কোনো অফিস ছাড়া, কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া ৫টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া | 5 small business ideas

যদি বলি আপনি মাত্র 5000 টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন কোন অফিস ছাড়া কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া এমনকি চাকরি ছেড়ে না দিয়েও অবিশ্বাসও লাগছে কিন্তু আজকের এই ব্লগ পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন কারণ আমি আপনাদের দেখাবো বাস্তব এক্সাম্পল সহ কিভাবে অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করে অনেকেই লাখপতি এবং কোটিপতি হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের হাজারো তরুণ প্রতিদিন ভাবে ইস যদি একটা ব্যবসা থাকতো কিন্তু সাথে সাথেই আসে ভয় আমার তো টাকা নেই আমার তো অভিজ্ঞতা নেই। ব্যর্থ হলে সবাই হাসবে। এই ভয়গুলো আমাদেরকে আটকে রাখে। আমরা শিখি না কিভাবে ছোট থেকে শুরু করা যায়। বরং শিখি

"কম পুঁজিতে অনলাইনে আয় করুন: শুরুতেই ৫টি স্মার্ট ব্যবসার উপায়"



বড় কিছু করতে হলে বড় টাকা লাগবে। বাস্তবতা হলো আজকের পৃথিবীতে ব্যবসা শুরু করার সবচেয়ে বড় বাধা টাকা নয় বরং মাইন্ডসেট। অনেকেই ভাবে ব্যবসা মানেই বড় দোকান, বড় স্টোক বা বড় টিম। কিন্তু আপনি যদি বুদ্ধিমানের মত করে চিন্তা করেন অল্প টাকায়ও এমন অনেক ব্যবসা শুরু করা সম্ভব যা ধীরে ধীরে আপনাকে ফাইনান্সিয়ালি ফ্রি করতে পারে। সফল উদ্যোক্তারা একদম শূন্য থেকেই শুরু করেছিল। তারা কখনোই টাকার অপেক্ষা করেনি। তারা আইডিয়া এবং অ্যাকশন নিয়েছে। আপনি যদি বুঝতে পারেন কিভাবে ছোট আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দিতে হয়। কিভাবে


শূন্য থেকে ক্রেতা বাড়াতে হয়। কিভাবে প্রফিট রিইনভেস্ট করতে হয় তাহলে আপনি আজই আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইন। চলুন দেখে নেয়া যাক অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করার পাঁচটি বাস্তবিক ব্যবসা। সবার প্রথম ব্যবসাটি হচ্ছে ফুড বা ছোট রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। বাংলাদেশে খাবারের চাহিদা কখনো শেষ হয় না। এখানে ছোট ইনভেস্টমেন্টেও বিশাল সম্ভাবনা। কিছু আইডিয়া দেই ঘরে বসে হোমমেড ফুড সার্ভিস। চাই স্টল বা ফাস্ট ফুড কার্ড জুসবার বা স্মোদি শপ লাঞ্চ ডেলিভারি অফিসে বা বাসায় একটা এক্সাম্পল দেই ঢাকার রিমা আক্তার নামে একজন 5000


টাকা দিয়ে ঘরে খাবার বানিয়ে অফিসে ডেলিভারি শুরু করে প্রথমে দিনে তিনটা অর্ডার আসতো এখন তার 50 প্লাস অর্ডার প্রতিদিন আসে আজ তার ছোট কিচেন থেকে মাসে এক লাখ টাকার খাবার বিক্রি হয় এখন কিভাবে শুরু করতে পারেন স্টেপ হচ্ছে রেসিপি এবং কোয়ালিটি ঠিক করুন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার দিন। ছোট স্কেলে শুরু করুন। কাস্টমার ফিডব্যাক নিন এবং নিজের খাবারের মান উন্নত করুন। এখানে ইনভেস্টমেন্ট পা থেকে 100 হাজার টাকা কিন্তু রিটার্ন অনেক ভালো। এরপরের বিজনেসটি হচ্ছে রিসেলিং বিজনেস। এটা তাদের জন্য যাদের হাতে ক্যাপিটাল কম। কিন্তু অনলাইনে এক্সেস


রয়েছে। রিসেলিং মানে নিজের প্রোডাক্ট না বানিয়ে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে কমিশন নেওয়া। কিছু এক্সাম্পল দেই। হোলসেল থেকে কাপড়, জুতা বাঅেসরিজ এনে অনলাইনে বিক্রি করা দারাজ, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, amazon বা Instagram শপে পণ্য বিক্রি করা। ড্রপশিপিং মডেলে যেখানে প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচার এবং ডেলিভারি অন্যরা করে আপনি শুধু মার্কেটিং করেন। বাস্তব একটা এক্সাম্পল দেই, চট্টগ্রামের আরিফ নামে একজন 7,000 টাকা দিয়ে শুরু করেছিল রিসেলিং বিজনেস। সে ফেসবুক পেজ খুলে মেয়েদের ব্যাগ বিক্রি করা শুরু করেছিল। প্রথমে প্রতিটি ব্যাগে লাভ রাখতো 150 টাকা


করে। প্রথম তিন মাস তার পাঁচটা সাতটা 10 টা করে ব্যাগ বিক্রি হতো। এরপর তিন মাস পরে তার 70 প্লাস ব্যাগ বিক্রি হতো। প্রফিট হতো 10000 টাকা। ছয় মাস পর সে নিজের একটা ব্র্যান্ডই তৈরি করে ফেলে। এখন আপনি যদি শুরু করতে চান তাহলে স্টেপগুলো হলো একটি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করুন। যা সহজে বিক্রি হয়। সাপ্লায়ার খোঁজুন। ফেসবুক পেজ খুলে প্রফেশনাল পোস্ট দিন। কাস্টমার সার্ভিস ভালো রাখুন। প্রফিট রিইনভেস্ট করুন। আপনি পা থেকে 10, হাজার টাকার মধ্যে রিসেলিং বিজনেস শুরু করতে পারেন। এরপরের বিজনেসটি হচ্ছে এগ্রিকালচারাল বা ফার্ম ব্যবসা। এই বিজনেসটি যারা শহরের একটু


বাইরে থাকেন তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো। গ্রামীণ অঞ্চলে তরুণদের জন্য সবচেয়ে ভালো সুযোগ এখানেই রয়েছে। কিছু আইডিয়া দেই। যেমন মাশরুম চাষ, কোয়েল, হাঁস, মুরগির ছোট ফার্ম, সবজি চাষ, লেটুস পাতা, বেবিকর্ন, টমেটো এগুলো চাষ করা যেতে পারে। মাছের ছোট পুকুরের প্রজেক্ট করা যেতে পারে। বাস্তব এক্সাম্পল দেই। নওগার হাসান আলী নামে একজন 10,000 টাকা দিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করে। প্রথম মাসে প্রোডাকশন পায় 25 কেজি। প্রতি কেজি সে বিক্রি করে 500 টাকা। 25 কেজির টোটাল মূল্য দাঁড়ায় 12,500 টাকা। এখন সে তিন বছরের জন্য পূর্ণকালীন উদ্যোক্তা। সে


চারজন কর্মী নিয়েছে তার অধীনে। এখন সে ফুল ফোর্সে মাশরুম চাষী হয়ে উঠেছে। এখন শুরু করার স্টেপগুলো হলো সবার প্রথম ট্রেনিং নিন। কৃষি, অফিস, YouTube যেখান থেকে পারেন সবার প্রথম ট্রেনিং নিতে হবে। ছোট জায়গায় শুরু করবেন। লাভ হলে স্কেল আপ করবেন। একটা খুশির বিষয় হচ্ছে এই বিজনেসটি লো ইনভেস্টমেন্ট বিজনেস। কিন্তু অনেক হাই ইমপ্যাক্ট ব্যবসার মডেল। এরপরের বিজনেস হচ্ছে সার্ভিস ভিত্তিক বিজনেস। যেখানে ইনভেস্টমেন্ট কম কিন্তু লাভ বেশি। আপনি যদি নিজের সময়, দক্ষতা বা ট্যালেন্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে কোন প্রোডাক্ট


ছাড়াই ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। এক্সাম্পল দেই ডিজাইন সার্ভিস। যেমনফেসবুক পেজ, YouTube, থাম্বনেল, লোগো, ডিজাইন এগুলো করে মানুষ হাজার হাজার টাকা কামাচ্ছে। ভিডিও এডিটিং কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ভিডিও এডিট করে মানুষ প্রচুর টাকা ইনকাম করছে। ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস, বিজ্ঞাপন চালানো, পেজ ম্যানেজমেন্ট এগুলো করতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটিং, কপিরাইটিং এই সার্ভিসগুলো আপনি দিতে পারেন। একটা বাস্তব এক্সাম্পল দেই। রংপুরের রাফি নামে একটি ছেলে 4000 টাকা দিয়ে ভিডিও এডিটিং শেখে। দুই মাস পর সে দেশী একটা ক্লায়েন্টের কাজ করা শুরু করে। সে


প্রতিটি প্রজেক্টের জন্য 1000 টাকা করে নিত। সে সেই শুরুর মাস থেকেই চার থেকে পাঁচটা করে কাজ করত। এভাবে করে কিছু কিছু টাকা জমিয়ে সে পরবর্তীতে তার পিসি আপগ্রেড করেছিল। এখন কিভাবে শুরু করা যায় নিজের স্কিল নির্ধারণ করুন কোন স্কিলটি আপনি শিখবেন একমাস সময় দিয়ে প্র্যাকটিস করুন। এরপর ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফেসবুকে সার্ভিস দিন। প্রথম ক্লায়েন্ট পেলে তার থেকে রেফারেল নিন। মানে তাকে বলুন অন্য কারো কাজ থাকলে আপনাকে যেন কাজ দেয়। এরপরের বিজনেসটি হচ্ছে ডিজিটাল অ্যাসেট তৈরি করা। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যৎমুখী উপায়। ডিজিটাল অ্যাসেট মানে


এমন কিছু যা একবার বানালে অনেকদিন পর্যন্ত আপনার ইনকাম অটোমেটিক আসতেই থাকবে। যেমন কিছু এক্সাম্পল দেই। YouTube চ্যানেল, ব্লগ বা ওয়েবসাইট, অনলাইন কোর্স, সোশ্যাল মিডিয়া ব্র্যান্ড তৈরি করা। দেখুন আমি প্রতিটি ভিডিওতে এই ডিজিটাল অ্যাসেট তৈরি করার কথা বলিই বলি। কারণ আপনি পুরো পৃথিবীকে দেখছেন যে অনলাইনের দিকে ঝুকে যাচ্ছে। সো বিজনেস তো সেখানেই হবে। আপনি ভিডিও বানান। সেখান থেকেও টাকা কেউ না কেউ আয় করতেছে। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের পণ্য প্রতিদিন অনলাইনের মাধ্যমে সেল হচ্ছে। সো আপনি যদি ডিজিটাল এসেট তৈরি করতে পারেন


এবং এই স্কিলটি আপনি সুন্দরভাবে শিখতে পারেন তাহলে টাকা কখনোই আপনার পিছু ছাড়বে না। এখন শুরু করার স্টেপগুলো হচ্ছে একটা নিশ বেছে নিন। ফাইনান্স হতে পারে, মোটিভেশন হতে পারে, টেক হতে পারে, ফুড রিভিউ হতে পারে ইত্যাদি আপনার যা ভালো লাগে একটা নিশ বেছে নিন। ছয় মাস কনসিস্টেন্ট কন্টেন্ট দিন। মানে ছয় মাস ধরে টানা কন্টেন্ট বানাতে থাকুন। দেখবেন আপনার ইমপ্রুভমেন্ট হয়ে যাবে। দর্শকদের সমস্যার সমাধান করুন। মানে দর্শকরা আসলে আপনার কাছ থেকে কোন ধরনের ভিডিও চায় সেগুলো আপনি এই ছয় মাসে বুঝবেন এবং সেই অনুযায়ী ডেলিভারি দিবেন। এরপর যেকোন একটা


