একটা সময় ছিল বাংলাদেশ মার্কেটে Realme প্রচুর প্রচুর ডিভাইস লঞ্চ করত। অফিশিয়াল Realme প্রচুর ডিভাইস লঞ্চ করত। মানে প্রতিমাসে তো একটা থাকতোই। পারলে দুইটাও লঞ্চ করে দিত। রিসেন্টলি একটু তাদের তরফ থেকে কম কম ডিভাইস দেখা যায়। আর যাও দেখা যায় সবই C সিরিজের বলতে পারেন তেমন কোন দামি স্মার্টফোন ওরা বাংলাদেশ মার্কেটে লঞ্চ করছে না। তো তারই ধারাবাহিকতায় Realme তাদের C সিরিজের আরো একটি নতুন ডিভাইস লঞ্চ করে দিল দেশের মার্কেটে। Realমি C75 এক্স, C75 এক্স একটি ভারিয়েন্টে দেশের মার্কেটে লঞ্চ করা হয়। 6|128 জিবি ভেরিয়েন্ট এবং দাম রেখেছে
19,999(24GB|128GB) ও 22,999(24GB |256GB) টাকার এই ডিভাইসটাতে নতুন কি আছে? নতুন একটা জায়গায় শুরুতেই আমরা দেখছি যেটা হালের ট্রেন্ড বলতে পারেন এখন আইপি 69 এর রেটিং। যা এরকম প্রাইস পয়েন্ট একটু কম ছিল। বাট ওই যে রিসেন্টলি দেওয়া শুরু করছে। আপনার ফোনটা কি আপনি পানিতে চুবাতে পারবেন। পানিতে পড়লে সমস্যা নেই। আর চাইলে একটু আডার অর্ডার ফটোগ্রাফি করতে পারেন আর কি। এই এর বাইরে আমরা এই ডিভাইসটাতে তেমন কোন দেখছি বলে আমার মনে হয় না এক দ্বিতীয়ত এটার ডিজাইনটাও অলমোস্ট সিমিলার এই যে সিরিজের এই রিসেন্ট টাইমের বেশ কিছু ডিভাইসের সাথে সরাসরি মিল রাখে রেয়ার প্যানেলে দেখতে
লাগে তিনটা ক্যামেরা আদতে এখানে একটি ক্যামেরাই কাজের আর বাকিগুলা বাকি আরেকটা আছে আরকি যেটা সহকারী সেন্সর সেকেন্ডারি নয়েজ সেন্সর মাইকটা এখানে রয়েছে এটলিস্ট আছে আর 3.5 5 মিলিমিটার হেডফোন যে একটা যদিও এতে নেই। যদিও বা এখনকার দিনে আমরা টাইপ সি যুক্ত ইয়ারফোনগুলো ব্যবহার করি অনেকেই। তারপরেও থাকলে ওটা একটা বাড়তি এডভান্টেজ হিসেবে থাকতো হয়তো। এনিওয়ে বডি ফ্রেমটা প্লাস্টিকে তৈরি। রিয়ার প্যানেলেও প্লাস্টিকে তৈরি। যেখানে হালকা ফ্রস্টেট একটা ব্যাপার স্যাপার আছে। এর ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মাসে দেখা যায় না। বাট এই
ক্যামেরা মডিউলের যে এরিয়াটা এইটা আবার গ্লসি ফিনিশ। দ্যাটস এখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট কিন্তু বেশ ভালোই বসে। আর এটার বাটনের পজিশনটা আমার কাছে ঠিকঠাক লাগছে। বাটনের সাথে কিন্তু ইমপ্লিমেন্ট করা আছে। এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারটা। সাইড মাউন্টেড আর কি। এটা মানে ঠিকঠাক ভাবে একুরেট রেজাল্ট দেয় এবং প্রতিকবারই আনলক করতে পারছে ঠিকভাবেই। মোটামুটি আট 10টা স্মার্টফোন এরকম প্রাইস পয়েন্টের বিল্ড কোয়ালিটির দিক থেকে যেমনটা হয়ে থাকে সেটা সেরকমটাই আমার মনে হয়েছে মানে মোটামুটি ওকে আছে আর কি। ওজন 196 g এর ডিসপ্লে সাইজ 6.67 ইঞ্চ। এটা আইপিএস এলসিডি প্যানেল।
যেখানে আমরা 120 হz হাই রিফ্রেশরেট দেখছি। তবে এটা এইচডি প্লাস রেজলেউশনের। যে বিষয়টা একেবারেই মাননশয়ী না। এইখানে Realমি মানে কোন জিনিস দিচ্ছে এখনো আমি জানিনা। অনেকেই মানে প্র্যাকটিস করছে এমোলেট দেওয়ার। এটলিস্ট ফুল এইচডি প্লাস তো দিবে। সো এইটা আসলে আমি কোনভাবেই মেনে নিলাম না। অন্যদিকে এটার এইচবি ব্রাইটনেস রয়েছে 625 নিটস। হ্যাঁ এই ব্রাইটনেস দিয়েও আউটডোরে চালানো যাচ্ছে। স্ট্রাগল ফ্রিভাবেই চালানো যায়। আরেকটু থাকলে তো বেটার মনে হতো। তারপরও চালাতে পারবেন আর কি এটুকু শিওর করে বলা যায়। আর প্রটেকশন হিসেবে রয়েছে আরমরশিলড গ্লাস। কন্ট্রাস্ট
রেশিও 1500ও। এমনিতে আইপিএস ডিসপ্লে হিসেবেও এই ডিসপ্লেটার কালার রিপোটেশন যথেষ্ট ভালো। মানে একদম কুলারের দিকে দিয়ে বসে আছে বা ওয়ার্মের দিকে নিয়ে এরকম না। মোটামুটি একটা ন্যাচারাল টোন দিচ্ছে এটা। আর টাচ রেসপন্স খারাপ না। মানে ডিসপ্লেটা টাচ রেসপন্স করতে চাচ্ছে। বাট দেখা যায় কি এরকম প্রাইস পয়েন্টের ফোনগুলোর প্রসেসরই ততটা মানে জোস লেভেলের হয় না হয়তো। যে কারণে ওই লেভেলের রেসপন্সটা আপনি ফিল পাবেন না। যেটা আমি এখানে ফেস করছি আর কি। আর এমনিতে মাল্টিমিডিয়া কনজামশন এক্সপেরিয়েন্স ভালো ছিল। যেহেতু এখানে পাসোল কাটআউট রয়েছে। সো যেকন ভিডিওটি
দেখলে একটা ইমারসি ভিউ পাওয়া যাচ্ছে। ঠিকই লোয়ার চিন্তাটা একটু বেশি মোটা না। এই জায়গাটা তো এখন কমানো উচিত। মানে 2025 সাল ম্যান এখন আমরা মাঝামাঝি জায়গায় চলে আসছি। সো বোঝা যাচ্ছিল। হয় কি রেজুলেশনের ঘাটতিটা থাকাতে আপনি যখন একটু কাছে নিয়ে ব্যবহার করবেন তখন শর্টনেস জনিত ঘাটতি আপনি ফিল করবেন। নরমালি দূর থেকে দেখতে গেলে বা ভিডিও ভিডিও দেখারকালীন সময়ে আপনার কাছে আর কি ওই ফিলটা আসবে না যে আপনি শর্টনেসের একটা ঘাটতিতে আছেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ডিসপ্লেতে YouTube থেকে আমরা 4K 60 এফপিএস এইচডিআর ভিডিও প্লে
করছি। এইযে দেখেন চলতেছে। আমি গতকালকেই নাকি যেন আরেকটা ফোনের ভিডিওতে আর কি দেখলাম যে ওটা রেজ ডিসপ্লে। কিন্তু ওটা 1440 পিক্সেল চলে। বাট এইটার ক্ষেত্রে 4 কে 60 এফপিএসই চলছে এখানে। যদিও ভিডিওতে মাঝে মাঝে আমি ল্যাগ পেয়েছি যেটা আপনারা দেখলে বুঝতে পারবেন। বাট মানে চলে আর কি। একটু লোয়ার রেজলেশনে নিলে পরে এটা থেকে আরো স্মুথ রেজাল্ট পাওয়া যায় আর কি। যাই হোক ডিসপ্লে নিয়ে আমার কমপ্লেনট লোয়ার রেজলেশন এবং লোয়ার চিন। লোয়ার চিনটা একটু মোটা। রান করছে Realমি UI 6.0 বেসড অন Android 15। আপডেটের ব্যাপার নিয়ে তেমন
কোন সিউরিটি পাইনি আসলে এই ডিভাইসের ক্ষেত্রে। প্রসেসর হিসেবে রয়েছে মিডিয়াটে 81 আল্ট্রা এবং 6 জিবি র্যাম 128 জিবি স্টোরেজ রয়েছে। এখন এই যে প্রসেসরটা মিডিয়া 81 একেবারে এন্ট্রি লেভেলের একটা চিপ। আপনার কাছে নতুন লাগতে পারে বাট এটা একেবারে নতুন এবং এন্ট্রি লেভেলের একটা চিপ এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোনের জন্যই তৈরি করা। যাই এরকম প্রাইস পয়েন্ট থেকেও কম মনে হয়। এরকম প্রাইস পয়েন্টে না। এখন চাইলে মিরাক খেলেও 100 দেওয়া যায়, g9 দেওয়া যায়। বরং সেরকম কিছু দিয়ে নিয়ে আসলেই এই ফোনটার সাথে পারফেক্ট হতো। এখন এই
প্রসেসরটা ছোট হওয়ার কারণেই রিয়েলমির ইউআই ভালো হওয়া সত্ত্বেও এই ডিভাইসটা থেকে আমি একটু চপে চপি ভাব পেয়েছি। যখন আমি ধরেন কোন কিছু টেক্সট করছি কিবোর্ডে যাচ্ছি তখন আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা আরো বেশি স্মুথ হতে পারতো আরো বেশি ফাস্টার হতে পারতো। এমনকি আমরা যখন একটা অ্যাপ থেকে আরেকটা সুইচ করছিলাম সেক্ষেত্রে বিষয়টা নোটিস করেছি। আবার আপনি অ্যাপ ওপেন ক্লোজ টাইমেও দেখবেন কিছুটা ডিলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ডিভাইসটা থেকে। এই টোটাল বিষয়টা আমার মনে হয় এই প্রসেসরটা একে নতুন। এই প্রসেসরটা একেবারে এন্ট্রি লেভেলের। তার উপরে এই ফোনের যে ইউআই
সবকিছু মিলে ওকে একটু চেপে ধরছে। Realমি র অনেক ফোনেই আমাদের রিভিউ করতে গিয়ে বলতে শুনেছেন হয়তো যে ওদের ইউআই বেশ ভালো মোটামুটি ভালো একটা রেজাল্ট দেয়। এই স্মার্টফোনেও Realme ই থাকা সত্ত্বেও আমরা কিন্তু একেবারে ওই স্মুথ রেজাল্টটা পাচ্ছি না। মূলত এই প্রসেসরের পারফরমেন্সের কারণেই। ধরেন যদি কিনা এই প্রসেসরের উপরে ফুল এইচডি প্লাস রেজুলেশনের ডিসপ্লে দেওয়া হইতো। তাইলে এটার অবস্থা কি হইতো? ওতো চলতেই পারতো না। এখন তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো? বিষয় ওটাই দাঁড়ালো যে ফোন যা অফার করছে সেই তুলনায় দাম বেশি হয়ে গেছে। এখন অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে তাহলে কি
ভাই এই ফোনটা কি আমি ব্যবহার করতে পারবো না? মানে এটা কি একদম ল্যাগ মাইরা বসে থাকবে না ওরকম ল্যাগ ট্যাগ মাইরা বসে থাকবে না ওই যে একটু চপে চপে একটা ফিল্ড পাওয়া যায় মানে এটা যে দামে আসছে সে দামে আরো একটু ফাস্টার হওয়ার কথা ছিল ওই ফিল্ডটা আপনি আর কি পাবেন 6 G জিবি র্যাম আছে যতটুকু ম্যানেজমেন্ট করতে পারছে তাতে ওকে এটা নিয়ে কমপ্লেনট থাকতো না বাট প্রসেসরটা একটু দরকার ছিল এনিওয়ে এই প্রসেসর দিয়ে আপনি সেরকম কোন গেমিং রেজাল্টও আশা করতে পারেন না আসলে আপনার যদি সময় কাটানোর জন্য একটু গেমটিম খেলার ইচ্ছা থাকে লাইক আপনি টুডি টাইপের গেম
খেলবেন দেন ওকে আছে আর হ্যাঁ ফ্রিফায়ার চলে চালায় দেখছিলাম আমরা এতে কিন্তু খুব একটা ভালো রেজাল্ট পাইনি এবং আমি রিকমেন্ডও করছি না আসলে। তবে ভালোর বিষয় কি জানেন? রেগুলার ইউজে এই ডিভাইসটা গরম হয় না। মানে অনেক ফোনে তো দেখা যায় না যে একটু মোটামুটি প্রেসার দিলে হালকা ওয়ার্ম হয়। হেভি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গেলেও গরম হয়। বাট ওর আবার এই জায়গাটা ভালো আছে। ও মোটামুটি প্রেসারে থাকলেও হিট জেনারেট করে না আর কি। আর ব্যাটারি বাড়ানো কম করে এই ডিভাইসটা। ব্যাটারি রয়েছে কিন্তু এই ডিভাইসটাতে 5600 এমএইচ এর। এই জায়গাটা কিন্তু আবার এটার একটা
স্ট্রেন্থের জায়গা হিসেবে থাকবে। বড় ব্যাটারি অনেকেই চান। যেহেতু এইচডি প্লাস রেজলেশনের প্যানেল আছে এখানে। সুতরাং খুব বেশি ব্যাটারিও বার্ন করে না। ফোনটা অনায়াসে দেড় দিনের মত চালানো যায়। হেভি ইউজ আমি দেখছিলাম এইট আওয়ার্স প্লাস এটা এসডি দিতে পারে খুব সহজেই। আবার সেই সাথে আপনি বড় একটা চার্জারও পেয়ে যাচ্ছেন 45 ওয়াট এর। 93 মিনিটের মত লাগে ফুল চার্জ করতে আর কি আমাদের লেগেছে। তো এই যে চার্জারটাও কিন্তু এরকম প্রাইস পয়েন্টের একটা ফোন হিসেবে একদম ঠিকঠাক জায়গায় আছে। এই কম্বোটা খুব ভালো লাগছে আমার
ব্যাটারি এবং চার্জার। সুতরাং যারা এরকম একটা ডিভাইস কি চান না যে আপনার ফোনটাকে বারবার চার্জ করতে হবে না। ব্যাকাপ বেশি দরকার। আবার চার্জারটা একটু বড় হওয়া যায় তারা কিন্তু এই ব্যাপারটার দিকে একটু নজর রাখতেই পারেন। ক্যামেরাতে রিয়ারে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেলের মেইন শুটার। আর ফ্রন্টে রয়েছে 5 মেগাপিক্সেলের শুটার। কমপ্লেন এখানেও থাকবে। সামনে 5 মেগাপিক্সেলটা আসলে তো যায় না। সামনে এটলিস্ট এ মেগাপিক্সেল থাকা উচিত ছিল। রিয়ারের যে মেইন শুটার সেখানে আমরা realমি টোনটা দেখছি। একটু ওয়ার্মের দিকে নিয়ে টোন দেয়। আর কি ছবিগুলোতে
ডায়নামিক স্যান্ডেল এই প্রাইস পয়েন্টের ফোনগুলোতে যেমনটা হয় আর কি এই ফোনটা তার চাইতে খুব একটা বেটার রেজাল্ট দেয়নি। সেই সাথে এক্সপোজার ব্যালেন্স করতে গিয়েও একটু হেভি হাইলাইট আর কি মোটামুটি ভালোই হিমসিম খায়। কিন্তু সে লাইটিং কন্ডিশন যদি একদম ঠিকঠাক থাকে ওর অনুকূলে থাকে তখন আপনি ভালো বের করতে পারবেন। কিন্তু দেখা যায় যে ব্যাকগ্রাউন্ডে মানে সূর্যের আলো পড়ছে একদম বা হেভি হাইলাইট আর্টিফিশিয়াল হতে পারে। সেক্ষেত্রে গিয়ে স্ট্রাগল করে। আর লো লাইটের দিকে ছবিগুলো অনেকটা সফট করে। তবে কালারটা একটু মানে তখন আরেকটু
টুইক করে প্রেজেন্ট করে। একটু কন্ট্রাস্টিই হয়। দেখতে সেগুলো খারাপ লাগে না। স্টাডি হাতে তুলতে পারলে বেশ কিছু আউটপুট ভালোই বের করতে পারবেন বলে আশা করছি। পোর্ট্রেট বোর্ড অবশ্যই পাবেন এবং সেটা ওয়ান এক্স পর্যন্তই রয়েছে। যদিও এখনকার দিনে আমরা দেখতে পাই অনেক স্মার্টফোনেইট এক্স বা মানে কয়েকটা ফোকা লেন্থে তোলার মত সুবিধা করে দেয়। যদিও বা তাদের ফোনে কিন্তু আলাদা কোন ডেডিকেটেড টেলিফোট জুমলেস থাকে না। realমির উচিত ছিল সেরকম কোন একটা অপশন রাখা। সেক্ষেত্রে অনেকেই হয়তো এই সুবিধাটা পেয়ে যেত। আচ্ছা এর যে ওয়ান এক্স এর ছবি সেগুলোর
ক্ষেত্রে আমরা দেখছি এজ ডিরেকশন ভালো। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেসও আমার কাছে আর্টিফিশিয়াল লাগেনি। ছবিগুলো একটু কালারফুল মানে একটু বেশি কালারফুল মনে একটু কুইক করে কালারটা প্রেজেন্ট করে এখানে আরো বেশি। আর স্ক্রিনটাকে একটু ব্রাইট করে দেওয়ার প্রবণতা আছে। যদিও সেই ব্যাপারটা খারাপ লাগে না। হয়তোবা আপনাদের কাছে ভালো লাগার। কথা এটা। অন্যদিকে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরায় রেজুলেশন অনেকটা কম মনে হয়েছে এবং এটার ছবি আমার কাছে আউটডোরে ইনডোরে বোথ সফট মনে হয়েছে। এখানে আসলে আরেকটু হাই মেগাপিক্সেলের কোন সেন্সর দেওয়া দরকার ছিল বলে আমি মনে করি। এটা
ভিডিও কলিং এর জন্যই বরং আমি বলব ওকে আছে। বাট ছবির জন্য এটা আরেকটু বেটার দরকার ছিল। ভিডিও রেকর্ড করা যায় সর্বোচ্চ 1000 এপি 30 এপিএস এ। ভিডিওতে যেটা নিয়ে আমি পাইনি। বাট স্টেবিলিটির অভাব বোধ করতে দেখছি এটাকে। আর এমনিতে কালার টালার মোটামুটি ভালো আছে। স্টেবল হাতে তুলতে পারলে ভিডিও হয়তো আপনি কাজে লাগাতে পারবেন। সার্কেল টু সার্চ অপশন কিন্তু এই ফোনে রয়েছে। আপনি চাইলে সেটা ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে এই ফোনটা পাওয়া যায় দুই দুইটা কালার ভেরিয়েন্টে। কোরাল পিঙ্ক এবং ওসানক ব্লু। এটা মনে হয় কোরাল পিঙ্ক। realমি c75x বেশ কিছু জায়গায়
নতুন করার ট্রাই করছি। ইউনিকনেস আছে। আবার ঠিক একইভাবে কমতিরও জায়গা আছে অনেকটাই। এখন এই ডিভাইসটা কারা কিনতে পারেন? কারা আসলে এর থেকে দূরে থাকতে পারেন। ওই ব্যাপারটা একটু ধরায় দেই। যারা কিনতে পারেন কোন কারণে কিনতে পারেন ইউনিকনেস আইপি69 এর রেটিং আছে যদি আপনি এই ধরনের ইউজার হয়ে থাকেন যার পানি জেনারিতে উড়াধুড়া ভিজানোর মানে পসিবিলিটি আছে এরকম ফোন দরকার তখন গিয়ে আপনি এটা দেখতে পারেন কারণ এরকম প্রাইস পয়েন্টে বোধহয় আইপি69 যুক্ত ডিভাইস এই মুহূর্তে এভেলেবল ব্র্যান্ডেরও নেই আচ্ছা এরপরে এই ফোনটাতে মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড এ সার্টিফিকেশন
আছে দেখলাম মানে এটা আমি অনলাইন থেকে পেয়েছি তো সেক্ষেত্রে বেশ শক্তভুক্ত ডিভাইস বলা যেতে পারে আপনি যদি রাফ এন্ড টাফ ইউজার হয়ে থাকেন একটা ফোনের উপরে অত্যাচার যেতে পারে আপনার খুব টা যত শিলাপি না তখন গিয়ে আপনি এই ব্যাপারটার দিকে নজর রাখতে পারেন। অন্যদিকে ফোনটার ডিজাইন সাবজেক্টিভ ব্যাপার ভালো লাগতেও পারে আপনাদের কাছে। আরেকটা বিষয় ভালো লাগবে এটার ব্যাটারি এবং চার্জার। এই জায়গাটা আবার ভালো আছে। এবারে কমপ্লিট জায়গা কোথায়? এই ফোনটার ডিসপ্লেটা ফুল এইচডি প্লাস রেজলেশন অবশ্যই হওয়া উচিত ছিল। এই ফোনটার পারফরমেন্স সেকশনটা আরো
উপরের দিকে থাকা উচিত ছিল। এই ফোনটার ক্যামেরায় ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা এটলিস্ট 8 মেগাপিক্সেল হওয়া উচিত ছিল। অথবা এই ফোনের দাম আরো কিছুটা কম হওয়া উচিত ছিল। ব্যাপারটা বোঝা গেল। আমার কাছে কি মনে হয় জানেন? আইপি69 মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড এগুলোর চাইতেও বরং অন্যান্য যে বিষয়গুলো আমি বললাম যেগুলোতে কমতি আছে সেই জায়গায় গুরুত্ব দিলেই ম্যাক্সিমাম মানুষের আসলে কাজে লাগে। আমি জানিনা realমি পরবর্তীতে বা অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো এই বিষয়গুলো মাথায় রাখবে কিনা। এই হালের ট্রেন্ডের দিকে আমার মনে হয় না যে আর দৌড়াদৌড়ির দরকার আছে। এই
সমস্ত পানিতে রানিতে নিয়ে ছবি টবি তোলার ব্যাপার স্যাপার এগুলো আসলে মানুষের থাকলে ভালো কিন্তু লাগেই লাগে এমন না বলেই আমার মনে হয় আর কি। বাকিটা আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন। কেমন লেগেছে এরম ডিভাইস কমেন্ট করে জানাতে পারেন। সবাই ভালো থাকবেন।
আছে দেখলাম মানে এটা আমি অনলাইন থেকে পেয়েছি তো সেক্ষেত্রে বেশ শক্তভুক্ত ডিভাইস বলা যেতে পারে আপনি যদি রাফ এন্ড টাফ ইউজার হয়ে থাকেন একটা ফোনের উপরে অত্যাচার যেতে পারে আপনার খুব টা যত শিলাপি না তখন গিয়ে আপনি এই ব্যাপারটার দিকে নজর রাখতে পারেন। অন্যদিকে ফোনটার ডিজাইন সাবজেক্টিভ ব্যাপার ভালো লাগতেও পারে আপনাদের কাছে। আরেকটা বিষয় ভালো লাগবে এটার ব্যাটারি এবং চার্জার। এই জায়গাটা আবার ভালো আছে। এবারে কমপ্লিট জায়গা কোথায়? এই ফোনটার ডিসপ্লেটা ফুল এইচডি প্লাস রেজলেশন অবশ্যই হওয়া উচিত ছিল। এই ফোনটার পারফরমেন্স সেকশনটা আরো
উপরের দিকে থাকা উচিত ছিল। এই ফোনটার ক্যামেরায় ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা এটলিস্ট 8 মেগাপিক্সেল হওয়া উচিত ছিল। অথবা এই ফোনের দাম আরো কিছুটা কম হওয়া উচিত ছিল। ব্যাপারটা বোঝা গেল। আমার কাছে কি মনে হয় জানেন? আইপি69 মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড এগুলোর চাইতেও বরং অন্যান্য যে বিষয়গুলো আমি বললাম যেগুলোতে কমতি আছে সেই জায়গায় গুরুত্ব দিলেই ম্যাক্সিমাম মানুষের আসলে কাজে লাগে। আমি জানিনা realমি পরবর্তীতে বা অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো এই বিষয়গুলো মাথায় রাখবে কিনা। এই হালের ট্রেন্ডের দিকে আমার মনে হয় না যে আর দৌড়াদৌড়ির দরকার আছে। এই
সমস্ত পানিতে টানিতে নিয়ে ছবি টবি তোলার ব্যাপার স্যাপার এগুলো আসলে মানুষের থাকলে ভালো কিন্তু লাগেই লাগে এমন না বলেই আমার মনে হয় আর কি। বাকিটা আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন। কেমন লেগেছে এরম ডিভাইস কমেন্ট করে জানাতে পারেন। সবাই ভালো থাকবেন।
শেষকথা :
আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣
আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "Realme C75X Review || realme এর এই নতুন ফোনে কি আছে নতুন?" সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।
আরও পোস্ট পড়ুন-
খাজা বাবা ও জয়পালের লড়াই। খাজা বাবার জিন্দা কারামত। ইসলামিক কাহিনী। মহাবিশ্ব টিভি নিউজ
অত্যাচারী ফেরাউনের অলৌকিক কাহিনী |আল্লাহর আজাব | ইসলামিক কাহিনী। মহাবিশ্ব টিভি নিউজ
