দেশের বাজারে 5G ফোনের ছড়াছড়ি || Realme 15T শুধু কি নামেই 5G!

5G প্রসেসর 7000 এমএইচ এর ব্যাটারি অ্যামোলের ডিসপ্লে আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার এবং 50 50 ক্যামেরা নিয়ে মার্কেটে হাজির হয়েছে realme 15T ওদের এই নাম্বার সিরিজের ডিভাইস রিসেন্টলি লঞ্চ হয়েছে আপনারা জানেন তো অলরেডি আমরা দুইটা ফোনের ব্লগ পোস্ট কিন্তু দিয়েছি realme 15T নিয়ে এখন আমরা কথা বলব realme 15T নিয়ে ওদের চাইতে তুলনামূলকভাবে একটু কম দামী স্মার্টফোন তবে অবশ্যই 5G প্রসেসর দিচ্ছে বাট আমার যে বিষয়টা ভালো লেগেছে এই ফোনগুলো হাতে আসার পর পরই এই ফোনটা হাতে নিলে খুব একটা বড় বড় মনে হয় বেশ

"রিয়েলমি ১৫টি (Realme 15T): সত্যিই কি এটি একটি ৫জি ফোন, নাকি শুধু নামেই ৫জি? বিস্তারিত রিভিউ পড়ুন।"



কমফর্টেবল একটা ফিল পাওয়া যায় মানে অনেক বেশি বড় না আসলে মূলত ফোনটা সেই সাথে বেশ সলিড একটা ফিল দিতে পারে ইটস ট্রু একই সাথে খারাপ লাগার জায়গাও তৈরি করবে যখন দেখবেন রিয়ার প্যানেলটাও প্লাস্টিক বডি ফ্রেমটাও প্লাস্টিক এখন এই কারণে আবার একটু সস্তা টাইপের ফিল আসতে পারে যখন কিনা আপনি একটু ভালো করে খেয়াল করবেন রিয়ার প্যানেলের টেক্সচারটা বেশ সুন্দর এটা স্টোন টাইপের একটা ফিনিশ দেয় দেখতে সুন্দর লাগছে বিশেষ করে এই কালার ভেরিয়েন্ট তো বেশ সুন্দর এর বাইরেও আর একটু কালার রয়েছে আর এই স্মার্টফোনটার বডি ফ্রেমটা আমি যেমনটা বলছিলাম


প্লাস্টিকে তৈরি অবশ্যই তবে একেবারে স্কয়ার বক্স শেপের 3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক তাহারা এতে দেয়নি। তবে দিয়ে রাখছে আইপি 68 69 এর রেটিং। আপনি আপনার স্মার্টফোনটাকে টুকটাক পানিতে ভেজে টুকটাক না ভালোই পানিতে ভেজাতে পারবেন। আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি যারা করতে চান বা করেন তাদের হয়তো এই ফিচার কাজে লাগবে। তবে আমার মনে হয় এই ফিচারের চাইতেও অন্যান্য জায়গায় গুরুত্ব দেওয়া আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এনিওয়ে আমরা একটু ভিতরের দিকে জাম্প করি। ডিসপ্লের প্রসঙ্গে যদি ফাস্টে চলে আসি। এখানে যে ডিসপ্লেটা রয়েছে এটা দেখতে ভালো লাগবে। ডিসপ্লেটা


মোটামুটি সিমেট্রিক্যাল টাইপের একটা ভাইব দেয়। তবে খুব ভালো করে খেয়াল করলে আপনি বুঝতে পারবেন লোয়ার চিনটা তুলনামূলকভাবে একটু মোটা আছে। 6.57 ইঞ্চ এর প্যানেল রয়েছে মূলত এখানে। আমি অনেক খোঁচাখুঁজি করলাম। প্যানেলটা আসলে কোন ব্র্যান্ডের বিল্ড করা এই ব্যাপারটা জানতে পারিনি। বিওই নাকি অন্য কিছু নাকি Samsung এ ব্যাপারটা জানতে পারেনি আর কি। 1 বিলিয়ন কালার সাপোর্ট করে। 120 hz পর্যন্ত হাই রিফ্রেশ রেট দিতে পারে ডিসপ্লেটা এবং 2160 hz পিডবএম ডিমিং সাপোর্ট রয়েছে এখানে। তবে প্রোটেকশনের ব্যাপার নিয়ে কোথাও কিছু