প্রোডাক্ট বা এফিলিয়েট যুক্ত করুন যেখান থেকে আপনার কমিশন আসতে পারে। যেমন আমার এই ব্লগার ওয়েবসাইটে বিজনেস রিলেটেড কোর্স সেল করতে পারি আমি চাইলে। বা আমি যদি চাই অন্য কারো কোন একটা কোর্স আমার মাধ্যমে সেল করে সেখান থেকে এফিলিয়েট কমিশন নিতে পারি। সো এভাবে আরো এডসেন্স থেকে বিভিন্নভাবে ডিজিটাল অ্যাসেটস থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। সো বিজনেস নিয়ে আরো কিছু টিপস আপনাদেরকে দিচ্ছি। এক ছোট থেকে শুরু করুন কিন্তু বড় চিন্তা রাখুন। টাকা যতই কম থাকুক আইডিয়া বড় হতে হবে। নাম্বার দুই ইনভেস্টমেন্টকে খরচ না ভেবে


শেখা ভাবুন। প্রথম ইনভেস্টমেন্ট আপনার শেখার জন্যই ব্যয় করুন। নাম্বার তিন, নিজেকে ব্র্যান্ড বানান। নাম, লোগো, অনলাইন প্রেজেন্স এগুলো যেন বিশ্বাসযোগ্য হয়। নাম্বার চার, প্রফিট রিইনভেস্ট করুন। প্রথম ইনকাম কখনোই খরচ করবেন না। বরং নিজের স্কিলকে আপগ্রেড করতে কাজে লাগাবেন। নাম্বার পাঁচ, ধৈর্য ধরুন। সফল ব্যবসা এক রাতের গল্প নয়। এটা অনেকগুলো রাতের কান্না, অনেকগুলো রাতের জেগে থাকার কষ্ট। এখন চাবি আপনার হাতে। অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করা মানে শুধুমাত্র টাকা নয় বরং নতুন জীবন শুরু করা। আপনি যদি সত্যিই নিজের বস হতে চান তাহলে আজ থেকেই একটা


ছোট্ট আইডিয়া বেছে নিন এবং একশন নিন। সবার শেষে প্রতি ভিডিওর মতো একটা কোশ্চেন রেখে যেতে চাই আপনার কাছে যদি এই মুহূর্তে 10,000 টাকা থাকে তাহলে আপনি কোন ব্যবসাটি শুরু করবেন? ফুড ডেলিভারি না ডিজিটাল অ্যাসেট নাকি রিসেলিং বিজনেস না অন্য কিছু? অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। তাহলে আপনাদের কমেন্টগুলো থেকেও অন্যরা অনেক কিছু আইডিয়া নিতে পারবে। এই হচ্ছে পুরো ভিডিও। প্লিজ এই ব্লগ পোস্টটিতে লাইক করতে ভুলবেন না। আর একটু কষ্ট করে আপনারা আপনাদের কাছের মানুষদের সাথে এই শিক্ষণীয় ব্লগ পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন। কারণ আপনার একটি শেয়ার কারো না কারো অনেক উপকারে চলে আসতে পারে।


ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।


শেষকথা :


আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣


আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পরে কোনো অফিস ছাড়া, কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া ৫টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া ম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।


আরও পোস্ট পড়ুন-


জীবন পরিবর্তনের সেরা লেকচার | ডক্টর নোবেল | Doctor Nobel | Motivational Speech | মোটিভেশনাল স্পিকার


চলুন পৃথিবীর ভিতরে যাত্রা শুরু করি ? বিজ্ঞানীনাও দেখে অবাক ! 


ফোন রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হচ্ছে ! পু'লি'শ ধরবে ১৬ তারিখের পর❓Unofficial Phone Registration BTRC NEIR


চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া উপায়। মহাবিশ্ব টিভি নিউজ 


 আসলে কেন বানানো হয়েছিল চীনের এই দেওয়াল? || Great Wall of China Mystery




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন