বিজয়নগর রাজ্যের রণকপুর গ্রাম। আদিত্য নামে এক মূর্তিকার তার দক্ষতা দিয়ে মূর্তি তৈরি করত। তার শিল্পে কিছু বিশেষত্ব ছিল। কিন্তু তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হতো না। আরে আমার সুন্দর সুন্দর মূর্তিগুলো কিনে নাও। এগুলো দেখলে তোমাদের মন খুশি হয়ে যাবে। >> একজন গ্রাহক আসে। >> ওই বকবক বন্ধ করো। তুমি কখনো তোমার হাতে তৈরি মূর্তিগুলো দেখেছো? তোমার মূর্তি দেখলে তো রাগ উঠে আসে। >> ভাইয়া যদি মূর্তি কিনতে না চাও তাহলে কিনো না। অন্তত আমার শিল্পের অপমান তো করো না। >> আরে অপমান তো তখন হয় যখন কারো সম্মান
থাকে। প্রথমে তো তুমি ঠিক করে শিল্পী হয়ে ওঠো। তোমার মূর্তি দেখে বাজারে গ্রাহক আসা বন্ধ হয়ে গেছে। আর অন্য দোকানদারদের দোকানও থমকে গেছে। গ্রাহক চলে যায়। >> শিল্পের অপমানকারীকে কি বোঝাবো? >> আদিত্য খুব হতাশ হয়ে যায়। তার মূর্তিগুলো নিয়ে বাড়ি চলে আসে। সে বাড়ির কোণে বসে চিন্তা করতে থাকে। আমি এত সুন্দর মূর্তি তৈরি করি তবু কেউ কেনে না। আমি জানিনা জানিনা আমার ভাগ্য কবে বদলাবে। >> তখন তার প্রেমিকা রাধা সেখানে আসে। >> বাবা-মার বিয়ে অন্য কোথাও অন্য কারো সঙ্গে ঠিক করেছেন। >> রাধা তোমার বাবা জানেন যে আমি তোমাকে
ভালোবাসি। তুমিও তো আমাকে ভালোবাসো বল। তাহলে তিনি তোমার বিয়ে অন্য কারো সঙ্গে কি করে ঠিক করতে পারেন? >> আমি তোমাকে কতবার বলেছি যে এই মূর্তির ব্যবসা ছেড়ে দাও। অন্য কোন কাজে মন লাগাও। তুমি তো শুধু মূর্তিই তৈরি করে যাও। আমার বাবা যে চাষীর সঙ্গে বিয়ে দিচ্ছেন তার কাছে অনেক জমি আছে। >> রাধা আমি একজন মূর্তিকার। আমার বাবাও মূর্তিকার ছিলেন। তুমি হয়তো জানো না আমার এই দু হাতে জাদু আছে। >> আমি বুঝি আদিত্য তোমার হাতে জাদু আছে। কিন্তু তুমি কেন বোঝো না যে তোমার মূর্তি কেউ কেঁদে না। তুমি কতদিন আর ভাগ্যের
ভর্ষায় ধোকা দিয়ে যাবে। কান খুলে শুনে নাও। যদি বিয়ে করি তো তোমার সঙ্গেই করব। রাধা তিক্ততায় বলে চলে যায়। পরের সকালে আদিত্য ঠিক করে যে সে রাধার বাবা মুখিয়ার কাছে যাবে। সে গভীর চিন্তায় ছিল। কিন্তু তার মনে একটা আশা ছিল। পরের সকালে আদিত্য মুখিয়ার বাড়িতে পৌঁছে যায়। >> তোমার সাহস কি করে হলো আমার বাড়িতে আসার? >> মুখিয়াজি আমি আপনার মেয়ে রাধাকে ভালোবাসি। >> হ্যাঁ সেটা আমি জানি। কিন্তু তুমি কি জানো যে ভালোবাসায় পেট ভরে না। তোমার কাছে কি আছে? তুমি তো সারাদিন বাজারে তোমার মূর্তি
বিক্রি করে ঘুরে বেড়াও। কিন্তু তোমার মূর্তি দেখতে কেউ পছন্দ করে না। >> মুখিয়াজি আমার বিশ্বাস আছে আমার মূর্তিগুলো একদিন ঠিক বিক্রি হবে। আমার ভাগ্য বদলাবে। শুধু শিল্পের সঠিক সম্মান পাওয়ার দেরি আছে। ঠিক আছে আদিত্য। আমি তোমাকে একটা সুযোগ দিচ্ছি। এক মাস তোমায় সময় দিলাম। এই এক মাসে তুমি যদি 1000 স্বর্ণ মুদ্রা উপার্জন করতে পারো তাহলে আমি তোমার এবং রাধার বিয়ের অনুমতি দেব। হঠাৎ রাধা আসে এবং রাগ করে জিজ্ঞেস করে >> বাবা বাবা আপনি কি বলছেন আদিত্য এক মাসে 1000 স্বর্ণমুদ্রা কি করে উপার্জন করবে >> রাধা আমি তোমার ভালোবাসার জন্য তাকে একটা
সুযোগ দিচ্ছি যদি সেই চ্যালেঞ্জে সফল হয় তাহলে আমি তার শিল্প এবং তার পারিশ্রমিক দুটোকেই মেনে নেব >> মুখে যে এক মাসের মধ্যে আমি 1000 স্বর্ণ মুদ্রা উপার্জন করে দেখাবই দেখাবো। সে দেখা যাবে আদিত্য। যদি তুমি এই চ্যালেঞ্জে ব্যর্থ হও তাহলে তোমাকে কিন্তু আমার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে। >> আদিত্য চুপচাপ সেখান থেকে চলে যায়। পরের দিন আদিত্য মূর্তি বিক্রি করতে বাজারে যায়। সে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত বসে থাকে। কিন্তু একটাও মূর্তি বিক্রি হয় না। >> আজ তো একটাও মূর্তি বিক্রি হলো না। বুঝতে
পারছি না কি করবো এবার আমি। আমি মুখিয়াজিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে এক মাসের মধ্যে 1000 স্বর্ণমুদ্রা এই মূর্তি বিক্রি করে উপার্জন করে দেখাবো। যদি এইভাবে চলতে থাকে তাহলে 1000 মুদ্রা তো দূরের কথা একটা মুদ্রাও তো উপার্জন করতে পারবো না। আদিত্য মূর্তিগুলো গুছিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপক্রম করছে। তখনই একজন ব্যক্তি সেখানে আসে। >> এ ভাইয়া আমাকে একটা মূর্তি দেবে। আর মূর্তি এমন দাও যা বাচ্চাদের পছন্দ হবে। কথা হলো যে কাল আমার ভাইজির জন্মদিন। তাই আমি তাকে একটা মূর্তি উপহার দিতে চাই। >> আদিত্য এই কথাটা শুনে খুশি হয়ে যায় এবং
একটা সুন্দর মূর্তি সেই ব্যক্তিটিকে দেয়। সেই ব্যক্তি কিছু টাকা আদিত্যকে দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। যাক ভূতের ভয়ে লাঙ্গল ভালো। কিছু তো একটা বিক্রি হলো। এতটা বলে আদিত্য বাড়ি যাওয়ার উপক্রম করতে থাকে। তখনই আরেকজন পুরুষ সেখানে আসে। তার হাতে একটা খাঁচা ছিল। যাতে একটা টিয়া পাখি বন্দি ছিল। >> ভাইয়া এই টিয়াটা কি তুমি আমার কাছ থেকে কিনবে? সেই পুরুষের কথা শুনে আদিত্য হাসতে থাকে। >> তুমি তো এই গ্রামের লোক বলে মনে হচ্ছে না। >> আপনি একদম ঠিক চিনেছেন। আমি অন্য গ্রামের লোক। >> যদি তুমি এই গ্রামের লোক হতে তাহলে আমার
কাছ থেকে কেনার কথা কখনোই বলতে না। কারণ এই গ্রামের সবাই আমার অবস্থা খুব ভালো করে জানে। সেই ব্যক্তি খুব উদাস হয়ে পড়েছিল। >> বুঝলেন ভাইয়া? আমার গ্রামেও আমি এই টিয়াটা বিক্রি করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বিক্রি হয়নি। ক্লান্ত হয়ে আমি এই গ্রামে এসে পৌঁছেছি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রত্যেক বাড়ির দরজার টোকা দিয়েছি। কিন্তু কেউ আমার এই সুন্দর টিয়াটা কেনে না। তাহলে আপনি এই সুন্দর টিয়াটা কিনে নিন। আর আপনার কাছে যা কিছু আছে তা আমাকে দিন। কারণ আমার টাকার খুব দরকার। এটা শুনে আদিত্য চমকে ওঠে। >> কিন্তু তুমি তোমার টিয়াটা বিক্রি করতে
চাও কেন? >> ভাইয়া এটা আমার টিয়া নয়। কিছু সময় আগে আমি এক সাধু বাবার কাছে গিয়েছিলাম। আর তাকে বলেছিলাম যে এমন কিছু চমৎকার করো যাতে আমি ধনী হয়ে যাই। তো সেই সাধু আমাকে টিয়াটা দিয়ে বললেন এটা নাকি আমার ভাগ্য বদলে দেবে। তখন থেকে আমি আমার ভাগ্য বদলানোর অপেক্ষা করছি। আর অপেক্ষা করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি ভাইয়া। আমার মনে হয় না যে আমার ভাগ্য আর বদলাবে। >> আদিত্য টিয়ার দিকে তাকাতে থাকে। টিয়া খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছিল। তার চোখে একটা বিশেষ উদাসীনতার ছাপ ছিল। আদিত্য সেই টাকাগুলো সেই ব্যক্তিটিকে দিয়ে বলে
>> আজ সকাল থেকে এটাই বিক্রি হয়েছে ভাইয়া যদি এতে আপনার কাজ চলে যায় তাহলে এটা নিন আর হ্যাঁ আপনি যদি চান তো টিয়াটাকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন >> না ভাইয়া না এই টিয়াটা আপনি রেখে দিন >> এতটা বলে সেই ব্যক্তি চলে যায়। আর আদিত্য সেই খাঁচায় বন্দি টিয়াটা নিয়ে তার বাড়ি চলে আসে। কিন্তু আদিত্য সেইদিন যখন বাড়ি ফেরে তখন তার পকেটে একটা শিকিও বাকি ছিল না। হাতে সেই টিয়া ছিল যাকে সেই ব্যক্তি জোর করে দিয়ে গেছিল। >> আমার কাছে তো এখন এতটুকুও বাকি নেই যে আজ রাতে কিছু খেতে পারি। তার উপর সেই ব্যক্তি
তোকে জোর করে আমার কাছে দিয়ে গেল। এখন তোকে আমি কি খাওয়াবো বলতো? >> কোন কথা নেই। আজ থেকে তুমি আমার নতুন মালিক। যাইহোক এখন আর আমার খিদে নেই। >> টিয়ার মুখ থেকে এত পরিষ্কার ভাষা শুনে আদিত্য চমকে ওঠে। >> আরে তুমি তো একদম মানুষের মতন কথা বলছো। আর আমি এতটাই চমকে গেলাম মানে বুঝতেই পারছি না যে আমার সামনে টিয়া কথা বলছে নাকি কোন মানুষ আমি তোমার সঙ্গে কথা বললাম কারণ আমার তোমাকে খুব ভালো লেগেছে যে আমাকে বিক্রি করল তার সঙ্গে আমি কখনো কথা বলিনি সে খুব তাড়াহুড়ো করতো জানো আর খুব নিরাশ মানুষ
ছিল সে পরিশ্রম করতো না শুধু রাতারাতি ধনী হবার স্বপ্ন দেখতো টিয়ার কথা শুনে আদিত্য উদাস হয়ে যায়। >> আমি তো রাতারাতি ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখি না। কিন্তু আমার অবস্থা এখন আমাকে স্বপ্ন দেখতে বাধ্য করছে। >> এতটা বলে না জানি কেন আদিত্য তার জীবনের সব ঘটনা সেই টিয়াটিকে বলে দেয়। >> তুমি একজন ভালো শিল্পী। আর তুমি যে মুখিয়ার সামনে এক মাসে হাজার স্বর্ণমুদ্রা উপার্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছো সেটা খুব সাহসের কথা। তুমি নিশ্চয়ই সফল হবে। >> কিন্তু আমার তো সফলতার দূর দূরান্তেও কোন
আশা দেখা যাচ্ছে না। >> তুমি চিন্তা করো না। আমি তোমাকে সাহায্য করব। আমি তোমাকে মূর্তির কিছু গুণ আর সূক্ষমতা শেখাবো যাতে তোমার শিল্প আরো উন্নত হয়। লোকেরা তোমার কাছ থেকে মূর্তি কিনবে তাহলে >> কি আশ্চর্য তুমি মূর্তি তৈরি সূক্ষতাও জানো >> হ্যা একদম >> আচ্ছা একটা কথা বলতো সাধু তোকে সেই ব্যক্তিকে কেন দিয়েছিল >> সে সাধুর কথা সাধুই জানে আমি কিচ্ছু জানিনা পরের দিন সকাল হতেই টিয়া আদিত্যকে মূর্তির কিছু সূক্ষতা বলে দিতে শুরু করল। আদিত্য মনোযোগ দিয়ে শোনে। আর কিছুক্ষণের
মধ্যে একটা সুন্দর মূর্তি তৈরি করে ফেলে। এটা তো এটা তো আগের থেকেও আরো সুন্দর হয়েছে। >> কি আমি তোমাকে বলেছিলাম না আমি তোমাকে কিছু শিখিয়ে দেব। চলো চলো চলো এখন বাজারে যাই। >> আদিত্য আর টিয়া মিলে সেই মূর্তি নিয়ে বাজারে যায়। কিছুক্ষণ পর একজন গ্রাহক আসে। সে ভালো দামে সেই মূর্তি কিনে নিয়ে যায়। খুশি হয়ে আদিত্য বাড়ি ফেরে এবং একটা ভালো খাবার তৈরি করে। কিছু খাবার টিয়ার সামনে রেখে বলে, এই নাও এটা খাও। কিছু তুমি খাও আর কিছু আমি খাই। আজকের উপার্জন তো তোমার জন্যই হয়েছে। >> না আমি তোমাকে শুধু কিছু সূক্ষতা বলেছি।
এগিয়ে দেখো কি হয়। >> এখন তোমার বিশ্বাস হচ্ছে যে আমার ভাগ্য নিশ্চয়ই বদলাবে। >> সেই দিনের পর থেকে টিয়া প্রত্যেকদিন আদিত্যকে মূর্তি তৈরি করার নতুন নতুন সূক্ষতা শেখাতে থাকে। আদিত্যর শিল্পোন্নত হতে থাকে এবং কয়েকদিনের মধ্যে আরো ভালো হয়ে যায়। >> একদিন আদিত্য উদাস হয়ে বসেছিল। তার চোখে চিন্তার ছায়া। >> কি হলো আদিত্য? এখন তুমি উদাস কেন? এখন তো তোমার আয়ও ঠিকঠাক হয়েছে। >> কি বলবো বন্ধু? আয় তো হচ্ছে কিন্তু কিন্তু মুখিয়াজি আমাকে শুধু এক মাসের সময় দিয়েছিলেন। এখন সেটায় মাত্র কয়েকদিন বাকি।
আমি এখনো কোন মতে 20 স্বর্ণমুদ্রা উপার্জন করেছি। এখনো 980 স্বর্ণমুদ্রা বাকি আছে। >> টিয়া এটা শুনে তার চোখে আত্মবিশ্বাস জ্বলে ওঠে। তাহলে চিন্তা করো না। আমি তোমাকে একটা উপায় বলছি। যদি তুমি সেই উপায় অবলম্বন করো তাহলে শুধু হাজার নয় এক লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা উপার্জন করতে পারবে। >> কি বলছো? এক লক্ষ এটা কি করে সম্ভব? >> সব সম্ভব আদিত্য। সব সম্ভব। শুধু তুমি আমার কথাটা মানো। >> আমি প্রস্তুত বন্ধু। কিন্তু মুখিয়াজি একটা শর্ত রেখেছিলেন তো যে আমাকে সেই হাজার স্বর্ণমুদ্রা শুধুমাত্র মূর্তি বিক্রি করে
উপার্জন করতে হবে। যদি তোমার উপায় অন্য কিছু হয় তাহলে কিন্তু আমি মানতে পারবো না। আরে বাবা আমার উপায়ও এই মূর্তির সঙ্গেই যুক্ত। আমি যে বিশেষ মূর্তির কথা বলছি যদি তুমি তাকে ঠিক সেভাবেই তৈরি করো। আর যেখানে আমি বলি সেখানে নিয়ে যাও। তাহলে আমার বিশ্বাস সেই মূর্তি খুব বেশি মূল্যে বিক্রি হবে। আদিত্য সম্মতি দেয়। তারপর টিয়া বলতে থাকে কি ধরনের মূর্তি তৈরি করতে হবে। রাতভোর পরিশ্রম করে আদিত্য একটা সুন্দর রাজকুমারের মূর্তি তৈরি করে। এই মূর্তিটা তো কোন রাজকুমারের মতন লাগছে। আচ্ছা বন্ধু তুমি এই রাজকুমারকে কোথাও
দেখেছো? >> আরে বাবা সেসব ছেড়ে দাও। এখন তুমি এই মূর্তিটা নিয়ে বল্লভগড়ের রাজা রাজা বিক্রমের দরবারে যাও। আমিও তোমার সঙ্গে যাব। আদিত্য প্রস্তুত হয়ে মূর্তি নিয়ে টিয়ার সঙ্গে বল্লভগড়ের দিকে রওনা হয়। কয়েক ঘন্টা পর আদিত্য রাজার দরবারে দাঁড়িয়েছিল। সামনে সিংহাসনে বসেছিলেন রাজা বিক্রমসিংহ। >> তুমি কে? >> মহারাজ আমি একজন মূর্তিকার। আমি আপনার জন্য একটা বিশেষ মূর্তি তৈরি করেছি। যদি আপনি সেটা দেখেন তাহলে তাহলে আমার বিশ্বাস যে আপনি খুশি হয়ে আমাকে 1000 স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার দেবেন।
>> ও দা সেই মূর্তিতে এমন কি আছে? চলো আমায় দেখাও তো। >> আদিত্য ধীরে ধীরে মূর্তিটা সামনে রাখে। রাজা বিক্রমের চোখ মূর্তিটা দেখে ভরে আসে। কিন্তু পরের মুহূর্তে তার মুখ রাগে ভরে যায়। >> তুমি এই মূর্তিটা কার বলায় তৈরি করেছ? তুমি কি এটাকে চেনো? না মহারাজ। আমি এটাকে কখনো দেখিনি? তুমি কি কখনো এর সঙ্গে দেখা করেছো? না মহারাজ। তাহলে তুমি এর হুবহু মূর্তি কি করে তৈরি করলে? আমার নাম নিও না। শুধু এটাই বলো যে এই রাজকুমার তোমার স্বপ্নে এসেছিল আর বলেছিল রাজা বিক্রম মূর্খ। আমার মূর্তি তৈরি করো আর তাকে দেখাও। যাতে তার মূর্খতা দূর হয়।
>> কি উল্টোপাল্টা বকছো তুমি? >> যদি স্বর্ণমুত্রা চাও তাহলে যেটা বলছি সেটা বল। তুমি তোমার কাঁধে বসাই টিয়ার সঙ্গে কি কথা বলছো? সত্যিই সত্যি করে বলো তুমি কেন এই মূর্তি তৈরি করেছো? মহারাজ অপরাধ নেবেন না। কাল রাতে একজন রাজকুমার আমার স্বপ্নে এসেছিল। সে আমাকে বলেছিল যে, রাজা বিক্রম মূর্খ। আমার মূর্তি তৈরি করো আর তাকে দেখাও। যাতে তার মূর্খতা শেষ হয়ে যায়। রাজা বিক্রমের মুখ এখন পুরো লাল হয়ে যায়। >> মূর্খ তুমি কি জানো তুমি কার মূর্তি তৈরি করেছো? >> রাজা রাগে সৈনিকদের দিকে তাকান। >> সৈনিকরা এই মূর্খকে তুরন্ত কারাগারে ফেলে
দাও। আদিত্যকে টিয়া সহ কারাগারে ফেলে দেওয়া হয়। রাতভর সে অস্থিরতায় জেগে থাকে। >> তুমি তো বলেছিলে যে আমাকে পুরস্কার দেওয়া হবে। কিন্তু রাজা বিক্রম তো আমাকে সোজা কারাগারে ফেলে দিলেন। >> চিন্তা করো না বন্ধু চিন্তা করো না। তুমি আমার কথায় ভরসা রাখো। তোমাকে পুরস্কার নিশ্চয়ই দেওয়া হবে। >> আমি মূর্খ যে আমি আমি তোমার কথায় এসে পড়লাম। >> আদিত্য সারারাত টিয়ার সঙ্গে কথা বলেনি। পরের দিন সকালে একজন সৈনিক কারাগারে আসে। বাইরে চলো। রাজা বিক্রম তোমাকে দরবারে
ডেকেছেন। >> দেখলে আমি বলেছিলাম তোমায়। >> ব্যাস ব্যাস ব্যাস অনেক হয়েছে। অনেক হয়েছে। এখন আমি এত তাড়াতাড়ি তোমার কথায় আর বিশ্বাস করবো না। কি বকবক করছো? টিয়ার সঙ্গে এমন কথা বলছো যেন তোমার বউ। এখন চুপচাপ চলো এখান থেকে। আদিত্য চুপচাপ দরবারে পৌঁছে যায়। >> কাল তুমি যে মূর্তি দেখিয়েছিলে আমি জানিনা তুমি জানো কিনা। কিন্তু তোমার স্বপ্নে আসা সেই মূর্তি আমার ছোট ভাইয়ের। সে স্বপ্নে তোমাকে বলেছিল যে আমি মূর্খ আর যখন তার মূর্তি তৈরি করে আমার সামনে রাখবে তখন আমার মধ্যে কিছু বুদ্ধি আসবে।
মহারাজ মহারাজ আপনার কোথাও ভুল ধারণা হয়েছে আমি মূর্তি কোন রাজকুমারের তৈরি করেছিলাম আপনার ভাইয়ের নয় মূর্খ সেই মূর্তি আমার ছোট ভাই অশোকেরই ছিল যে কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ আমি পুরো রাজ্য আর জঙ্গলে খোঁজ করিয়েছি কিন্তু তার কোন খোঁজ আমি পাইনি বিশ্বাস করুন মহারাজ আমার সত্যিই জানা ছিল না যে সে আপনার ভাই তাহলে তুমি এটা কেন বললে যে আমার ভাই স্বপ্নে তোমাকে বলেছে যে আমি মূর্খ এই শব্দ গুলো সেই যা আমার ভাই আমাকে সবসময় মজা করে বলতো। এখন সোজা করে বলতো তুমি আমার ভাইকে শেষবার কোথায় দেখেছো? না বললে এখনই তোমাকে ফাঁসিতে
ঝুলিয়ে দেব। মহারাজ মহারাজ দয়া করুন। আমি সত্যিই বলছি। আমি আপনার ভাইকে চিনি না। আর না আপনাদের মধ্যেকার কোন কথা আমি জানি। কয়েকদিন আগে আমি টিয়া পাখিটা কিনেছিলাম। আর এটাই আমাকে বলেছিল যে তার বলা মতো মূর্তিটা তৈরি করতে। আর সেই মূর্তি আপনাকে দেখাতে। আর এটাই আর যে কথাগুলো আমি আপনাকে বলেছি সেটা বলতে পারলে আপনি খুশি হবেন। >> তুমি কি এই টিয়ার কথা বলছো? >> হ্যাঁ মহারাজ এই টিয়া মানুষের মতন কথা বলে। আর কাল আমাকে এটাও বলেছিল যে তার নাম কোনভাবে না নিতে। >> রাজা বিক্রম টিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন,
>> এটা কি সত্যি বলছে? >> হ্যাঁ। এটা সত্যিই বলছে। >> তুমি কি আমার ভাইকে দেখেছো? হ্যাঁ মহারাজ দেখেছি কিন্তু আমি বলবো না আমি চাই তুমি আদিত্যকে মেরে ফেলো মহারাজ মহারাজ ব্যাস অনেক হয়েছে মূর্খ টিয়া আমি তোকে একটা শেষ সুযোগ দিচ্ছি বল তুমি আমার ভাইকে কোথায় দেখেছো >> মূর্খ আমি নই মূর্খ তুমি তোমার থেকে বড় মূর্খ সারা বিশ্বে নেই এটা শুনেই রাজা বিক্রম তলোয়ার ব্যার করে টিয়ার উপর আঘাত করে। সেই মুহূর্তে রঙিন আলো আর টিয়া অদৃশ্য হয়ে যায়। আর একটা সুন্দর রাজকুমার প্রকট হয়। >> অশোক এসব কি ছিল?
>> বর্দা আমার অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ারই একমাত্র উপায় ছিল। কিছু সময় আগে আমি জঙ্গলে শিকার খেলতে গিয়েছিলাম। ভুল করে আমি একটা টিয়া জোড়ার উপর তীর চালিয়ে দিয়েছিলাম। একটা টিয়া মারা যায়। সেই সময় সেখানে একটা সাধু বসেছিলেন। তিনি রাগ করে আমাকে অভিশাপ দিলেন যে আমিও টিয়া হয়ে যাব। যখন আমি ক্ষমা চাইলাম তিনি বললেন যে আমার অভিশাপ তখনই ভাঙবে যখন আমার সগত্র ভাই টিয়ার রূপে তোমাকে মারবে। কিন্তু সময় পর সাধু আমাকে একজন ব্যক্তিকে দিয়ে দিলেন। আর সেই ব্যক্তি আমাকে আদিত্যকে বিক্রি করে দিলেন। যখন আমি জানলাম যে আদিত্য মূর্তিকার তখন আমি
পরিকল্পনা করলাম। আমি আমার মূর্তি তৈরি করলাম আর আদিত্যকে সেই শব্দগুলো বললাম যে শব্দ দিয়ে আমি সবসময় তোমাকে ছেড়ে দিতাম। যাতে আমার আমার স্মৃতি ফিরে আসে। আমি জানতাম তুমি তাড়াহুড়ো করে আদিত্যকে কারাগারে বন্দি করবে। টিয়ার রূপে আমার কাছে জিজ্ঞাসা করবে তখন আমি তোমাকে কিছু কটু শব্দ বলব। তাহলে তুমি রেগে রেগে আমার উপর আঘাত করবে। আর সেই মুহূর্তে আমার অভিশাপ ভেঙে যাবে। >> রাজা বিক্রম অশোককে গলা জড়িয়ে ধরেন আর কাঁদতে থাকেন। >> আমার আমার ভাই আমি সত্যিই মূর্খ ছিলাম। সত্যিই মূর্খ। আদিত্য আদিত্য তুমি আমাকে ক্ষমা করো।
আদিত্য তুমি আমাকে মুক্তি দিয়েছো। আমি তোমাকে এক নয়দ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দিচ্ছি। রাজকুমার অশোক আদিত্যকে 2 লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা উপহার দেন। আদিত্য তুরন্ত মুখিয়ার বাড়ি যায় এবং সবকিছু খুলে বলে। মুখিয়া শুনে খুব খুশি হয় এবং তার মেয়ের বিয়ে আদিত্যের সঙ্গে দেন। আর এইভাবেই আদিত্যর জীবন বদলে যায়। ও
>> কি উল্টোপাল্টা বকছো তুমি? >> যদি স্বর্ণমুত্রা চাও তাহলে যেটা বলছি সেটা বল। তুমি তোমার কাঁধে বসাই টিয়ার সঙ্গে কি কথা বলছো? সত্যিই সত্যি করে বলো তুমি কেন এই মূর্তি তৈরি করেছো? মহারাজ অপরাধ নেবেন না। কাল রাতে একজন রাজকুমার আমার স্বপ্নে এসেছিল। সে আমাকে বলেছিল যে, রাজা বিক্রম মূর্খ। আমার মূর্তি তৈরি করো আর তাকে দেখাও। যাতে তার মূর্খতা শেষ হয়ে যায়। রাজা বিক্রমের মুখ এখন পুরো লাল হয়ে যায়। >> মূর্খ তুমি কি জানো তুমি কার মূর্তি তৈরি করেছো? >> রাজা রাগে সৈনিকদের দিকে তাকান। >> সৈনিকরা এই মূর্খকে তুরন্ত কারাগারে ফেলে
দাও। আদিত্যকে টিয়া সহ কারাগারে ফেলে দেওয়া হয়। রাতভর সে অস্থিরতায় জেগে থাকে। >> তুমি তো বলেছিলে যে আমাকে পুরস্কার দেওয়া হবে। কিন্তু রাজা বিক্রম তো আমাকে সোজা কারাগারে ফেলে দিলেন। >> চিন্তা করো না বন্ধু চিন্তা করো না। তুমি আমার কথায় ভরসা রাখো। তোমাকে পুরস্কার নিশ্চয়ই দেওয়া হবে। >> আমি মূর্খ যে আমি আমি তোমার কথায় এসে পড়লাম। >> আদিত্য সারারাত টিয়ার সঙ্গে কথা বলেনি। পরের দিন সকালে একজন সৈনিক কারাগারে আসে। বাইরে চলো। রাজা বিক্রম তোমাকে দরবারে
ডেকেছেন। >> দেখলে আমি বলেছিলাম তোমায়। >> ব্যাস ব্যাস ব্যাস অনেক হয়েছে। অনেক হয়েছে। এখন আমি এত তাড়াতাড়ি তোমার কথায় আর বিশ্বাস করবো না। কি বকবক করছো? টিয়ার সঙ্গে এমন কথা বলছো যেন তোমার বউ। এখন চুপচাপ চলো এখান থেকে। আদিত্য চুপচাপ দরবারে পৌঁছে যায়। >> কাল তুমি যে মূর্তি দেখিয়েছিলে আমি জানিনা তুমি জানো কিনা। কিন্তু তোমার স্বপ্নে আসা সেই মূর্তি আমার ছোট ভাইয়ের। সে স্বপ্নে তোমাকে বলেছিল যে আমি মূর্খ আর যখন তার মূর্তি তৈরি করে আমার সামনে রাখবে তখন আমার মধ্যে কিছু বুদ্ধি আসবে।
মহারাজ মহারাজ আপনার কোথাও ভুল ধারণা হয়েছে আমি মূর্তি কোন রাজকুমারের তৈরি করেছিলাম আপনার ভাইয়ের নয় মূর্খ সেই মূর্তি আমার ছোট ভাই অশোকেরই ছিল যে কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ আমি পুরো রাজ্য আর জঙ্গলে খোঁজ করিয়েছি কিন্তু তার কোন খোঁজ আমি পাইনি বিশ্বাস করুন মহারাজ আমার সত্যিই জানা ছিল না যে সে আপনার ভাই তাহলে তুমি এটা কেন বললে যে আমার ভাই স্বপ্নে তোমাকে বলেছে যে আমি মূর্খ এই শব্দ গুলো সেই যা আমার ভাই আমাকে সবসময় মজা করে বলতো। এখন সোজা করে বলতো তুমি আমার ভাইকে শেষবার কোথায় দেখেছো? না বললে এখনই তোমাকে ফাঁসিতে
ঝুলিয়ে দেব। মহারাজ মহারাজ দয়া করুন। আমি সত্যিই বলছি। আমি আপনার ভাইকে চিনি না। আর না আপনাদের মধ্যেকার কোন কথা আমি জানি। কয়েকদিন আগে আমি টিয়া পাখিটা কিনেছিলাম। আর এটাই আমাকে বলেছিল যে তার বলা মতো মূর্তিটা তৈরি করতে। আর সেই মূর্তি আপনাকে দেখাতে। আর এটাই আর যে কথাগুলো আমি আপনাকে বলেছি সেটা বলতে পারলে আপনি খুশি হবেন। >> তুমি কি এই টিয়ার কথা বলছো? >> হ্যাঁ মহারাজ এই টিয়া মানুষের মতন কথা বলে। আর কাল আমাকে এটাও বলেছিল যে তার নাম কোনভাবে না নিতে। >> রাজা বিক্রম টিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন,
>> এটা কি সত্যি বলছে? >> হ্যাঁ। এটা সত্যিই বলছে। >> তুমি কি আমার ভাইকে দেখেছো? হ্যাঁ মহারাজ দেখেছি কিন্তু আমি বলবো না আমি চাই তুমি আদিত্যকে মেরে ফেলো মহারাজ মহারাজ ব্যাস অনেক হয়েছে মূর্খ টিয়া আমি তোকে একটা শেষ সুযোগ দিচ্ছি বল তুমি আমার ভাইকে কোথায় দেখেছো >> মূর্খ আমি নই মূর্খ তুমি তোমার থেকে বড় মূর্খ সারা বিশ্বে নেই এটা শুনেই রাজা বিক্রম তলোয়ার ব্যার করে টিয়ার উপর আঘাত করে। সেই মুহূর্তে রঙিন আলো আর টিয়া অদৃশ্য হয়ে যায়। আর একটা সুন্দর রাজকুমার প্রকট হয়। >> অশোক এসব কি ছিল?
>> বর্দা আমার অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ারই একমাত্র উপায় ছিল। কিছু সময় আগে আমি জঙ্গলে শিকার খেলতে গিয়েছিলাম। ভুল করে আমি একটা টিয়া জোড়ার উপর তীর চালিয়ে দিয়েছিলাম। একটা টিয়া মারা যায়। সেই সময় সেখানে একটা সাধু বসেছিলেন। তিনি রাগ করে আমাকে অভিশাপ দিলেন যে আমিও টিয়া হয়ে যাব। যখন আমি ক্ষমা চাইলাম তিনি বললেন যে আমার অভিশাপ তখনই ভাঙবে যখন আমার সগত্র ভাই টিয়ার রূপে তোমাকে মারবে। কিন্তু সময় পর সাধু আমাকে একজন ব্যক্তিকে দিয়ে দিলেন। আর সেই ব্যক্তি আমাকে আদিত্যকে বিক্রি করে দিলেন। যখন আমি জানলাম যে আদিত্য মূর্তিকার তখন আমি
পরিকল্পনা করলাম। আমি আমার মূর্তি তৈরি করলাম আর আদিত্যকে সেই শব্দগুলো বললাম যে শব্দ দিয়ে আমি সবসময় তোমাকে ছেড়ে দিতাম। যাতে আমার আমার স্মৃতি ফিরে আসে। আমি জানতাম তুমি তাড়াহুড়ো করে আদিত্যকে কারাগারে বন্দি করবে। টিয়ার রূপে আমার কাছে জিজ্ঞাসা করবে তখন আমি তোমাকে কিছু কটু শব্দ বলব। তাহলে তুমি রেগে রেগে আমার উপর আঘাত করবে। আর সেই মুহূর্তে আমার অভিশাপ ভেঙে যাবে। >> রাজা বিক্রম অশোককে গলা জড়িয়ে ধরেন আর কাঁদতে থাকেন। >> আমার আমার ভাই আমি সত্যিই মূর্খ ছিলাম। সত্যিই মূর্খ। আদিত্য আদিত্য তুমি আমাকে ক্ষমা করো।
আদিত্য তুমি আমাকে মুক্তি দিয়েছো। আমি তোমাকে এক নয়দ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দিচ্ছি। রাজকুমার অশোক আদিত্যকে 2 লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা উপহার দেন। আদিত্য তুরন্ত মুখিয়ার বাড়ি যায় এবং সবকিছু খুলে বলে। মুখিয়া শুনে খুব খুশি হয় এবং তার মেয়ের বিয়ে আদিত্যের সঙ্গে দেন। আর এইভাবেই আদিত্যর জীবন বদলে যায়।
শেষকথা :
আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣
আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "গরিব মূর্তিকারের জাদুকরী টিয়া পাখি" এই গল্পটি পড়ে এই গল্পের সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।
আরও পোস্ট পড়ুন-
গ্রামে থেকেই লাখের ব্যবসা শুরু করুন! একটাই প্যাকেটের রহস্যে লুকিয়ে আছে কোটি টাকার সুযোগ
কোনো অফিস ছাড়া, কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া ৫টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া | 5 small business ideas
জীবন পরিবর্তনের সেরা লেকচার | ডক্টর নোবেল | Doctor Nobel | Motivational Speech | মোটিভেশনাল স্পিকার
চলুন পৃথিবীর ভিতরে যাত্রা শুরু করি ? বিজ্ঞানীনাও দেখে অবাক !