কিন্তু পাওয়া যায়নি। এখন এই জিনিস পড়ে গেলে কোন সমস্যা হবে কিনা সেটা কিন্তু সিওর না। আমরা ছোট্ট একটা টেস্ট করে ফেললাম। এতে সমস্যা হয়নি। বাট অনেক সময় দেখবেন এর চাইতেও কম দূরত্ব থেকে পড়েও ভেঙে যেতে পারে। সো প্রোডাক্টর ব্যবহার করুন ভাই। 4000 নিটস পিক ব্রাইটনেস এটা ক্লেইম করে। হয়তো নির্দিষ্ট কোন পিক্সেলের নির্দিষ্ট কোন সময় আসতে পারে। বাট আসল কথা হচ্ছে রেগুলার চালাতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়ি কিনা আমরা। আপনার এই ফোন ইনডোর, আউটডোর, ডিরেক্ট সানলাইটে ব্যবহার করে দেখেছি সমস্যা হয়নি। তবে যখন আপনি ফটোগ্রাফি করবেন ছবি তুলতে যাবেন তখন


আপনার কাছে মনে হতে পারে আরো একটু ব্রাইটনেস থাকলে আরো একটু মানে বেটার ভাবে দেখা যেত বা সুবিধা হতো দেখা যায় না এমন নয় তখনও চালানো যায় বাট স্টিল আপনার মনে হতে পারে আরেকটু বেটার হলে সুবিধা হতো আর কি ট্রান্সফ রেসপন্স ভালো আছে ডিসপ্লেটার কালার রিপ্রেশন এবং শর্টনেস ডিটেল ভালো লাগবে বিকজ অফ এখানে আমরা পিপি দেখছি 401 সেই সাথে রেজলেশন ভালো রয়েছে অন্যদিকে আমরা YouTube এও দেখলাম আসলে কতটুকু পর্যন্ত যাচ্ছে 4k 60 এফপিএস এ প্লে করতে পারছে স্মুথলি প্লে হচ্ছে বাট এটির না হ্যাঁ এমনি নরমাল যে 4K 60 এপিএস ভিডিও


সেগুলো প্লেব্যাক দেবে বাট এইচডিআর ক্ষেত্রে না এখন এই ডিসপ্লেটা বাই ডিফল্ট একটু ভাইব্রেন্টের দিকে একটু ওয়ার্মের দিকে নিয়ে কালার দিচ্ছে যেটা হয়তো একটু আইক আছি একটু দেখতে ভালো লাগবে আর কি মিডিয়া কনজামশন যারা করেন মাল্টিমিডিয়া দেখেন দেখেন তাদের কাছে ভালো লাগতে পারে পাস কাট আছে এইতো ডিসপ্লেওয়াইজ ওকে জাস্ট প্রোডাকশনের ব্যাপারটা নিয়ে একটু কনফিউশন থেকেই গেল এটা যে প্রাইস পয়েন্টের ডিভাইস তাতে আমরা মনে করি যে ভালো প্রোডাকশন দিয়ে তো আসবে কোম্পানি সেটা ক্লেমও করবে এটাই হওয়া উচিত 32 <unk>32999 একটা ভেরিয়েন্টে


লঞ্চ হয়েছে বাংলাদেশ মার্কেটে 856 GB বাট এখানে হাইব্রিড সিম স্লট এই আরেকটা দুঃখের বিষয় আর কি যাই হোক আমরা সরাসরি পারফরমেন্সে যদি চলে যাই স্মার্টফোনটিতে প্রসেসর হিসেবে রয়েছে মিডিয়াটেক ডাইনসিটি 6400 ম্যাক্স ম্যাক্স শুনে একদম খুব আনন্দিত হওয়ার কোন কারণ নেই কারণ এই প্রসেসরটা কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের একটা 5G চিপ ফ্রম মিডিয়াটেক বুঝতে পারছেন ব্যাপারটা এখানে হ্যা আটটা করেই আছে এর মাঝে পারফরমেন্স দুইটা কোর রয়েছে তা হলো 2.5 গিগা কোডক্স এ 76 পরবর্তী ছয়টা কোর হচ্ছে 2.0 GHz এফডি 5 LDR ফোর এক্স এর RAM রয়েছে এবং ইউএফএস 2.2 হলে গিয়ে স্টোরেজ


টাইপ। স্টোরেজ টাইপটাও আপনার কাছে একটু দুর্বল লাগতে পারে যখন আপনি ৳33,000 প্রাইস পয়েন্টে একটা ফোন কিনেছেন সে আপনি অফিশিয়াল কিনেন কিংবা আনঅফিশিয়াল কেনেন। সো এটার লিমিটেশনস এখানেই এর উপরে যাবে না। কিছু করার নেই। অন্যদিকে যেমন প্রসেসরের ক্ষেত্রেও কিন্তু আপনি চাইলেই এখান থেকে একদম সুপারফাস্টার গতি লক্ষ্য করবেন না। কারণ এই চিপটাকে কম্পেয়ার যদি করতে চান মিরালজি 100 বা ওই গোত্রের প্রসেসরের সাথে কম্পেয়ার করতে পারেন। জাস্ট এফ 5জি ভার্সন আর কি। সুতরাং এখানে যে র্যামটা রয়েছে সেই র‍্যামেরও 100% পটেনশিয়ালিটি আপনি বের করতে পারবেন না।


বা ডে টু ডে টাইপের টাস্কে আপনি ওই ব্যাপারটা হয়তো নোটিশ করবেন যে আমরা 33- 34 হাজার বা মানে 30,000 প্লাস প্লাস ফোনগুলোতে এমনটাই দেখি ফ্ল্যাগশিপ কিলার টাইপের হয়ে গেছে এখন বা হাই মিডরেঞ্জ প্রাইস পয়েন্টের যে ফোনগুলো হয়। ওই ধরনের পারফরমেন্স ডেলিভার করতে দেখবেন। আপনি অ্যাপ ওপেন ক্লোজ টাইম হ্যাঁ মোটামুটি ফাস্ট। কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকগুলো অ্যাপ জমে আছে। সেই অবস্থায় যদি নতুন অ্যাপ ওপেন করতে চান তখন গিয়ে দেখবেন যে হ্যাঁ একটু চপি একটু টাইম নিচ্ছে। আবার আপনি মাল্টিস কাজ করছেন নরমাল অ্যাপগুলো সেগুলো সমস্যা নাই। কিন্তু আপনি ভিডিও


এডিটিং করছেন এরকম কাজবাজ করতে চান কিংবা ভারিটারি গেম খেলছেন তার মধ্যে থেকে বারবার সুইচ করছেন তখন কিন্তু ঠিকই ক্রাশ করে। হ্যাঁ। Realme এর ওদের যে অপারেটিং সিস্টেমটা মানে ইউজার ইন্টারফেসটা সেটা কিন্তু ভালো। সেটা খারাপ নয়। যেখানে বাঘ ভালো করে দেখা আপনি ঠিকই পাবেন না কিন্তু অনেক ব্লো টায়ার পাবেন আবার যেগুলো একটু আনস্টল করে নিন আরেকটু ক্লিন ভাই পাবেন ওইটা কোন প্যারা দিচ্ছে না এখন এই প্রসেসরের মানে সর্বোচ্চ যে বেস্ট পারফরমেন্স সেটা realme বের করতে পারছে ইটস ট্রু একই সাথে আবার এটাও বলতে হয় এই প্রসেসরটা খুব আহামরি লেভেলের পারফরমেন্স


দিতে পারবে যে এমনও না সেটা আপনারা গেমিং এর ক্ষেত্রেও বুঝতে পারবেন সেটা ডে টু ডে লাইফের আজকেও বুঝতে পারবেন যেমনটা বললাম যে হেভি পারফরমেন্সে যখন যাবে একটা টাইমে অনেকগুলো এপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করছেন ভারি ভারি তখন আপনি ওই স্মুথনেসের একটা ঘাটতি ফিল পাবেন 256জিবি স্টোরেজ এটা নিয়ে আমার কমপ্লেন নাই ওকে আছে আর ইউএফএস 2.2 এর মানে স্পিড কেমন সেটা আপনারা ডেফিনেটলি জানেন। আচ্ছা তিন বছরের আপনারা মেজর আপডেট পাবেন এই ডিভাইসটাতে রাইট নাও রান করছে realme ইউ 6. অন্যদিকে 15 রয়েছে। এই জায়গাটা মোটামুটি লেটেস্ট হিসেবে ধরে


নিচ্ছি এবং আপডেটের ব্যাপারটাও ওকে। ছোট্ট একটা মিস্টেক বোধয় করে ফেললাম। দুই বছরের মেজার আপডেট দুই দইদ। এখন হ্যা এই প্রেসারটা খুব আহামরি হিট জেনারেট করে না। নরমালি একটু হালকা ওয়ার্ম হয়। মানে যেটা আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়েছে একদমই মাল্টিটাস্কিং কিংবা গেমিং করছেন ওই টাইমে গিয়ে দেখবেন মোটামুটি হালকোরম হচ্ছে আমরা টেস্ট করে দেখেছি না তাতে করে তেমন কোন স্পেশাল পজিশন পাইনি যেখানে খুব বেশি ওভারহিটিং করছে বা ডিসপ্লে পোরশনটাতেও না এমন কিছু না আপনারা ফ্রি ফায়ার খেলতে চাইলে এটা দিয়ে মাঝে মাঝে সময় কাটানোর


মত রেজাল্ট পাবেন পাবজির ক্ষেত্রে ততটা স্মুথ রেজাল্ট দিচ্ছে না এতক্ষেত্রে উনি এবং লোয়েস্ট সেটিংসে খেললেই বরং ভালো আর তাছাড়া টু টাইপের গেমগুলো খেলে ঠিক আছে মানে এটা গেমিং এর জন্য যদি চয়েস করতে চান তাহলে একেবারেই না তবে হ্যা আপনি যদি একেবারে রেগুলার নরমাল ইউজার হয়ে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়া চালাচ্ছেন অফিশিয়াল টুকটাক কিছু কাজ করেন আবার ভিডিও ভিডিও দেখেন সে ধরনের কাজগুলো খুব ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে পারবে ওতে করে সমস্যা নেই ডায়মন্ড সিটির এই আরেকটু কোন বেটার চিপ দিয়ে আসলে সেভেন এর ঘরে চলে গেলে জিনিসটা


আরো সুন্দর হইতো বা সেটাই বরং উচিত ছিল এই দাম অনুযায়ী এখন একটা বিষয় হয়তো অনেকের থেকে এগিয়ে থাকবেন যে আপনার ফোনটা ফিউচার প্রুফ বাংলাদেশে 5g সার্ভিস চালু হয়েছে অদুর ভবিষ্যতে হয়তো আপনার এলাকায় আপনিও 5g পেয়ে যাবেন তখন আপনার এই ফোনটা কাজে লাগবে এই এই জায়গায় সে এগিয়ে থাকলো আচ্ছা ক্যামেরাতে যদি আসি 50 মেগাপিক্সেলের মেইন শুটার রয়েছে রিয়ারে। আর সেই সাথে দুই মেগাপিক্সেলের আরেকটা শুটার রয়েছে সহকারি সেন্সর। এছাড়া আরেকটা ডামি রয়েছে। মানে ক্যামেরা মডিউল সেটআপ দেইখা তো মনে হইতেছে একদম বড় ভাইদের সাথে পুরাপুরি মিলায় ফেলছে। বাট


না এখানে আল্ট্রাইড বা টেলিফোটও জাতীয় কিছু নেই। ইভেন এই প্রাইস পয়েন্টও ডিজার্ভ করে। ওর যে বড় দুইটা ভাই আগে গেছে তারা তো 100% রিজার্ভ করে। সেগুলোতেও দেয় নাই। realme আর ছোটার কথা কি বলবো। মানে এখানে বলতে গেলে তো মনে হয় যেন মানে কাইন্দা দিব আর কি। ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা 50 মেগাপিক্সেলের। এইটা আবার এই প্রাইস পয়েন্টে ভালো জায়গায় আছে। এখন রিয়ারের যে মেইন ক্যামেরা তাকে যদি ভালো আলো দিতে পারেন। আই মিন ডেলাইট কন্ডিশনে আউটডোরে ছবি নেন সেই ছবিগুলো কিন্তু বেশ সুন্দর লাগবে। মিন্স বেশ পপ টাইপের একটা কালার দেয়। না সেট না ওভার সেটও না।


কিন্তু কালারটা মানে খুব ভাইব্রেন্ট টাইপের। দেখতে ভালো লাগে। শর্টনেস ভালো আছে। এমনকি জুম করে দেখলেও আপনি বুঝতে পারবেন শার্টনেস বেশ ভালো। সেটা শুধুমাত্র মিডল এরিয়াতে না সাইড এরিয়াতেও। তবে হ্যাঁ কিছু ছবির ক্ষেত্রে একটু কন্ট্রাস্ট ভাই আমরা পেয়েছি। আর কনসিস্টেন্সি লেভেলটা সবসময় সেম ছিল না। লাইটিং সিনারিও যদি ব্যাকগ্রাউন্ডে হেভি লাইট চলে আসে হারফেট লাইট চলে আসে সেটা ব্যালেন্স করতে গিয়ে অনেক সময় একটু কালার ফোনটাও শিফট করে আর কি। যেটা এরকম প্রাইস পয়েন্টের অনেক ডিভাইসে হয়তোবা আপনারা খেয়াল করে থাকবেন আর কি। এজ এ অফিশিয়াল ডিভাইস। এই প্রাইস


পয়েন্টে আরো বেশ কিছু ফোন রয়েছে। সেগুলোর সাথে কম্পেয়ার করতে গেলে মেইন ক্যামেরাটা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে সাউন্ড পয়েন্টে আছে। লো লাইটের দিকে ওই যে কন্ট্রাস্টের লেভেলটা একটু বাড়ে। শার্পনেস একটু কমে। একটু সফট করে দিয়ে গ্রিন ট্রেন মানে কাট করার ট্রাই করে। ওইতো ওরকম টাইপের আর কি। পোর্ট্রেট মোড তো ঠিকই আছে। তবে আলাদা কোন ফোকাল লেন্থের ব্যবস্থা ফাস্ট অফ অল এটা তো নেই। তাছাড়া ডিজিটাল জুম করেও দিচ্ছে না। ডিজিটাল জুমের একটা অপশন থাকলে ভালো হইতো। এখন পোর্ট্রেট মোডে যেটা হয় এসিডিকশন ভালো এবং ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেস


আর্টিফিশিয়াল লাগে না। কিন্তু হেভি হাইলাইট চলে আসলে তখন গিয়ে ব্যালেন্স করতে ও মোটামুটি ভালোই বেড়া খায়। হিমসিম খায়। এমনকি আমি বেশ কিছু ছবিতে খেয়াল করেছি যে ফেস টেস বা বডি একটু সফট করে প্রেজেন্ট করছে। কালারটা হালকা শিফট করে। ওয়ার্মের দিকে নিচ্ছে। এবং প্রতিটা ছবিতে realme যে আগে আমরা একটা বাই ডিফল্ট টোন দেখতাম না। ওয়ার্মের দিকে নেওয়ার। ওইটা একটু কমছে কিন্তু স্টিল আছে। এই জিনিসটা আবার অনেক realme লাভারদেরই ভালো লাগে। আপনাদের কাছে কেমন লাগে? কমেন্ট করে জানায়েন তো ব্যাপারটা। আচ্ছা ভালো লাগবে ফ্রন্ট ফেসিং


ক্যামেরার রেজাল্ট। এটা একদম সেলফি লাভারদের জন্য রেডি টাইপের ছবি দিচ্ছে। জাস্ট আপলোড করে দিলে চলে। মোটামুটি লাইট থাকলেও ভালোই শার্পনেস ডিজাইনের ছবি দেয়। আর এই প্রাইস পয়েন্টের অনেক ফোনের চাইতে এটার সেলফির দিকে আপনি ভালো রেজাল্ট পাবেন। >> এটা হচ্ছে গিয়ে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার ভিডিও স্যাম্পল। 30 এপিএস রেকর্ড হচ্ছে। খুব একটা যাচ্ছেই না। মানে ছবিতে যতটা খেলা দেখাইছে ভিডিওতে ততটা পারেনি। সাউন্ডটা এই স্মার্টফোন থেকে আপনারা পাচ্ছিলেন। >> ব্যাক সাইডের ক্যামেরায় 1000 এপি 60 এপিএস রেকর্ড করতে পারে সর্বোচ্চ। ফার্স্ট অফ অল


স্টেবিলিটি খুব একটা ভালো পায়নি। সে সাথে জিটারিংও আছে কিছুটা। হাইলাইট থেকে লো লাইটে গেলে ব্যালেন্স করতেও সময় নিচ্ছে। ভিডিওর জন্য খুব একটা ভালো কিছু হয়নি এটা। ভিডিওর জন্য রেকমেন্ড করা যাচ্ছে না। ক্যামেরাতে মেইন ক্যামেরাটা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে ভালো ছবি দেয়। ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা এগিয়েই থাকে অনেকের থেকে। বাট আমরা মিস করতেছি এখানে আল্ট্রাওয়াইড কিংবা টেলিফটো। ওটার যেকন একটা থাকলে পরে ঠিক হইতো। আইদার ফোনের দাম কম হইতো 30 এর নিচে। তাহলে আবার এই ধরনের কমপ্লেন আসতো না। আই থিংক বুঝতে পারছেন ব্যাপারটা। তবে


ভাই পোষায় দিছে ব্যাটারি দিয়ে। 7000 এমএচ এর ব্যাটারি রয়েছে 60 ওয়াটের চার্জিং সিস্টেম বাইপাস চার্জিং টেকনোলজির সাপোর্ট নেয়। আবার 10 ওয়াটের রিভার্স চার্জ করা যায়। যদিও বা ওয়াটের দিক থেকে খুব বেশি না। বাট অনেক সময় টিডবএস বা আমাদের গ্যাজেটস গুলো চার্জ করার প্রয়োজন পড়ে। তখন কাজে লাগে। একটা বিষয় একটু জানিয়ে রাখবো। আপনাদের অনেকেরই টিডবএস বাংলাদেশে নষ্ট হয় বা ঘড়ি নষ্ট হয়। আপনি কিন্তু হাই ওয়াটের চার্জার দিয়ে যখন চার্জ করেন তো আপনার ঘড়ি কিংবা টিডবএস বা অন্য জিনিসই হোক আপনারা ট্রাই করবেন একটু লো ওয়াটে চার্জ করার। আর সেক্ষেত্রে আপনার হাতে যদি


এই ডিভাইসটা থাকে তাহলে কিন্তু সেটাও সম্ভব। আপনার ফোন দিয়েই আপনি চার্জ করে ফেলবেন। কি একটা অবস্থা। নরমাল ইউজেসে স্মার্টফোন ইজিলি দেড় দিনের মত পার করতে পারবে। আর যদি একদম হেভি ইউজার হয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রেও একদিন চালাতে তো পারবেনই। তারপরেও দেখবেন কিছুটা অবশিষ্ট আছে। কারো কারো ক্ষেত্রে এটা হয়তো আরো বেটার ব্যাকআপ দেবে। দুইদিনের কাছাকাছি চলে যেতে পারে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার হচ্ছে গিয়ে আন্ডার ডিসপ্লে। এটার পজিশনটা আমার কাছে বেশ নিচের দিকেই লাগলো। এটার সাথে হয়ে গেল আর প্যারা নেই। তবে ফাস্ট একুরেটই বলা যায়


আর কি। পানি টেনে লাগলে একটু ডিলে করতে পারে অনেক সময়। স্পিকার দুইটা আছে। মানে এখানে জিআরপিস যেটা দিয়ে আমরা কথা শুনি কথা বলার জন্য। ওইটাকেই সেকেন্ডারি স্পিকার হিসেবে ব্যবহার করে। দ্যাটস হোয়াই আপনি দুই সাইড থেকে একদম ব্যালেন্স তো পাবেন না। কিন্তু স্টেরিওর মজা কিছুটা হলেও পাওয়া যাবে। তবে কোন ধরনের ডিস্টরশন বা অনেক সময় অনেক ফোনের মানে স্পিকারের কারণে ব্যাক সাইডটা কাপতে থাকে। কে খুব অ্যানোইং একটা ফিল দেয়। এ ধরনের কোন প্রবলেম আমরা ফেস করিনি। নেটওয়ার্ক রিসেপশন ভালো। সেটা ডাটা কানেকশন কিংবা ওয়াইফাই এর ক্ষেত্রেও ওয়াইফাই এর


কানেক্টিভিটি ভালো পেয়েছি। যদিও বা ওয়াইফাই 5 এ কিন্তু ওটা রান করছে। আর কি বাকি থাকলো হ্যাঁ প্রয়োজনীয় সেন্সরসগুলো আছে যেগুলো আপনার ডে টু ডে লাইভে হয়তো কাজে লাগবে। Realme 15 টি দেখুন ৳33,999 একটা ডিভাইস। যে ডিভাইসটাতে আমাদের এক্সপেক্টেশন অনুযায়ী কয়েকটা জায়গায় অবশ্যই কমতি আছে। আবার কয়েকটা জায়গায় বেশ ভালো করছে। ভালোটা আগে বলবো না খারাপটা? আচ্ছা খারাপটা দিয়েই শুরু করি তারপরে ভালোর দিকে যাচ্ছি। খারাপের মধ্যে এটাতে আরেকটু বেটার চিপ থাকতে পারতো। সেক্ষেত্রে দাম অনুযায়ী পারফরমেন্স ভালো হতো। এখন জাস্ট রেগুলার ইউজার জন্য ঠিক


আছে। কিন্তু হেবি পারফরমেন্স বা গেমিং এর জন্য এটা ভালো কোন আদর্শ ডিভাইস হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরাতে অবশ্যই একটা আল্ট্রাওয়াইড আমি আশা করছিলাম টেলিফোটর কথা না হয় বাদই দিলাম ভাই আল্ট্রাওয়াইট থাকলেও এটলিস্ট সেটা কাজের হতো। তৃতীয়ত ফোনটার দাম একটু কম থাকা উচিত ছিল। দামটা কিছু বেশি হয়ে যায়। বুঝছেন? এই দাম কম থাকলে আর এ ধরনের কমপ্লেনগুলো কমেই আসতো। এখন ভালোর মধ্যে এই ফোনের ডিসপ্লেটা ভালো লাগতে পারে। এই ফোনের যেমন আমার কাছে সাইজটা এবং বেশ সলিড একটা ফিল দেয়। এটা ভালো লেগেছে। তারপরে


মেইন ক্যামেরা এবং ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা এই দুইটা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন। ও খারাপের মধ্যে আরেকটা ছিল বলে দেই ভিডিওর ব্যাপারটা। এরপরে আইপি 68 69 রেটিং রয়েছে। এই জিনিসটা সাবজেক্টিভ হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে কাজে লাগতেই পারে। 70 এমএ এর ব্যাটারিটা ডেফিনেটলি এটা একটা পজিটিভ সাইন ক্রিয়েট করে। এই সমস্ত বিষয় যদি মনে হয় আপনার জন্য মেইন প্রায়রিটি তাহলে আপনি এটা দেখুন। আর যে সমস্ত বিষয়গুলো একটু আগে আমি বললাম কমতির কারণ ওইগুলা আমার জন্য বেশ কমতির কারণ। আমি হলে তখন গিয়ে আবার হয়তো কারণে নিতাম না। আপনার সাথে আসলে কোনটা ম্যাচ করছে কমেন্ট করে জানাইন।


সবাই ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন। দেখা হচ্ছে নতুন কোনো ব্লগ পোস্টে।


শেষকথা :


আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣


আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "দেশের বাজারে 5G ফোনের ছড়াছড়ি || Realme 15T শুধু কি নামেই 5G!" সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।


আরও পোস্ট পড়ুন-


Realme C75 Full Review || চট করে কিনে ফেলার আগে যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত!


Realme C85 Pro Review || AMOLED,7000 mAh ছাড়া আর কি আছে! 


realme 15 Pro Review in Bengali || চকচকে রিয়ালমি!


Realme 14 5G Rrview || এটা কি আসলেই গেমিং ফোন!


Realme C71 কি ১৫ হাজার টাকায় শুধুই কি বড় ব্যাটারি নিয়ে হাজির! নাকি আছে আরও কিছু!





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন