গরীবদের তাই খাওয়াও যা তোমরা খাও তাদের তাই পড়তে দাও যা তোমরা পরিধান করো মনে রেখো তোমাদের সকলেই একদিন মহান আল্লাহ তাআলার সামনে উপস্থিত হতে হবে এবং তোমাদের সকল কৃতকর্মের হিসাব দিতে হবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের এরকম অসংখ্য মেসেজ দিয়ে গিয়েছিল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শেষ কথা ছিল আমি তোমাদের কাছে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি আল্লাহর কোরআন এবং আমার সুন্নাহ যা তোমাদের জন্য আলো এবং নির্দেশনা স্বরূপ এভাবে হযরত
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সারাটা জীবন শুধু কষ্ট এবং ত্যাগের বিনিময়ে আমাদেরকে ইসলাম ধর্ম দিয়ে গিয়েছেন নিজের পুরোটা জীবন উনি শুধু তার উম্মতের কথাই ভেবে গিয়েছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনের শেষ মুহূর্তেও তিনি তার উম্মতের কথা ভাবতে ভাবতেই মৃত্যুবরণ করেন তাই আমরা সকলেই চেষ্টা করব আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল সুন্নাহ গুলোকে আঁকড়ে ধরার এবং কোরআনের আলো দিয়ে নিজেদের জীবনকে গড়ে তোলার আমার বিশ্বাস মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের জীবনী প্রতিটা মুসলমানের জন্য গর্বের এবং শিক্ষণীয় বিষয় আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সকলকে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুক (আমিন)।
শেষকথা :
আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣
আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর কষ্টের জীবনী | একবার দেখুন চোখ দিয়ে পানি ঝরবে | ইসলামিক কাহিনী | মহাবিশ্ব টিভি নিউজ " সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।
আরও পোস্ট পড়ুন-
মিশরের পিরামিড রহস্য: কে বানিয়েছিল, কিভাবে বানানো হয়েছিল, আর কেন?
প্লেন আকাশে রাস্তা খুঁজে পায় কিভাবে? জানুন বিমানের গন্তব্য নির্ধারণের রহস্য!
দেশের বাজারে 5G ফোনের ছড়াছড়ি || Realme 15T শুধু কি নামেই 5G!
Realme C75 Full Review || চট করে কিনে ফেলার আগে যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত!
Realme C85 Pro Review || AMOLED,7000 mAh ছাড়া আর কি আছে!
