আমরিকা রাশিয়া চায়না তাদের কি আছে ভাই তারা কি রোবট দিয়ে কিছু করতেছে মানুষ তো আমাদের মত রক্ত মাংসের দেহতারা তারা পারতেছে আমরা পারতেছি না কারণটা কি ওদের চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে মাইন্ডসেটের পরিবর্তন করেছে আমরা এখনো ছোটবেলা থেকে আমাদের শিখানো হয় ভাই ভালো রেজাল্ট করতে হবে ভালো রেজাল্ট করতে হবে ভালো মত পড়তে হবে তোমাকে ভালো চাকরি করতে হবে এইতো ভালো চাকরি করে সর্বোচ্চ আপনি আপনার নিজের পরিবর্তন করতে পারবেন আপনার পরিবারের একটু পরিবর্তন আনতে পারেন এমন ভিশনারি হন একটা সিস্টেম চেঞ্জ করে ফেলবেন আপনি। এরকম
চিন্তা মাথার মধ্যে গাতেন। আর বর্তমান বিশ্বের সবথেকে পাওয়ারফুল জিনিস কোনটা জানেন? সবথেকে পাওয়ারফুল জিনিস হচ্ছে ভয়েস। ছোটবেলা থেকে কথা শিখাবেন। ছেলেমেয়েদেরকে কথা শিখাবেন। আপনারা যারা শিক্ষার্থী আছেন কথা বলা শিখতে হবে। এখন তো সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। ভালো ভালো মেসেজগুলো ছড়িয়ে দেন। এটা আল্লাহকে রাজি খুশির জন্য করেন। আপনার সওয়াবের অংশ হবে ইনশাল্লাহ। আপনার ভয়েসে আপনার কথার বদলতে যদি লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতী পথহারা দিশাহারা তরুণ তরুণী পথ খুঁজে পায় এটা আপনি জানেন কতটা নাজাতের উসিলা আর আপনি শুধু চাকরি করবেন 40 হাজার
টাকা বেতনে চাকরি করে নিজের একটু স্ট্যাটাস বদলাবেন এইটা আমাদের এই লাইফ হওয়া উচিত নয় একটু মাইন্ডসেটের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে এমন কিছু করবেন সিস্টেম বদলা যাবে বাংলাদেশকে ওই অবস্থায় নেয়া যাবে যা করার এখন থেকে এটা করেন এবং পাঠ্যপুস্তক গুলোতে আমার মনে হয় কিছু সংযোজন বিজন করতে হবে শুধু এই মিলনায় ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার এটা হব না বাংলাদেশকে ওই অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে একজন মানুষ ধ্বংস হয় অনিবার্য কারণে সে তার পতন হবেই তার সামাজিক মর্যাদা তার হেও হবেই যদি সে তিনটা কাজ করে কোন তিনটা কাজ করলে একজন মানুষের পতন সুনিশ্চিত সেটা বলার আগে
যেহেতু আমরা এখানে এসেছি সফলতার গল্প শুনতে ইনশআল্লাহ পাঁচটা বিষয় যদি কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সে জীবনে সফল হবে এটা আমার কথা নয় আজকে থেকে 700 বছর আগে 700 বছর আগের মুসলিমরা মনীষী পন্ডিত আপনাদের নাম শুনেছেন ইবনে কাইম আল জাউজিয়া রাহমা্লাহ আপনার নাম শুনে থাকতে পারেন উনি বলেছেন কেউ যদি পাঁচটা বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ইনশাল্লাহ সে জীবনে সফল হবেই সে যা করতে চায় সেটাই পারবে ইনশাল্লাহ কোন পাঁচটা বিষয় নাম্বার ওয়ান সময় খুব মনে রাখবেন সময় দুই নাম্বার ঘুম তিন নাম্বার খাদ্য তিন নাম্বার বাক্য চার নাম্বার বাক্য পাঁচ নাম্বার কৃতজ্ঞতা
উনি বলেছেন নাম্বার ওয়ান সময় যার সময়ের মূল্য নাই তার কাছে তার জীবনেরও কোন মূল্য নাই এবং সময়ের জ্ঞান আপনার কতটুকু আছে উনি বলতেছেন সেটা বুঝা যাবে আপনি কতটা ভোরবেলা কতটা সকালে আপনি ঘুম থেকে উঠতেছেন। যে যত সকালে ঘুম থেকে উঠতেছেন উনি বলতেছেন সে তত আগায় গেল। তার সময়ের সেন্স তত বেশি এবং সে জীবনে ইনশাল্লাহ সফল হবেই। আপনারা তো স্টিভ জবসের নাম শুনেছেন। উনি বলেছে সকালের যে নিরিবিলি ওয়েদার এটাকে উনি বলতেছেন যে ক্রিয়েটিভ উইন্ডো এবং উনি একটা খুব চমৎকার কথা বলেছেন। স্টিভ জবস আজকের সকালটা যদি আপনার জীবনের শেষ সকাল হয় আপনি
কি এভাবে কাটাতেন? যেভাবে কাটা সেভাবে কাটান। আজকের সকালটাকে ধরেন আপনার জীবনের শেষ সকাল। খুব চমৎকার কথা। এ আমরা এখন দেখি সকালবেলা যে স্টুডেন্টরা উঠে পড়ালেখা করে স্পেশাল ভোরবেলা ফজরের আগে যদি উঠেন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করে দুই ফোটা চোখের পানি ফেলবেন আপনি কি হইতে চান আরে বাংলাদেশে কি পরীক্ষা আছে দুনিয়া জয় করবেন ইনশাল্লাহ ফজরের আগে উঠে চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে যা চাবেন তাই কবুল হবে আমার বড় ভাই ডক্টর নাবিল অসাধারণ বলে ব্যাপারে ব্রেনে আলফা তৈরি হয় ওই নিরিবেলি পরিবেশে ফজরের সময় ব্রেনটা ঠান্ডা থাকে শান্ত থাকে আপনি যা পড়বেন
ইনশল্লাহ তাই আপনার লং টার্ম মেমোরি সেন্টার রিজার্ভ হবে আমাদের অনেক স্টুডেন্ট এই সুযোগটা হাতছাড়া করে। আমি যদি আপনাদেরকে বলি যে ভাই ফজরের সময় তুমি আমার এক ঘন্টা কাজ করে দিবা আমি 100 হাজার টাকা দিব। একই কাজ তুমি দিনের অন্য সময় করবা 200 টাকা দিব। পাগল ছাড়া কোন বিবেকবান বুদ্ধিমান কোন ছেলে বা মেয়ে সে কি এই সুযোগটা হাছাড়া করবে? এর থেকেও বেশি রেওয়ার্ড আপনি পাবেন যদি ফজরের আগে আপনি একটু পড়তে পারেন। শুধু স্টুডেন্টদের জন্য না। যে যে সেক্টরের মানুষ হন না কেন আপনার ফজরটাকে কাজে লাগান ইনশাআল্লাহ। জীবন বদলে যাবে। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাম
স্পষ্ট হাদিস আছে আল্লাহ তাালার কাছে উনি দোয়া করতেছেন ফজরের সময় আমার চেয়ে উম্মতরা কাজ করে আল্লাহ তুমি সেই কাজে বরকত দাও দোয়া কি কখনো বিফলে যাওয়ার চান্স আছে আপনি আজকে থেকে ফজরে উঠে পড়া শুরু করেন আপনার জীবন বদ চ্যালেঞ্জ দিয়ে যাচ্ছি আপনি ফজরে পড়েন এরপরে যদি সফল না হন আমাকে এসে বইলেন যে আপনি তো বলেছিলেন কাজ তো হইল না নিশ্চিত কাজ হবে আপনি যে স্টেজে আছেন তার থেকে ইনশল্লাহ অনেক উপরে চলে যাবেন আপনি এবং ভোরবেলার এই ফজরের এই সকালবেলার যে গুরুত্ব এটা নিয়ে চমৎকার একটা বই আছে আপনারা হয়তো নাম শুনেছেন দা মিরাকেল মর্নিং অনেকে হয় নাম শুনে
থাকতে পারেন মিরাকেল মর্নিং রাইটার হল এলরোড তার জীবনের গল্প উনি তার নিজের নিজের জীবনের গল্প এখানে বলেছেন উনি অল্প সময় অনেক ফ্রেম টাকাপসা কামিয়েছিলেন এরপরে একটা সড়ক দুর্ঘটনায় উনার জীবনে একটা দুর্বিষহ অবস্থা চলে আসে কেউ বলে না যে উনি উঠে দাঁড়াতে পারবে সুস্থ হইতে পারবে কেউ বলে না সব জায়গায় দ্বারে দ্বারে ঘুঝে কি করলে পরে আমি আগের মত আমার যে আল্লাহ তালা যে বরকতগুলো দিয়েছিল সেটা আমি আবার ফিরে পাবো। এক জায়গায় গেলেন খুব শুভাকাঙ্ক্ষী। উনি বলতেছেন তুমি ফজরে উঠো। উঠে এই এই কাজগুলো করো। মানে সকালবেলা উঠতে বলেছেন। তো উনি বলেছেন উনার
নিজের জীবনের গল্প থেকে নেওয়া। ছয়টা কাজ করতে বলেছেন সকালে উঠে। এই ছয়টা কাজ যদি কেউ করে সে নিশ্চিত সফল। এবং উনি পরে দেখিয়েছেন ওই স্টেজ থেকে উনার যে হারানো গৌরব উনি ওটা খুঁজে পেয়েছিলেন। ওই ছয়টা কাজ কি? উনি ছয়টা কাজকে সংক্ষেপে বলেছিলেন সেভারস ল। এস এ ভি ই আর এস সেভারস এসতে হচ্ছে সকালে উঠে বলতেছেন এসতে সাইলেন্স নীরব থাকতে হবে একটু ধ্যান করতে হবে তা আমরা যেহেতু আমরা মুসলিম আমরা ধ্যানটা কিভাবে করব রসূল আমদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন ফজরের নামাজের পর আপনি একটু বসে 33 বার সুবহানাল্লাহ 33 বার আলহামদুলিল্লাহ 34 বার আল্লাহু আকবার পড়েন
আপনার জীবনের যত গুনাহ এটা যদি সমুদ্রের ফেনার মত হয় এটা ধুয়ে মুছে যাবে এবং এখন তো আমরা অনেকেই হজ করতে যেতে চাই খুবই ভালো যাদের সামর্থ্য আছে অবশ্যই করব কিন্তু একটা সুযোগ কিন্তু রাসূ বলে গিয়েছেন ফজরের পরে কিছুক্ষণ তুমি বসে থাকো আল্লাহর জিকির করো এবং সূর্য যখন উদয় হয় তারপরে তুমি দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ পড় ইশরাকের নামাজ যদি কেউ পড়ে সে একদম কবুল হজ এবং কবুল ওমরা হজের সব পাবে আমরা এই সুযোগটাকে হাতছাড়া করব না যে যে লেভেল স্টুডেন্ট আছেন হজটাকে কাজে লাগা তার মানে সাইলেন্স খুবই ইম্পর্টেন্ট দুই নাম্বার এফারমেটিভ উনি বলেছে ইতিবাচক
চিন্তা করতে হবে আমি পারব এই চিন্তাটা করতে হবে আমাদের ব্রেনের একটা সেন্টার আছেন ওই সেন্টারে আর এএস রেটিকুলারঅক্টিভেটিং সিস্টেম চালু হয়ে যায় যখন আপনি কোন কিছু নিয়ে পজিটিভ থিংকিং করেন ব্রেন আপনাকে অর্গানাইজ ওভাবে পরিচালিত করে আপনি যখন চিন্তা করবেন যে আমি এটা হব ইনশল্লাহ আপনি সেটাই হতে পারবেন এটাই উনি বলেছে এফারমেটি পজিটিভ চিন্তা করতে হবে কখনো নেগেটিভকে জায়গা দিবেন না নেগেটিভ থিংকিং করবেন আপনি কখনো ভালো কিছু করতে পারবেন না তিন নাম্বার ভিজুয়ালাইজেশন উনি বলছেন আপনি যে স্বপ্ন দেখছেন ধরেন আপনি হতে চান বিজ্ঞানী বা
ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বিসিএস স্ক্যাডার বা আরো বড় কিছু উদ্ভাবক হতে চান আপনি এখন থেকে ওইটার স্বপ্ন দেখেন কল্পনার মধ্যে ওইটা নিয়ে চিন্তা করেন যে আপনি ওই ওই কাজগুলো করতেছেন আপনি কিন্তু এখন কিছু হন নাই কিন্তু আপনার স্মৃতিতে ওইগুলো নিয়ে আপনি স্বপ্ন দেখতেছেন ওই আর এস চালু হয়ে যাবে আপনাকে ইনশল্লাহ ওই জায়গায় নিয়ে যাবে চমৎকার সিস্টেম এস এভিটা হচ্ছে এক্সারসাইজ এক্সারসাইজ করতে হবে এরোবিক এক্সারসাইজ করবেন অর্থাৎ যে এক্সারসাইজ করলে পরে আপনার শরীরে একটু ঘাম ছুটে রক্তটা একটু টকবগে হয় চলন্ত রক্তে কখনো রোগ জীবাণু বাধা পাতে পারে না।
অনেকে আছে শুয়ে বসে দিনকা। এটা করবেন না। ছেলে মেয়ে যে আছেন সকালবেলা উঠে আধা ঘন্টা একটু এক্সারসাইজ করবেন। একটু ঘাম ছুটাবেন। দেখবেন যে আপনার ব্রেনটা চাঙ্গা হবে। আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন। আর আর রিডিং পড়তে হবে। সকালবেলা উঠে এগুলা করলাম কিন্তু পড়লাম না। তা হলো না। পড়তে হবে। এবং পড়ার সিস্টেম আমরা জানি যে 80 ভাগ নতুন পড়া পড়ব। 20 ভাগ পুরনো পড়া পড়ব। 80 ভাগ নতুন 20 ভাগ পুরনো। মানে রিভিশন আপনাকে দিতে হবে। না হলে ওই পড়াটা লং টার্ম মেমোরি সেন্টারে রিজার্ভ হবে না। সর্বশেষ এস হচ্ছে সকাইং। সকাইং হচ্ছে লেখা। উনি বলেছে
কেউ যদি পড়ার পাশাপাশি লিখে ওর ওই পড়াটা দীর্ঘ দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি সেন্টারে রিজার্ভ হওয়ার প্রবণতা অনেক গুণ বেশি। এবং বিজ্ঞানী এটা প্রমাণ করছে পড়ার সাথে সাথে লিখবেন আপনার জীবন বলতে যাবে ইনশল্লাহ। এষেত্রে আমি একটা সত্যি ঘটনা বলি। ক্লাস নাইন পর্যন্ত আমি ব্যাকচার ছিলাম। নাবিল ভাই বলতেছে যে ভাই তুই একটা কাজ কর তুই যে প্রশ্নটা পড়তেছি সেটা শুধু লেখ আর কিছু করতে হবে না তোকে ক্লাস নাইনে আমি গ্রামের স্কুলের ব্যাকচার সেই জায়গা থেকে আলহামদুলিল্লাহ শুধু একটা জিনিস আমি ফলো করছি যে প্রশ্নটা ইম্পর্টেন্ট প্রশ্নটা
আছে সেটা পড়ার পাশাপাশি লিখেছি আর কোন কিছু করি নাই আলহামদুলিল্লাহ এরপর আপনি সবাই জানেন ওই সময় গোল্ডেন এ প্লাস মেডিকেল চান্স বিসিএস একবারে হওয়া এগুলো আমি দুনিয়া সাফল্য মনে করি নাই এবং আমার আত্মপ্রচারণা করছি না শুধু একটা মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করছি আমার মত ব্যাক সার যদি একটা জিনিস ফলো করে হয় আপনারা আমার থেকে হাজার করে ভালো ইনশাআল্লাহ আপনার ফজরকে কাজে লাগান এই ছয়টা কাজ করেন দেখবেন ইনশ্লাহ জীবন বন্ধ যাবে তো আমরা কিন্তু আছি ইবনে কাইম আল জালজিয়া রাহমা্লাহ উনি যে পাঁচটা কথা বলেছিল তার মধ্যে নাম্বার ওয়ান কথা বলছি আমি সময় তার সময়টা কাজে
লাগাবেন যদি আপনি সকালে উঠেন নাম্বার টু উনি বলেছেন ঘুমটা আপনাকে ঠিকমত ঘুমাইতে হবে ঘুম নিয়ে আমরা অনেক কথা বলেছি এশা সালাতের পর যে যত দ্রুত ঘুমিয়ে যাবে তার জীবন ইনশল্লাহ সে তত উন্নতির দিকে চলে যাচ্ছে কারণ এই সময় ব্রেইনের প্রিফন্টাল কর্টেক্স এবং হিপো ক্যাম্পাস এই দুইটা জিনিস তত কার্যকরী ভূমিকা পালন করব যদি আপনি আগে আগে ঘুমান। রসূল আমদেরকে সেটাই বলেছেন যে এশার নামাজের পর দ্রুত তোমরা ঘুমিয়ে যাও। যে যত টাইম স্পেন্ড করবেন আপনাদের কোয়ালিটি স্লিপ হবে না। কোয়ালিটি স্লিপ না হলে কি হবে? অনেকে দেখেন না যে একটা সহজ জিনিস ডিসিশন নিতে পারে না। কি
সিদ্ধান্ত নিবে? সিদ্ধান্ত নিলে ভোগে। এটা হবে না। আপনি সঠিক ডিসিশনটা নিতে পারবেন। কোন সমস্যায় পড়লে সমাধান কি হবে? অনেকে বের করতে পারে না প্রবলেম সলভিং ক্যাপাসিটি এইটা আপনার তৈরি হবে যদি আপনি আগে আগে ঘুমান এবং আগে যদি না ঘুমান যারা রাত জাগে তাদের হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয় ছেলেদের টেস্টোস্ট হরমোন কমে যায় মেয়েদের স্টোজের প্রতিষ্ঠান কমে যায় চুল পড়ে যায় চেহারার উজ্জ্বলতা কমে যায় পরের দিনটা খারাপ যায় দেখে মাথা ভার হয়ে থাকে মেজাজ কিটকিটে অফিসে গেছে স্কুলে গেছে মাথায় কোন কাজ করতেছে না কারণ রাত একটা দুইটা পর্যন্ত জেগে আছেন এই কাজটা
করবেন না রাতে আগে ঘুমান প্রিফাউন্ডটা কর্টেস এবং হিপোকাস একটিভ হয়ে যাবে আপনার স্মৃতিশক্তিও প্রখর হবে এবং আপনি অনেকগুলো উপকার পাবেন এখান এবং অযাচিত যে জিনিসগুলো আপনি শিখেছেন মানে অপ্রয়োজনে যত তথ্য আপনার ব্রেনের মধ্যে ঢুকেছে আপনি যদি আগে আগে ঘুমান এগুলো ধুয়ে মুছে যায় এবং যখন আপনি দেরি করবেন অজাচিত তথ্যগুলো থেকে যাবে ভালো ভালো তথ্যগুলো মুছে যাবে এটা কাজে লাগবে ঘুমটা খুবই ইম্পর্টেন্ট তিন নাম্বার খাদ্য উনি বলেছেন খাবারটা ঠিক মত খেতে হবে রাসূ বলেছেন সেটাই করব এক ভাগের তিন ভাগ তিন ভাগের এক ভাগ আমরা খাব এক ভাগ
পানি খাব এক ভাগ ফাঁকা রাখবো এবং যে এক ভাগ খাব ওই এক ভাগের মধ্যে আবার তিন ভাগ করবেন সে তিন ভাগের এক ভাগ আপনাকে জীবন্ত খাবার খেতে হবে। এর মধ্যে আমি একটা খাবারের কথা বলি। খেজুর মরুভূমির তপ্ত রোদে বিরূপ পরিবেশে এই যে খেজুর গাছ দাঁড়িয়ে থাকে। সূর্যের প্রখর তাপ এবং পানি নাই। এজন্য সে তার শিকরগুলো গভীরে পৌঁছে দেয়। ওইখান থেকে খনিজ যে শক্তি সেটা নেয়। এবং সূর্যের যে রাসায়নিক শক্তি সেটা সে নিজে শোষণ করে খেজুরের মধ্যে জমা রাখে। এই খেজুর যখন আপনি খাবেন সরাসরি রাসায়নিক শক্তি এবং খনিজ শক্তি আপনার রক্তের সাথে মিশে যাবে।
এটা একটা জীবন্ত উদাহরণ। যারা স্টুডেন্ট আছেন আপনি খেজুর খাবেন। প্রতিদিন দুই তিনটা করে খেজুর খাবেন। এখানে গ্লুকোজ ফ্রুকস শুক্রাজ আছে। ইনস্ট্যান্ট আপনার ব্রেনকে এনার্জি দিবে। এর মধ্যে যে এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে আপনার শরীরের মধ্যে যে কোন রকম রোগ জীবাণু সহজে বাসা বাধতে পারবে না। আপনারা জানেন যে খেজুর খাওয়া একটা সুন্নত। বলেছেন যে ঘরে খেজুর নাই আমি ধরে নিব ওই ঘরে ক্ষুধ রয়েছে। তারানে খেজুর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে যেনো এসিড এটা আপনার শরীরকে ডেভলপ করবে এবং ডাইজেশন ক্লিয়ার করবে। এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম
আপনার হার্টটাকে ভালো রাখবে এবং অনেকে বলে যে স্যার আমার শরীর হয় না একটু স্বাস্থ্য যদি ভালো হইতো কি করতে পারি প্রতিদিন তিন চারটা করে খেজুর খান একটা শসা দিয়ে দেখবেন যে ইনশল্লাহ আপনার শরীরটা অর্গানাইজ হয়েতে ডেভলপ হবে খেজুর খাবেন আরেকটা খাবার হচ্ছে আখরোট আখরোটের আকারটা দেখেন না দেখতে ব্রেইনের মত তো প্রাচীন গ্রিক এবং চায়নাতে ওরা বিশ্বাস করত যে বীজ বা যে ফলের আকৃতি আমাদের শরীরের যে অর্গান অঙ্গের মত সেটা সেটা ওই অঙ্গে বেশি কাজ করে এটাকে বলা হয় ডকটিনস অফ সিগনেচার ডকটিনস অফ সিগনেচার আখটের আকৃতি দেখবেন ব্রেনের মত ব্রেনে কাজ
করে এখন দেখতেছে আখের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড আলফা লিনক এসিড এটা আমাদের যে কোটি কোটি ট্রিলন ট্রিল নার্ভ আছে নার্ভের যে আবরণ মায়নশী এটাকে প্রটেকশন দেয় অক্সিলিটি স্টেজ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে রক্তনালীগুলোকে পরিশুদ্ধ করে রক্তনালীর মধ্যে যে আবরণ এটাকে প্রটেকশন দেয় ব্রেনের মধ্যে গ্লুকোজ অক্সিজেন এগুলো সাপ্লাই দেয় আপনি চিন্তা করেন টমেটো টমেটো কাটলে দেখবেন চারটা ভগষ্ট হৃদপিন্ড চারটা হৃদপিন্ডে কাজ করে আপনি আঙ্গুর দেখবেন এটা যদি যারা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে রক্তনালী দেখতে পেরেছেন এটা একদম ঠিক আঙ্গুরের শেপ বিজ্ঞানীরা
দেখতেছে আঙ্গুর খেলে রক্তনালী পরিশুদ্ধ হয় রক্তনালী রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়তো এই খাবারগুলো খাবেন এবং সবসময় পবিত্র কোরআনে যে খাবারগুলোর কথা বলা আছে এই খাবারগুলো বেশি বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন যেমন হতে পারে কলা এইযে খেজুর এই যে আঙ্গুর এই যে বেদানা এই খাবারগুলোর কথা বলা আছে এগুলো খাবেন শসা এই খাবারগুলোর কথা পবিত্র কোরআনে আছে তো খাবারের দিকটা গেল এরপরে উনি বলেছেন জবানকে ঠিক রাখতে হবে। মুখ দিয়ে খারাপ কথা বলা যাবে না। গীবত করা যাবে না। অন্যের হিংসা করবেন না। ছাত্রছাত্রী ভাই বোনদেরকে বলছি আপনার পাশের একটা ছেলে বা মেয়ে ভালো করছে। আপনি
খুশি হয়ে যান। তার জন্য দোয়া করেন। আল্টিমেটলি আপনার আল্লাহ বাড়িয়ে দিবে। কারো হিংসা করে কেউ কখনো বড় হইতে পারে না। আর কটু কথা বলবেন না। আপনার একটা খারাপ কথা আপনার পরিবার আপনার বংশে একটা আঘাত আনবে। বলবে যে খারাপ পরিবার থেকে এসেছে। কি দরকার? একটু রাগ যখন হবে সঞ্চয়ের পরিচয় দেন। এটা একটা ঈমানের অংশ। সর্বশেষ কথা উনি বলেছেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। পবিত্র কোরআনের সূরা ইব্রাহিমের 14 নাম্বার সূরা সাত নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তালা বলছেন যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হ আমি তো বাড়িয়ে দিব কৃতজ্ঞতা বয়স করলে আপনার বাড়বে ভাই সত্যি বলছি
আপনার বাড়বে আপনি বেশি বেশি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন অনেক মানুষ দেখেন পঙ্গু হয়ে পড়ে আছে প্যারালাইসিস হয়ে পড়ে আছে চলতে পারতেছেন আল্লাহতালা আপনাকে কত সুস্থ রেখেছেন আল্লাহ নেয়ামতকে শুকরিয়া কেমন করেন আল্লাহতালা বহু বাড়িয়ে দেবে এখন তো আমাদের শুধু নাই নাই নাই আল্লাহ যা দিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন জ্ঞান অর্জন করেন আল্লাহ বাড়িয়ে দিবে ইনশ্লাহ পাচটা কথা যদি কেউ মানে সে ইনশল্লাহ জীবনে সফল হবে সর্বশেষ যে তিনটা কথা বলেছি এই তিনটা কাজ যদি কেউ করে সে নিশ্চিত তার পতন ধ্বংস হয়ে যাবে। নাম্বার ওয়ান মা বাবার সাথে বেয়াদবি করা। মা বাবার বদ
নেওয়া। অনেকে দেখেন যে মা বাবার সেই স্মৃতি ভুলে গিয়েছে। ছোটবেলা থেকে কিভাবে মানুষ করেছে ভুলে যায়। এই কাজটা করবেন না রাসূের সময় ইয়েমেনের এক যুবক নাম তার ওস আর কুরনি উনার খুব ইচ্ছা একবার দেখবেন সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু বাসায় বৃদ্ধ মা অন্ধ মা অসুস্থ মা বলতেছে বাবা তুমি যদি চলে যাও আমার কি হবে উনি কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে দেখা করতে যাননি ঘোষণা দিলেন সাহাবীদেরকে বললেন ইয়েমের এক যুবক আছে নাম তার সে যে দোয়া করবে সে দোয়া কবুল হবে চিন্তা করেন মা বাবার খেদমত করে কেউ কখনো ছোট হবে না। আল্লাহ তালা তাকে বহু গুণে বাড়িয়ে দিবে।
এক্ষেত্রে অনেকে আবার মা বাবার খেদমত করতে গিয়ে স্পেশালি মায়ের খেদমত করতে গিয়ে অনেকে আবার নিজের স্ত্রীর সাথে স্ত্রীর হক আদায় করে না। এটা যেন না হয়। ইনজাস্টিস করবেন না। আপনি আপনার মায়ের হক আদায় করবেন। আপনার স্ত্রীর হক আদায় করবেন। আপনার স্ত্রী হচ্ছে আপনার সন্তানের মা। সে তার বাবা মাকে ফেলে এসছে আপনার কাছে। তার হকটা আপনি আদায় করবেন। ব্যেন্স করতে হবে। ইমব্যালেন্স করা যাবে না। একদিকে দেখে আরেকদিকে দেখতেছেন না। এটা হবে না। দুইদিকে দেখতে হবে। নাম্বার টু অহংকার। অহংকার করলে পতন সুনিশ্চিত। পবিত্র কোরআনে
দেখবেন সূরা নাজিয়া 79 নাম্বার সূরা 18 19 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তালা মুসা আলাই সালামকে বলতেছে তুমি আমার রসূল হয়ে ফেরাউনের দরবারে যাও। গিয়ে তাকে বল যে তুমি কি অহংকার ত্যাগ করে পবিত্র হতে চাও? যদি চাও তবে আমি তোমাকে প্রতিপালকের পথ দেখাবো যাতে তুমি আল্লাহ সচেতন হতে পারো। ফেরাউন বলতেছে তুমি কি আমাদের প্রভু হয়েছো? তোমার কি প্রমাণ আছে? মুসা আলাইহি সালামকে আল্লাহ তাালার ইশারায় উনি ওনার লাঠি ছুড়ে দিলেন প্রকান্ড সাপ অজগর সাপ হয়ে গেল এবং এখান থেকে হাত যখন বের করল নূরের আলো মানে চাঁদের আলোর মত আলো বিচ্ছরণ হতে লাগল এটা
দেখে একটু ভয় পেয়েছিল ফেরাউন সে বলতেছে এটা তো জাদু আমি বিখ্যাত জাদুকরকে ডাকবো তোমাকে ভুল প্রমাণ করব চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল এই যে সম্মেলন এর থেকেও মহাসমেলন হাজার হাজার মানুষকে সময়ত করা হলো এবং মিশরের সবথেকে মানে নাম্বার ওয়ান মানে এখন দেখেন খেলা মেসি রোনাল এগুলাকে হায়ার করে নিয়ে আসছে যে মুসাকে পরাজিত করতে হবে তো জাদুকর মুসাকে বলতেছেন তুমি ফেলবা না আমি ফেলব ঠিক আছে আপনারাই ফেলেন উনারা ওনাদের দরিয়া লাঠি এমনভাবে ছুড়া শুরু করছে প্রকান্ড সাপ জন্তু এমন রূপ ধারণ করল যারা এই সম্মেলনে এসেছিল সবাই ভয়ে চিৎকার চেচামেচি শুরু করে
দিল আল্লাহতালা মুসা আলাই সালামকে বলতেছেন মুসা ভয় পেও না তুমি বিজয়ী হবে এরপরে মুসা আলাই সালামের পালা উনি উনার লাঠি ছুড়ে দিলেন এমন অজর প্রকান্ড সাপ হল ওদের যে মায়া ওরা সৃষ্টি করেছিল সবগুলো গিলে খেয়ে ফেলছে। ওরা বলতেছেন আমরা জাদুকর। আমরা জানি কোনটা জাদু কোনটা সত্য। এটা জাদু নয়। এটা সত্য। আমরা আজকে থেকে মুসা এবং হারুনের রবের আমরা তার একাত্মতা তার সাথে তাকে রব হিসেবে মেনে নিলাম। তার প্রতি ঈমান আনলাম। এই দৃশ্য দেখে ফেরাউনের অবস্থায় চিন্তা করেন। সে ক্ষুব্ধ হয়ে রেগে গিয়ে বলল তোমাদেরকে আমি এনেছি। তোমরা আমার
অনুমতি ব্যতীত তার রবকে তোমরা স্বীকার করেছ। আমি এখন তোমাদের হাত পা কেটে খেজুর গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখবো। জাদুকররা বলল তোমার যা খুশি তোমরা করতে পারো। কিন্তু যে সত্য আমরা দেখেছি সত্য থেকে আমরা বিমুখ হব না। আলমেটলি এরপরে ফেরাউন আরো চড়া হয়েছিল। মুসা সলামের গোত্রকে ধ্বংস করতে এসেছিল। আপনারা জানেন সে পতন হয়েছে নীলনদে ডুবে। নমরুদ আল্লাহর সাথে ঘোষণা যুদ্ধ ঘোষণা করছে। ইব্রাহিম নমরুদ বলতেছে তোমার রব কি করে? আমার রব জীবন দেয় মৃত্যু ঘটায়। বলতেছে দুইজন কয়দিকে নিয়ে আস। বন্ধুকে নিয়ে আসো। একজনকে মৃত্যু দেওয়া হলো আরেকজনকে ছেড়ে
দিল। বলছে আমি মৃত্যু দেই আমি জীবন ঘটাই। নমরুদ বলতেছে ইব্রাহিম আলাইহি সালামকে। ইব্রাহিম আলাইহি সালাম বলতেছেন আমার রব সূর্যকে পূর্ব দিকে উদিত করে। আপনি পশ্চিম দিকে উদিত করে দেখান। রমরুদ পারতেছে না। রেগে গিয়ে বলতেছে ঠিক আছে যুদ্ধ হবে তোমার রবের সাথে। আল্টিমেটলি জানেন ন্যাংড়া মশা দিয়ে তাকে মেরে ফেলছে। প্রথম উদ্ধত প্রকাশ করেছিলেন ইবলিশ শয়তান। আল্লাহতালা উনাকে অনেক ভালোবেসেছিলেন। ইবলিশ শয়তানকে কম ভালোবাসছিল আল্লাহতালা। আগুনের তৈরি। তার সামনে আদম আলাইহি সালামকে কাটামাতি দিয়ে তৈরি করেছিল। এরপর আল্লাহ তালা যখন
ইবলিশনকে বলল যে তুমি আদমের সেজদা করো। তার ইগো এই যে হিংসা তার অহংকার জাগ্রত হলো। সে বলল আমি আগুনের তৈরি। আর কাদা মাটি দিয়ে তৈরি করলেন আদমকে। আমি তাকে সেজদা করব এটা হয় না। এইযে আল্লাহর সাথে অদত্যপূর্ণ আচরণ। তার পরিণীতি আপনারা দেখেছেন এজন্য অহংকার করবেন না। পতন সুনিশ্চিত হয়ে যাবে। সর্বশেষ কথা গোপন গুনাহ এবং অশ্লীলতা যারা নিমজ্জিত। ধ্বংস আপনাদের অনিবার্য। এখন আমি একটা কথা বারবার বলি এমন কোন স্টেজের স্টুডেন্ট নাই আমার আমাকে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে না যে গোপন লিপ্ত না বুঝে করে ফেলেছে আজকে জীবন হেল হয়ে গিয়েছে তার স্মৃতিশক্তি
কাজ করে না তার চেহারার উজ্জ্বলতা নাই চুল পড়ে যাচ্ছে বিয়ের পরে সংসারগুলো টিকতেছে না প্রবাসী ভাই বলতেছে স্যার এমন ভুল করছি এইযে অশ্লীলতা ছড়া এইযে মোবাইল ফোনগুলা এগুলোকে দেওয়া হয়েছে যুবক সমাজকে ধ্বংস করার জন্য আর এখন যুবক সমাজ এই ফাদে পা দিয়েছে এটা শয়তানের এই কাজ করবেন না গোপন ইবাদত করেন আল্লাহর কাছে এটা থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করেন না হলে কোন মুক্তির রাস্তা নাই বিশ্বাস করেন যত কাজই করেন কোন কাজে বরকত পাবেন না যদি এই গোপন গুনাহ এই অশ্লীলতা যদি ছাড়তে না পারেন আপনার পতন সুনিশ্চিত আপনি কত বড় হইছেন
আপনি ছাত্র শিক্ষক বড় মেম্বার অফ পার্লামেন্ট ডাক্তার বিজ্ঞানী আপনার পতন সুনিশ্চিত আপনাকে এমন অবস্থায় সম্মুখীন হতে হবে আপনি চিন্তা করতে পারবেন না চিন্তা করতে পারবেন না বলবেন এরকম কেন অপমানিত হচ্ছি আমি জায়গায় জায়গায় হেও হচ্ছি কেন হচ্ছি আল্লাহতালা আপনার জীবন থেকে রহমত বরকত উঠিয়ে নিয়ে যাবে কারণ আপনি গোপন গুনালিত এই দয়া করে গোপন গুনা ছেড়ে দেন গোপন ইবাদত করেন আল্লাহতালা আপনাকে আকাশচুম সাফল্য দেখাবে ইনশল্লাহ আপনারা একটা গল্প বলে শেষ করি এক তরুণ বালক সে তার শিক্ষকের কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করছে চোখের পানি ফেলছে
চেহারার মধ্যে হতাশা শিক্ষক বলতেছেন বাবা তুমি কাদো কেন কি সমস্যা যে আমি যা পড়ি কোন কিছু আমার মাথায় থাকে না কিছুই মনে রাখতে পারছি না এক দৃষ্টিতে বালকের দিকে তাকিয়ে ওই শিক্ষক বললেন যে বাবা শোনো জ্ঞান হচ্ছে আল্লাহ তাালার নূরের আলো এই আলো সেই হৃদয়ে স্থান পায় বা স্থির হয় যে হৃদয়ে কোন গোপন গুনাযে হৃদয়ে কোন পাপ বাস করে না ওইদিন থেকে উনি পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রেখেছেন ওই ব্যক্তির নাম জানেন ইসলামের চার ইমাম তার ইমাম শাফি রহিমা উনার যে মাযহাব উনার কোটি কোটি উনার অনুসারী রয়েছেন এরপরে উনি শুধু ইতিহাস
রচনা করেছেন উনি বলেছেন আমার স্মৃতিশক্তি এর পরে এমন হয়েছে আকাশ স্মৃতিশক্তি আমি যা পড়ি তাই মনে থাকে প্রতিটা পৃষ্ঠা উল্টাই আর আমাকে দ্বিতীয়বার পড়তে হয় না এত স্মৃতিশক্তি আল্লাহতালা তাকে দান করেছে সে অশ্লীলতা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছে এবং আপনার কি অবিশ্বাস হচ্ছে যে মানে পাতা পড়তেছে স্মৃতিশক্তি এতটাই প্রখর এখন দেখেন জাকির নায়েক দেখেন না চোখের সামনে দৃষ্টান্ত কি সে জানে না বাবারে পবিত্র কোরআন হাদিস বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট নিউ টেস্টামেন্ট ভগবত গীতা বেদ টিপিট কোনটা গ্রন্থে তার নলেজ নাই যেকোন একটা বিষয় বলতেছেন এমনভাবে কোট করতেছে
মনে হচ্ছে যে কম্পিউটার ছেড়ে দিয়েছে আল্লাহতালা কি জ্ঞান দিয়েছে এজন্য বলব আপনারা শিক্ষার্থী গোপন গড় ছেড়ে দেন গোপন ইবাদত করেন আল্লাহতালা বহু বাড়ি দেবে সর্বশেষ কথা এখানে সবাই এসেছেন সফল হতে আমাদের আল্টিমেট ডেস্টিনেশন পরকাল ইনশাল্লাহ আমরা পরকালে তবেই সফল হব অন্যের কোন হিংসা করবেন না গোপন কোন ছেড়ে গোপন ইবাদত করবেন অন্যের ভালো চাবেন সবসময় আল্লাহ তালাকে জিকিরের মধ্যে রাখবেন মা বাবার খেদমত করবেন জীবন বদলে যাবেন ধন্যবাদ সবাইকে। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
শেষকথা :
আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣
আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পরে ডক্টর নোবেলের এই "জীবন পরিবর্তনের সেরা লেকচারটি" সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।
আরও পোস্ট পড়ুন-
চলুন পৃথিবীর ভিতরে যাত্রা শুরু করি ? বিজ্ঞানীনাও দেখে অবাক !
চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া উপায়। মহাবিশ্ব টিভি নিউজ
আসলে কেন বানানো হয়েছিল চীনের এই দেওয়াল? || Great Wall of China Mystery
পড়া মনে থাকবে - আজীবনের জন্য! 🔥 পড়া মনে রাখার ৫ টি বৈজ্ঞানিক কৌশল। Study Tips in Bangla
