ফোন রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হচ্ছে ! পু'লি'শ ধরবে ১৬ তারিখের পর❓Unofficial Phone Registration BTRC NEIR


আপনি পুরাতন ফোন ব্যবহার করেন বা নতুন ফোন কিনে ইউজ করতে চান সেই ফোনে রেজিস্ট্রেশন না করলে কিন্তু ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না আগামী 16ই ডিসেম্বরের পর থেকে বিদেশ থেকে কেউ আপনাকে ফোন দিয়েছে গিফট পেয়েছেন ওই ফোনটাও কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করতে হবে রেজিস্ট্রেশন যদি না করেন তাহলে গ্রামিন,রবি,এয়ারটেল,বাংলালিংক, টেলিটক সিম যদি তুলেন আপনার ফোনে কিন্তু নেটওয়ার্ক পাবেন না আপনি ওই কলও করতে পারবেন না ইন্টারনেটে ইউজ করতে পারবেন না ওই প্রক্রিয়াতে এছাড়াও আপনার ফোন যদি কাউকে বিক্রি করতে চান আই মিন আপনার পুরাতন ফোন রয়েছে এটা
"বিটিআরসির এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর ১৬ ডিসেম্বর থেকে অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআইযুক্ত ফোন নেটওয়ার্কে আর কাজ করবে না"





বিক্রি করে নতুন আরেকটা ফোন কিনবেন। সেক্ষেত্রে পুরাতন ফোনটা আগে ডিরেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপরে আপনি নতুন ফোন কিনে যদি মনে করেন ইউজ করবেন সেটা ইউজ করতে পারবেন। তো সরকার মোটা দাগে বলতেই পারতেছেন একটা বিশেষ সিকিউরিটির কারণ দেখিয়ে কিন্তু এনইআইআর সিস্টেম চালু করে দিচ্ছে। আর আপনি যখন একটা নতুন ফোন কিনতে যাবেন সেটা দেশে উৎপাদিত অফিশিয়াল ফোন কিনা। এটাও আপনাকে কিনে চেক করতে হবে বা কেনার আগে আপনি চেক করতে পারবেন কিভাবে প্রক্রিয়াগুলো চলমান হবে ইন ডিটেলস বিষয়গুলো এই ব্লগ পোস্টে তুলে ধরবো ব্লগ পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তাই অবশ্যই ব্লগ পোস্টটিতে
লাইক করে mahabishwatvnews.com পত্রিকার নতুন দর্শক হয়ে থাকলে সাবস্ক্রাইব করে দিবেন বন্ধুরা আর আপনার ব্যবহৃত ফোন যদি আপনি মনে করেন বিক্রি করে দিবেন অন্যকেউ ইউজ করবে তো সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ফোনের ডায়াল লিস্টে গিয়ে *166# ডায়াল করার পরবর্তীতে আপনার এনআইডির লাস্টের চার ডিজিটের নাম্বার দেওয়ার পরবর্তীতে আপনি সেন্ডে ক্লিক করবেন। সেন্ডে ক্লিক করার পর নতুন যে ব্যক্তি এই ফোনটা কিনতেছে তার সিমের যে নাম্বারটা রয়েছে সেই নাম্বারটা ওখানে দিতে হবে। দেওয়ার পরবর্তীতে সেন্ড বাটনে ক্লিক করবেন। আর নতুন যে ব্যক্তি আপনার কাছ থেকে ফোনটা কিনতেছে তার এনআইডি
কার্ডের আন্ডারে কিন্তু এই ফোনটা অটোমেটিকি রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে।


 আর ইতিমধ্যে যেই ফোনগুলো আমাদের হাতে রয়েছে এটা অফিশিয়াল হোক বা আনঅফিশিয়াল ফোন হোক। তো 16ই ডিসেম্বর 2025 সালের মধ্যে যারা আমরা ফোন ইউজ করতেছি গ্রামিন,রবি,এয়ারটেল,বাংলালিংক সিম তুলে ইউজ করতেছি তো সেই ক্ষেত্রে এই আনঅফিশিয়াল বা অফিশিয়াল ফোনগুলা অটোমেটিকলি ভাবে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে তবে আনঅফিশিয়াল বা অবৈধ যে ফোনগুলো রয়েছে এটা কিন্তু ডি গ্রেডের একটা লিস্টে থাকবে, সরকার যদি মনে করে পরবর্তীতে এই ফোনটা বন্ধ করে দিবে বা এই আনঅফিশিয়াল ফোন আপনি ইউজ করতেছেন এটা রেজিস্ট্রেশন মানে
পুনরায় করতে বলবে সেটা করতে আপনি বাধ্য। সেক্ষেত্রে আপনাকে হয়তোবা ট্যাক্স দেওয়া লাগতেও পারে। এটা পরের বিষয়। 

আই মিন এটা একটা ডি গ্রেডের লিস্টে কিন্তু লিপিবদ্ধ থাকবে। এর বাহিরে গিয়ে 16ই ডিসেম্বর 2025 সালের তারিখের পর থেকে যারা আনঅফিশিয়াল ফোন কিনবেন ওই ফোনগুলা কিন্তু ভাই রবি,এয়ারটেল,বাংলালিংক,গ্রামিন নেটওয়ার্কের যেই সিম বাংলাদেশে তোলেন ওই ফোনে কিন্তু নেটওয়ার্ক আসবে না আপনি কলও করতে পারবেন না ইন্টারনেটও ইউজ করতে পারবেন না সিম দিয়ে আপনাকে যেই কাজটা করতে হবে আপনি হয়তোবা ওয়াইফাই দিয়ে ইন্টারনেট চালাতে পারলেন মেসেঞ্জার এর মাধ্যমে কারো সঙ্গে কল বা
কমিউনিকেট করতে পারলেন ভয়েসের মাধ্যমে এই পর্যন্তই


অনেকেই বলতে পারেন ভাই স্মার্টফোনের বিষয়টা টা বুঝলাম তাহলে বাটন ফোন কি ভাই বাটন ফোনও আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বাটন ফোনও বাংলাদেশে উৎপাদিত কিনা বাটন ফোনও যদি আনঅফিশিয়াল হয় সেখানেও সিম তুললে আপনি নেটওয়ার্ক পাবেন না বাটন ফোনের ক্ষেত্রে এনইআইআর (NEIR) সিস্টেম *121# এই কোডটা ডায়াল করার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে । 


(মূলকথা):আর সাধারণত প্রত্যেকটা ফোন রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকবে এইভাবে যে আপনার যেই এনআইডি দিয়ে সিমটা কেনা রয়েছে ওই সিমটা আপনি যেই ফোনে তুলবেন তোলার পর ওই ওই ফোনের কিন্তু নির্দিষ্ট
একটা 16 ডিজিটের আইএমইআই নাম্বার রয়েছে। *#06# ডায়াল করলে এই নাম্বারটা চলে আসে অথবা ফোনের বক্সে থাকে। তো অটোমেটিকলি আপনার সিম কার্ডের বিপরীতে যে জাতীয় পরিচয়পত্র রেজিস্ট্রেশন করা রয়েছে এবং আইএমআই নাম্বারটাও কিন্তু ওই জাতীয় পরিচয়পত্রের আন্ডারে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। মানে এই প্রক্রিয়ায় কিন্তু সাধারণত ডিভাইসটা রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকবে। 


(মুল টপিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য/উপসংহার): বাংলাদেশের যেই মোবাইল শপেই ফোন কিনতে চান সেক্ষেত্রে আপনি পুরাতন যেকোন একটা ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD লিখবেন। তারপর স্পেস দিবেন। নতুন ফোনের যে আইএমইআই নাম্বার রয়েছে ওই ফোনের
বক্সের দিকে দেখতে পারবেন দুইটা নাম্বার থাকে। তো KYD লিখে স্পেস দেওয়ার পর ওই 16 ডিজিটের যে কোনো একটি  নাম্বারটা লিখবেন। তারপর আপনি মেসেজটা পাঠিয়ে দিবেন 16002 এই মেসেজ পাঠানোর জন্য কোন চার্জ কাটবে না। এমনকি আপনার ফোন যদি অফিশিয়ালি এবং বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়ে থাকে তাহলে ওই ফোনটা কিন্তু আপনি নির্দ্বিধায় কিনতে পারবেন। নির্দ্বিধায় ইউজ করতে পারবেন। নো টেনশন। তো এইটা ছিল সাধারণত প্রক্রিয়া বা চলমান। 


আর প্রবাসী ভাই বোনেরা যদি বিদেশ থেকে দেশে ফোন আনেন আপনারা নিজে ইউজ করেন বা ফ্যামিলি মেম্বারকে গিফট করেন যাকেই
দেন ওই ফোনটা রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই যার বা যে প্রবাসী তার পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্যের পৃষ্ঠার ছবি লাগবে বা স্ক্যানকৃত কপি লাগবে এবং
আপনার ইমিগ্রেশন যেটা হয়েছে বাংলাদেশে যদি আসেন ইমিগ্রেশনের পৃষ্ঠার সিল অথবা ভিসার পৃষ্ঠার যে সিলটা রয়েছে সেই সিলটার ছবি লাগবে এর বাহিরে গিয়ে 
আপনি যে বিদেশ থেকে ফোন কিনেছেন যেই শপ থেকে ফোন কিনেছেন বিদেশ থেকে ওই ফোনের আপনার একটা রশিদ থাকতে হবে। তে এই তিনটা ডকুমেন্টস থাকা সাপেক্ষে (neir. btrc. gov. bd) এই পোর্টালে গিয়ে স্পেশাল সিটিজেন চার্জার বা স্পেশাল রেজিস্ট্রেশন নামে
একটা অপশন দেখতে পারবেন। ওইখানে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন দিয়ে আপনার নতুন যে ফোনটা বিদেশ থেকে এনেছেন বা কাউকে গিফট করেছেন ওই ফোনের আইএম নাম্বার দিয়ে সম্পূর্ণ ইনফরমেশন সাবমিট করার সাপেক্ষে নতুন ফোনটা আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। সো এইটাই ছিল একটা প্রক্রিয়া চলমান। আর কোন ফোন চুরি হয়ে গেলে বা হারিয়ে গেলে সেই ফোনটা কিন্তু আবার বন্ধ করে দেওয়া যাবে (neir. btrc. gov. bd) এই পোর্টালে গিয়ে আই মিন বুঝতে পারতেছেন মোটা দাগে সরকার 16ই ডিসেম্বর থেকে দেশে আনঅফিশিয়াল অবৈধ ফোনগুলো আর ইউজ করতে দিবে না। আপনি যদি ফোন ইউজ করেন এই
প্রক্রিয়ায় ফোন আপনাকে ইউজ করতে হবে স্মার্টফোন। 

তবে একজন ব্যক্তি তার একাধিক সিম থাকলে কয়টা স্মার্টফোন ইউজ করতে পারবে এ বিষয়ে এখনো ব্যক্তিগতভাবে কোন ধরনের তথ্য সরকারের পক্ষ থেকে আসে নাই। দেশের বিভিন্ন নিউজপেপার কিন্তু এই বিষয়টা ইতিমধ্যে প্রকাশ করে দিয়েছে। যারা ফোন কিনবেন তারা বিষয়টা অবশ্যই ভেবে চিনতে তারপরে ক্রয় করবেন আপনাদের সুবিধার্থে। 


যে ফোনগুলো অটোমেটিকলি রেজিস্ট্রেশন হবে না 30 দিনের জন্য আপনার ফোনে নেটওয়ার্ক সচল থাকবে। আর এই 30 দিনের মধ্যেই বিটিআরসি কর্তৃক আপনার ফোনে একটি মেসেজ দিয়ে জানানো হবে অনলাইনে প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র দেওয়ার সাপেক্ষে ফোনটি রেজিস্ট্রেশন করে নিন। সেক্ষেত্রে  (neir. btrc. gov. bd) গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করতে হবে। 


আর আপনার ফোনটা সাধারণত রেজিস্ট্রেশন হবে এইভাবে। আপনি যখন আপনার এনআইডি দিয়ে নিবন্ধন করা সিমটা ফোনে তুলবেন তোলার পর আপনার ফোনের কিন্তু নির্দিষ্ট একটা আইএমইআই নাম্বার রয়েছে 16 ডিজিটের। বাংলাদেশে যত মানুষের ফোন রয়েছে প্রত্যেকটা ফোনেরই কিন্তু আইএমইআই নাম্বারটা ভিন্ন। এই আইএমইআই নাম্বারের বিপরীতে আপনার যেই সিম কার্ডটা এনআইডির বিপরীতে রেজিস্ট্রেশন করা অটোমেটিকলি ওই
জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে আপনার ফোনটা রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। 


আশা করব আপনারা এই ব্লগ পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন যাতে করে আরো অধিক সংখ্যক মানুষ এই বিষয়টা সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে। তাই যারা নতুন ফোন কিনবেন বা যাদের হাতে আনঅফিশিয়াল ফোন কিনার চিন্তাভাবনা রয়েছে একটু ভেবে চিন্তা ক্রয় করবেন এবং সরকারি এই সিদ্ধান্ত কিন্তু কার্যকর হয়েই যাচ্ছে কারণ এটা কোন রাজনৈতিক সরকার না এই বিষয়গুলো কিন্তু অবশ্যই আপনাকে নজরে নিতে হবে তার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত আপনার আপনি কি করবেন।

শেষকথা :


আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣


আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই "Unofficial Phone Registration BTRC NEIR 2025" শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পরে

 জেনে উপকৃত হতে পারে।



আরও পোস্ট পড়ুন:





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন