খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী রহঃ এর যে কারামত দেখে ৯০ লাখ হিন্দু মুসলমান হয়েছ | আজমিরের পুরো কাহিনী | মহাবিশ্ব টিভি নিউজ

 ভারতবর্ষে তখন ইসলাম ধর্মের প্রচার হয়নি 

 রাজা পৃথিবীরাজ তখন ভারত শাসন করতো রাজা 

 পৃথিবীরাজ প্রতিনিহত তার প্রহিদের নিয়ে 

 পূজা করার জন্য মন্দিরে যাতায়াত করতো 

 ভারতের মানুষ তখন দেব দেবী এবং অগ্নিপূজা 

 করতো অজ্ঞতা আর কুসংস্কারে ডুবেছিল ওই 

 সময় একদিন রাতে হযরত খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতি রহমাতুল্লাহ আলাইহি তার নিজ গৃহে 

 সায়িত ছিলেন গভীর রজনীতে তিনি স্বপ্নে 

 দেখলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি 

 ওয়াসাল্লাম বলছেন হে খাজা মইনুদ্দিন তুমি 

 হিন্দুস্থানে যাও সেখানে গিয়ে দ্বীনের 

 দাওয়াত দাও ইসলাম ধর্ম প্রচার করো 

"খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহঃ)-এর কারামত: আজমিরে ৯০ লাখ হিন্দু মুসলমান হওয়ার ঐতিহাসিক সত্য।"


 হিন্দুস্তানের মানুষ কুসংস্কারের মধ্যে 

 পড়ে আছে তুমি যাও তাদেরকে আল্লাহর পথে 

 ফিরিয়ে আনো এই স্বপ্ন দেখে খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতী জাগ্রত হলেন অতঃপর দেরি 

 না করে পরের দিন খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বেশ 

 কয়েকজন সঙ্গী সাথীসহ হিন্দুস্তানের পথে 

 রওনা হলেন বেশ কয়েকদিন অনেক পথ অতিক্রম 

 করার পর ভারতের রাজস্থানের আজমির নামক 

 স্থানে প্রবেশ করলেন সেখানে তখন রাজা 

 পৃথিবীরাজ শাসন করতো তার বিরুদ্ধে কথা বলে 

 এমন কারো সাহস ছিল না এদিকে খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতি ও তার সঙ্গী সাথীরা অনেক 

 পথ অতিক্রম করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল তাই 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতি এবং তার সঙ্গীরা 

 আজমিরের তারাগার পাহাড়ের নিচে বিশ্রাম 

 নিচ্ছিলেন ঠিক ওই সময় নামাজের সময় হয়ে 

 গিয়েছিল সেই জন্য খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 তার সঙ্গীদের বললেন তোমরা পানির সন্ধান 

 করো কেননা অযু করতে হবে নামাজের সময় হয়ে 

 গিয়েছে 

 তখন দুইজন সঙ্গী একটি লোটা নিয়ে পানির 

 সন্ধানে বার হলেন কিছুদূর যাবার পর তারা 

 দেখল বিশাল একটা বড় সাগর সামনে দেখা 

 যাচ্ছে যেটি বর্তমানে আনাসাগর নামে পরিচিত 

 তারা আনাসাগরের সামনে গিয়ে দেখল রাজার 

 সেনাবাহিনী আনাসাগরের চারিদিকে ঘিরে 

 রেখেছে তাদেরকে দেখামাত্রই সেনাবাহিনী বলল 

 আপনারা কে আর এর আগে তো কখনোই দেখিনি 

 এখানে কি চাই সঙ্গী দুজন বলল আমরা হলাম 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতির মুরিদ আমরা এখানে 

 অযু করার জন্য একলো পানি নিতে এসেছি এটা 

 শুনে সেখানে থাকা সমস্ত সেনাবাহিনী 

 উচ্চস্বরে হাসতে লাগলো আর বলল আপনারা কি 

 রাজা পৃথিবীরাজের নাম শোনেননি তার হুকুম 

 অমান্য করলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা হবে এই 

 সাগরে অন্য কারোর পানি নেওয়া তো দূরের 

 কথা পানিতে হাত দেওয়াও নিষেধ কারণ এই 

 পানি তাহলে অপবিত্র হয়ে যাবে এই কথা বলে 

 তাদেরকে তাড়িয়ে দিলেন দুইজন সঙ্গী ব্যথা 

 ভরা মন নিয়ে খাজা মইনুদ্দিন চিশতির নিকটে 

 ফিরে আসলেন তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 বললেন তোমাদের কি হয়েছে তোমরা কি পানির 

 সন্ধান পাওনি এবার ওই দুজন বলল হুজুর পানি 

 তো পেয়েছি কিন্তু আমাদের দেয়নি তাড়িয়ে 

 দিয়েছে আর বলেছে রাজা পৃথিবীরাজ এই পানি 

 নেওয়ার জন্য কারো অনুমতি দেয় না তার 

 হুকুম অমান্য করলে কঠিন শাস্তি দিতে বাধ্য 

 হবে তাদের সব কথা শুনে খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতি আল্লাহর দরবারে দোয়া করার পর 

 তাদেরকে বললেন তোমরা আনাসাগরের সামনে 

 গিয়ে বলবে খাজা মইনুদ্দিন চিশতি আমাকে 

 পাঠিয়েছে অতঃপর দুইজন সঙ্গী আবারো অজুর 

 পানি আনার জন্য রওনা হলেন তারা যখন সাগরের 

 সামনে গিয়ে হাজির হলো সেনাবাহিনীরা 

 তাদেরকে ডেকে বলল কি ব্যাপার তোমরা আবার 

 এসেছো কেন তখন তারা বলল অজুর পানি নিতে 

 এসেছি সেনাবাহিনী বলল বলেছি না পানি 

 দেওয়া যাবে না রাজা পৃথিবীরা শুনলে 

 এতক্ষণ তোমাদের হয়তো জীবন চলে যেত আমরা 

 কোন মতেই পানি দেবো না তখন তারা বলল আমরা 

 তোমাদের কাছে পানি চাইবো না এই আনাসাগরের 

 কাছেই পানি চাইতে এসেছি এই কথা শুনে 

 সেখানে থাকা সমস্ত সেনাবাহিনী উচ্চস্বরে 

 হাসতে লাগলো ঠিক ওই সময় তারা আল্লাহর 

 দরবারে দোয়া করার পর হাতে থাকা লোটাটি 

 এগিয়ে দিয়ে বলল হে আনাসাগর আমরা খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতি রহমাতুল্লাহ আলাইহির 

 মুরিদ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি আমাদেরকে 

 পাঠিয়েছে আল্লাহর হুকুমে এই লোটার মধ্যে 

 চলে এসো এই কথা বলার সাথে সাথেই এক 

 নিমেশেই সেই বিশাল আনাসাগরের পানি লোটার 

 মধ্যে চলে এলো চোখের সামনে এমন বিস্ময়কর 

 অলৌকিক ঘটনা দেখার পর সেখানে থাকা সমস্ত 

 সেনাবাহিনী বিস্ময় হতবাক হয়ে গেলেন দেরি 

 না করে সাথে সাথে তারা কলেমা পড়ে ইসলাম 

 ধর্ম গ্রহণ করলেন আর কিছু ছিল কট্টর 

 হিন্দুত্ববাদী তাদের মনে হয়েছিল এটি কোন 

 জাদুর প্রভাব তাই তারা পৃথিবীরাজকে খবর 

 দেওয়ার জন্য দ্রুত রাজদরবারে চলে আসলেন 

 রাজা পৃথিবীরাজ তাদেরকে দেখে বললেন কি 

 ব্যাপার তোমাদের চোখে মুখে এমন ভয়ের 

 চিহ্ন দেখাচ্ছে কেন তখন তারা বলল 

 রাজামোশাই সর্বনাশ হয়ে গেছে রাজা 

 পৃথিবীরাজ বলল কি হয়েছে তখন তারা বলল 

 রাজামোশাই কোথা থেকে যেন এক বিশাল বড় 

 জাদুগার এখানে এসেছে দেখলে তাদের ফকির মনে 

 হবে কিন্তু তারা তাদের জাদুর ভাবে সমস্ত 

 আনাসাগরের পানি একটি লোঠার মধ্যে নিয়ে 

 নিয়েছে এই কথা শোনা মাত্রই রাজা 

 পৃথিবীরাজের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো 

 জীবনে সে অনেক জাদুকর দেখেছে কিন্তু এমন 

 জাদুর প্রভাব সে কখনোই শোনেনি তাই নিজের 

 চোখে দেখার জন্য দ্রুত সেনাবাহিনীদের 

 নিয়ে সেই আনাসাগরের কাছে যাওয়ার 

 উদ্দেশ্যে রওনা হলেন আনাসাগরের পাশ দিয়ে 

 যাওয়ার সময় লক্ষ্য করে দেখলেন সমস্ত 

 আনাসাগরে এক বিন্দু পানি মাত্র নেই এদিকে 

 সমস্ত আজমিরের লোক দলে দলে খাজ মইনুদ্দিন 

 চিশতী রহমাতুল্লাহ আলাইহিকে দেখার জন্য 

 সেখানে যেতে লাগলেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী 

 এবং তার সঙ্গীরা নামাজ শেষ করে বসেছিল 

 হঠাৎ তখনই রাজা পৃথিবীরাজ সেখানে হাজির 

 হলেন দেখলেন ইতিমধ্যেই অনেক হিন্দু ইসলাম 

 ধর্ম গ্রহণ করেছে এটা দেখে রাজা মনে মনে 

 খুবই রাগান্ডিত হলেন রাজা পৃথিবীরাজ ছিল 

 খুবই চালাক কট্টর হিন্দুত্ববাদী পৃথিবীরাজ 

 বললেন আপনি কে আর কোথায় থেকে এখানে 

 এসেছেন তখন তিনি বললেন আমার নাম খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতী আল্লাহর হুকুম 

 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের 

 নির্দেশে আমি এখানে এসেছি পৃথিবীরাজ বললেন 

 আপনি আপনার জাদুর প্রভাবে এই পানি কেন 

 শুকিয়ে দিয়েছেন তখন খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতি বললেন আমি কোন জাদুকর নই আমি হলাম 

 আল্লাহর বান্দা আল্লাহর হুকুম পালন করার 

 জন্যই পানি আনতে গিয়েছিলাম কিন্তু পানি 

 না দেওয়ার কারণে এই পানি আল্লাহ শুকিয়ে 

 দিয়েছে এই কথা শুনে সেখানে থাকা সমস্ত 

 লোক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে এক দৃষ্টিতে খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতির দিকে তাকিয়ে রইলেন 

 বৃত্তিরা ছিল খুবই চালাক এবং প্রতারক সে 

 বুঝতে পেরেছে এ সাধারণ কোন মানুষ নয় তাই 

 সে কান্নার অভিনয় করে নত হয়ে বললেন ঠিক 

 আছে আমাদের সবার কষ্ট হলেও কোন অসুবিধা 

 নেই কিন্তু ছোট বাচ্চা এবং নিরপরাধ সাধারণ 

 মানুষের কথা চিন্তা করে পানি আবার আগের 

 জায়গায় ফিরিয়ে দিন দয়া করে এই 

 অনুরোধটুকু রাখুন এই কথা শুনে খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতি দুইজনকে ওই লোটা নিয়ে 

 আনাসাগরের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন 

 দুইজন সঙ্গী লোটা নিয়ে আনাসাগরের কাছে 

 গেল এবং ওই লোটাটি আনাসাগরে রাখার সাথে 

 সাথেই আনাসাগর আবার আগের মতো পানিতে 

 পরিপূর্ণ হয়ে গেল এই সমস্ত ঘটনা দূর থেকে 

 তারা দেখছিল তাই সেখানে থাকা সমস্ত লোক 

 জিজ্ঞাসা করল আপনি কোন দেবতার পূজা করেন 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বলল আমি আমার রব এক 

 আল্লাহর এবাদত করি সেখানে থাকা সেই 

 লোকগুলো বলল আমরাও আজ থেকে আপনার সেই এক 

 আল্লাহর এবাদত করতে চাই সেখানে থাকা সমস্ত 

 লোক একে একে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করল কিন্তু 

 রাজা পৃথিবীরাজ এটা মেনে নিতে পারেনি তাই 

 সে খুব রেগে গিয়ে রাজদরবারের দিকে ফিরে 

 আসতে লাগলেন পরের দিন পিত্তিরাজ 

 রাজদরবারের একটি জরুরি মিটিং এর আয়োজন 

 করলেন পিত্তিরাজ বললেন যেভাবেই হোক এই 

 ফকিরকে এখান থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে একে 

 শেষ করতে হবে এই বিষয়ে তোমাদের কোন 

 পরামর্শ থাকলে তাড়াতাড়ি বলো তখন মন্ত্রী 

 বলল রাজামোশাই এই ফকির তো কোন সাধারণ 

 মানুষ নয় সে তো একজন বড় জাদুঘর তার 

 জাদুর প্রভাবে সবাইকে যেভাবে একে একে 

 ইসলাম ধর্মে নিয়ে যাচ্ছে একদিন তো একদিন 

 কিন্তু ভারতবর্ষে হিন্দু ধর্ম পালন করার 

 মতো আর কেউই থাকবে না তার সাথে মোকাবেলা 

 করতে হলে বিশাল বড় জাদুঘরের দরকার তখন 

 সেখানে থাকা একজন সেনাবাহিনী বলল 

 রাজামোশাই আমাদের দেশে এর চেয়েও একজন বড় 

 জাদুকর আছে তখন পৃথিবীরাজ বলল তার নাম কি 

 তখন সেনাবাহিনীটি বলল সে হলো জয়পাল 

 জাদুকর পিতৃজ বলল যাও তাকে তোমরা এই 

 রাজদরবারে নিয়ে এসো অতঃপর কয়েকজন 

 সৈন্যবাহিনী জয়পাল জাদুকরের সাথে সাক্ষাৎ 

 করার জন্য রওনা হলেন কিছুক্ষণ পর জয়পাল 

 জাদুকরের বাড়ির কাছে গিয়ে দেখল জয়পাল 

 আকাশে ভাসমান অবস্থায় গভীর ধ্যানে মগ্ন 

 তাদেরকে দেখা মাত্রই নিচে নেমে আসলো এবং 

 বলল রাজা পাঠিয়েছে তোদের এমন কথা শুনে 

 সেনাবাহিনীরা অবাক হয়ে গেল তারা মনে মনে 

 ভাবতে লাগলো আর কোন চিন্তা নেই এইবার 

 তাদের কাজ সম্পূর্ণ হবে সমস্ত কথা জয়পাল 

 জাদুকরের সাথে তারা খুলে বলল অতঃপর তারা 

 দেরি না করে জয়পাল জাদুকরকে রাজদরবারে 

 নিয়ে হাজির করল জয়পাল বললেন রাজামোশাই 

 আমাকে ডেকেছেন কেন দাদা পৃথিবীরাজ বললেন 

 শুনেছি আপনি ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় 

 জাদুকর আমরা তো সবাই একটা সমস্যার মধ্যে 

 পড়ে গেছি তোমাকে এটা উদ্ধার করতে হবে তখন 

 জয়পাল বললেন বলুন আপনার জন্য কি করতে 

 পারি পিত্তিরাজ বললেন আপনিও হিন্দু আর 

 আমরা সবাই হিন্দু কিন্তু কোথা থেকে এক 

 ফকির এসে একে একে সবাইকে তার জাদুর প্রভাব 

 দেখিয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম 

 ধর্মে নিয়ে যাচ্ছে তার সাথে তোমার 

 মোকাবেলা করতে হবে তাকে যদি তুমি দেশ থেকে 

 তাড়াতে পারো অথবা একেবারে শেষ করে দিতে 

 পারো পারো তাহলে তোমার জন্য মহামূল্যবান 

 পুরস্কার রয়েছে এই কথা শুনে জয়পাল বললেন 

 মহারাজ আপনি চিন্তা করবেন না কত বড় বড় 

 জাদুকর আমার কাছে নতস্বীকার করেছে আর ও তো 

 সামান্য একজন ফকির ওকে শেষ করে তবেই আমি 

 তোমার সামনে হাজির হব অতঃপর আর দেরি না 

 করে জয়পাল জাদুকর তার জাদুর সাহায্যে 

 গরীবে নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 রহমতুল্লাহ আলাইহিকে খুঁজতে লাগলেন 

 কিছুদূর যাবার পর জয়পাল জাদুকর দেখল 

 গরীবে নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 তারাগার পাহাড়ে একটি পাথরের এক কোণে 

 আল্লাহর এবাদতে মগ্ন আছে কোনদিক তাকাচ্ছে 

 না এটা দেখে জয়পাল জাদুকর পিছন দিক থেকে 

 ওইদিকে এগিয়ে গেল জয়পাল বলতে লাগলো এই 

 ফকিরকে মারা আমার কাছে তো সামান্য কাজ আমি 

 পিছন দিক থেকে এসেছি তাও দেখতে পাইনি এটা 

 কোন জাদুঘর হলো এই কথা বলে তার জাদুর 

 প্রভাবে সেই পাহাড় থেকে একটি বিশাল বড় 

 পাথর উঠিয়ে যেমনি খাজা মইনুদ্দিন চিশতিকে 

 চাপা দিতে যাবে এমন সময় খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতি একটি আঙ্গুল উঠিয়ে বলল হে তারাগার 

 পাহাড়ের পাথর তুমি দেখছো না আমি আল্লাহর 

 এবাদত করছি হে পাথর তুমি যদি আল্লাহর পক্ষ 

 থেকে আসো তাহলে আমাকে চাপা দিয়ে মেরে 

 ফেলো আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আসো 

 ওখানেই দাঁড়িয়ে যাও এই কথা শুনে পাথর 

 সেখানেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো এক ইঞ্চি 

 নড়লো না জয়পাল জাদুকর একের পর এক জাদুকর 

 দেখাচ্ছে কিন্তু কিছুই করতে পারছে না এই 

 ক্ষমতা দেখে জয়পাল জাদুকর বিস্ময় হতবাক 

 হয়ে গেল জয়পাল বুঝতে পেরেছে যে ইনি 

 সাধারণ কোন মানুষ নয় তার কাছে আমার এই 

 জাদু কখনোই চলবে না তাই দেরি না করে 

 জয়পাল জাদুকর সঙ্গে সঙ্গে খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতিয়ার কাছে হার স্বীকার করল এবং ইসলাম 

 ধর্ম গ্রহণ করল পরের দিন থেকে সারা 

 ভারতবর্ষে এই খবর ছড়িয়ে পড়লো যে ভারতের 

 সবচেয়ে বড় জাদুকর জয়পাল একজন ফকির যার 

 নাম গরীবে নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 তার কাছে হেরে গিয়ে ধর্ম ত্যাগ করে ওই 

 ফকিরের ধর্ম গ্রহণ করেছে তিনি এমন এক রবের 

 এবাদত করে যার কাছে কোন শক্তি জিততে পারে 

 না সমস্ত ভারতের মানুষ বলতে লাগলো তিনি 

 এমন কোন রবের এবাদত করে যে তার কাছে সবাই 

 হেরে যাচ্ছে তাহলে সেই রবের ক্ষমতাই বা কত 

 বড় আমাদের উচিত ওই রবের এবাদত করা এই কথা 

 বলে দলে দলে সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার 

 জন্য খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহ 

 আলাইহির কাছে যেতে লাগলো এই খবর পেয়ে 

 রাজা পৃথিবীরাজ খুবই চিন্তিত হয়ে পড়লেন 

 তিনি বুঝতে পারছেন না এবার তিনি কি করবেন 

 তখন মন্ত্রী বলল রাজামোশাই জয়পাল জাদুকর 

 ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে আরো অনেক মানুষ 

 একে একে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে আমাদের মনে 

 হয় তিনি সাধারণ কোন মানুষ নয় তার অনেক 

 ক্ষমতা আছে তাকে হারানো অসম্ভব তার কথা 

 আমাদের মেনে নেওয়া উচিত তখন পিত্তিরাজ 

 বলল এত সহজে আমি হার মেনে নেব না অতএব 

 তোমরা যাও ওই ফকিরকে এখানে ডেকে নিয়ে আসো 

 অতঃপর কয়েকজন সেনাবাহিনী এই খবর দেওয়ার 

 জন্য রওনা হলেন সেখানে হাজির হয়ে বললেন 

 রাজামোশাই আপনার সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ 

 কথা বলার জন্য আপনাকে ডেকেছেন তখন খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতী নিজেই রাজা পৃথিবীরাজের 

 সাথে কথা বলার জন্য বেরিয়ে পড়লেন এদিকে 

 ওই এলাকার এক হিন্দু পন্ডিত ছিল সে 

 প্রতিদিন পূজা করার জন্য মন্দিরে যেত এবং 

 মূর্তির সামনে দুধ ঢালতো একদিন তার মেয়ে 

 সেই পন্ডিতকে জিজ্ঞেস করল বাবা আপনি 

 প্রতিদিন দুধ নিয়ে মন্দিরে যান মন্দিরে 

 ওই মৈত্রিক দুধ পান করে তখন পন্ডিতটি বলল 

 মা মূর্তি কখনো দুধ পান করে না ওই 

 মূর্তিগুলোকে আমরা পূজো করি তখন তার মেয়ে 

 বলল বাবা আমি ওই মূর্তিটির দুধ খাইয়ে 

 তবেই আসবো আমি দেখতে চাই যে আসলেই এই দুধ 

 পান করে কিনা তখন হিন্দু পন্ডিত বলল মা 

 এমন কথা বলতে নেই সে তো আমাদের ভগবান 

 মূর্তি কি কখনো দুধ পান করে তবে মন্দিরে 

 যেদিন কেউ থাকবে না তুমি সেদিন গিয়ে 

 দেখতে পারো অতঃপর একদিন তার মেয়ে দুধ 

 নিয়ে ওই মন্দিরে হাজির হলো ওই মূর্তির 

 সামনে গিয়ে বলল তুমি তো আমাদের ভগবান 

 তাহলে নিশ্চয়ই আমার কথা শুনছো আমি আজ দুধ 

 নিয়ে এসেছি তুমি এই দুধ পান করে নাও 

 কিন্তু মূর্তির কাছ থেকে কোন উত্তর পেল না 

 মেয়েটি আবার বলল কি ব্যাপার আমার কথা কি 

 শুনতে পাচ্ছ না তুমি দুধ পান করে নাও আমি 

 স্বচক্ষে এটা দেখতে চাই কিন্তু মূর্তির 

 কাছ থেকে কোন উত্তর এলো না তখন মেয়েটি 

 নিজেই মাথা ঠুঁকে রক্ত ঝরাতে লাগলো জোরে 

 জোরে কাঁদতে লাগলো ঠিক ওই সময় গরীবে 

 নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি ওই দিয়ে 

 যাচ্ছিলেন কান্নার আওয়াজ শুনে তিনি ওই 

 মন্দিরের মধ্যে প্রবেশ করলেন এবং দেখলেন 

 একজন মেয়ের মাথা দিয়ে রক্ত ঝরছে এবং 

 জোরে জোরে ক্রন্দন করছে তখন খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতি তাকে জিজ্ঞেস করলেন মা 

 তোমার কি হয়েছে মেয়েটি বলল দেখুন না 

 বাবাজি আমি দুধ নিয়ে এসেছি এই মূর্তিকে 

 খাওয়াবো বলে কিন্তু সে কিছুতেই আমার কথা 

 শুনছে না তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বললেন 

 মা মূর্তি কখনো কথা বলতে পারে না এবং 

 খেতেও পারে না তখন মেয়েটি আবারো নিজের 

 মাথা ঢুকে রক্ত ঝরাতে লাগলো মেয়েটির এমন 

 ভক্তি দেখে খাজা মইনুদ্দিন চিশতি অবাক 

 হলেন তাই মূর্তির সামনে গিয়ে মূর্তিটির 

 কান ধরে বললেন আমি খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 বলছি তুমি কি শুনতে পাচ্ছ না এই অসহায় 

 নিষ্পাপ মেয়েকে তুমি কাঁদাচ্ছ কেন এই 

 দুধগুলো খেয়ে নাও এই কথা বলার সাথে সাথেই 

 ওই মূর্তি দুধ খাওয়া শুরু করল এটা দেখে 

 মেয়েটি খুবই খুশি হলো এবং আনন্দে সেখান 

 থেকে চলে আসলো মেয়েটি যখন গ্রামে প্রবেশ 

 করল অনেকেই বলতে লাগলো এই মেয়েটি হয়তো 

 কোন অপকর্ম করে এসেছে সবাই কলঙ্কিত করছে 

 এখন আমাদের কি হবে সেখানে ওই মেয়েটির 

 বাবাও উপস্থিত ছিল তারা সবাই বলতে লাগলো 

 কি ব্যাপার তোমার এই অবস্থা কেন মেয়েটি 

 বলল বাবা আমি মূর্তিকে দুধ খাইয়ে এসেছি 

 এই কথা শুনে সবাই অবাক হলো এবং বলল এই 

 মেয়ে মিথ্যা বলছে মূর্তি কখনো দুধ খায় 

 না নিজেই অপকর্ম লুকানোর চেষ্টায় 

 আমাদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে মেয়েটি তখন কাঁদতে 

 কাঁদতে বিনয়ের সাথে বলল আমি অনেক বলার 

 পরেও মূর্তি যখন দুধ খায়নি তখন নিজে মাথা 

 ঠুকে রক্ত ঝরিয়েছি ঠিক ওই সময় এক ফকির 

 বাবা এসে মূর্তির কান ধরে বলল দুধ খেয়ে 

 নাও আর সাথে সাথে এই ফকির বাবার কথায় 

 মূর্তি দুধ খাওয়া শুরু করল তখন সেখানে 

 থাকা সমস্ত লোক আশ্চর্য হয়ে গেল এবং বলল 

 কে ওই ফকির বাবা মেয়েটি বলল আমি ওই ফকির 

 বাবাকে চিনি না তবে মনে হয় আশেপাশে কোথাও 

 আছে তারা সবাই খাজা মইনুদ্দিন চিশতিয়ার 

 সাথে সাক্ষাৎ করে করার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে 

 পড়লেন এদিকে খাজা মইনুদ্দিন চিশতি 

 ততক্ষণে পিত্তিরাজের দরবারে এসে হাজির 

 হলেন পিত্তিরাজ বললেন হে ফকির বাবা তুমি 

 কি চাও খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বললেন আমি 

 ভারতের মানুষকে অন্ধকার থেকে দূরে সরিয়ে 

 কোরআনের আলো দিয়ে আলোকিত করতে চাই আমি 

 চাই সবাই কুসংস্কার ছেড়ে তওবা করে 

 আল্লাহর পথে ফিরে আসুক যিনি পৃথিবীর মালিক 

 যিনি আখেরাতের মালিক যিনি বললেই এক 

 নিমেশেই সব হয়ে যায় আমাদের সবার রিজিকের 

 এর মালিক জন্ম মৃত্যু সবকিছু তারই ক্ষমতা 

 সেই মহান আল্লাহ তাআলার এবাদত করতে চাই 

 আমি কারো ক্ষতি চাই না তিনি যখন এসব কথা 

 বলছে ঠিক ওই সময় একজন ইসলাম বিদ্বেষী 

 ব্যক্তি তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতা পরীক্ষা 

 করতে এসে বলল তিনি যদি সত্যিকারের 

 আধ্যাত্মিক শক্তিধর হন তবে পানি থেকে আগুন 

 তৈরি করে দেখান খাজা মইনুদ্দিন চিশতী 

 রহমাতুল্লাহ আলাইহি আল্লাহর নাম স্মরণ করে 

 পানির উপর ফুঁ দিলেন এবং সেই পানি থেকে 

 আগুন বের হতে শুরু করে চোখের সামনেই এমন 

 বিস্ময়কর অলৌকিক ঘটনা দেখে ওই ব্যক্তি 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতির কাছে ক্ষমা চায় 

 এবং তার ক্ষমতায় বিশ্বাসী হয়ে সাথে 

 সাথেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ওই সময় এই 

 রাজদরবারের সমস্ত মানুষ রাজা পৃথিবীরাজও 

 বুঝতে পেরেছিলেন যে এমন আল্লাহওয়ালা 

 মানুষের সাথে কখনোই মোকাবেলা করা সম্ভব 

 নয় অনেক অলৌকিক ঘটনা দেখার পর তারা আর 

 দেরি করলেন না ক্ষমা চাইলেন এবং সঙ্গে 

 সঙ্গে তারা খাজা মইনুদ্দিন হাতে হাত দিয়ে 

 মুরিদ হয়ে গেলেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ 

 করলেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী তাদেরকে ক্ষমা 

 করে দিলেন অতঃপর খাজা মইনুদ্দিন চিশতী 

 সেখান থেকে চলে আসলেন খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতি তার সঙ্গী-সাথীসহ তারাগার পাহাড়ের 

 ওই স্থানে অবস্থান করলেন খাজা মইনুদ্দিন 

 চিশতী যখন এক স্থানে আল্লাহর এবাদতে মগ্ন 

 ছিলেন ঠিক ওই সময় হিন্দু পন্ডিত সহ ওই 

 লোকগুলো ওই স্থান দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন 

 হিন্দু পন্ডিতের ওই মেয়েটি বলল ওই দেখুন 

 ওই যে ফকির বাবা বসে আছে ওই ফকির বাবার 

 কথায় মূর্তি দুধ খেয়েছিল তখন তারা একে 

 একে সবাই খাজা মইনুদ্দিন চিশতী 

 রহমাতুল্লাহ আলাইহির কাছে হাজির হলেন এবং 

 বললেন হে ফকির বাবা আপনি কে আর আপনি কোন 

 এমন জাদু জানেন যে আপনার কথায় মূর্তি দুধ 

 খেয়েছে খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বললেন আমি 

 তো আল্লাহর এক বান্দা আমার কথায় কিছুই 

 হয় না আমার আল্লাহ যা বলে তাই হয়ে যায় 

 আমি সেই আল্লাহর এবাদত করি তখন তারা বলল 

 আমরা আজ থেকে সেই আল্লাহর এবাদত করতে চাই 

 এই ভারতে তো সবাই একে একে ইসলাম ধর্ম 

 গ্রহণ করেছে আমাদেরকেও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ 

 করিয়ে দিন অতঃপর তারা সকলেই ইসলাম ধর্ম 

 গ্রহণ করলেন এই ঘটনার কয়েকদিন পর খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতি সেখানে একটি জঙ্গলের মধ্য 

 দিয়ে যাচ্ছিলেন যাওয়ার সময় দূরে লক্ষ্য 

 করে দেখলেন কয়েকজন হিন্দু পন্ডিত এবং 

 সেখানে থাকা বিভিন্ন লোকজন অগ্নিপূজা করছে 

 এটা দেখে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী তাদের দিকে 

 এগিয়ে গেলেন এবং এবং বললেন আপনারা আগুন 

 পূজা করছেন কেন এই আগুন আপনাদের কি উপকার 

 করে তখন তারা বলল এই আগুন হলো আমাদের খোদা 

 আগুনকে খুশি করছি মৃত্যুর পরে নরকের আগুন 

 থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আগুন পূজা করছি 

 তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহ 

 আলাইহি বললেন আচ্ছা বেশ তাহলে আপনারা 

 আগুনকে খুশি করছেন আগুনকে স্পর্শ করুন তো 

 আগুন আপনাদের জ্বালিয়ে দেয় কিনা তখন 

 সেখানে থাকা আরেকজন বলল এটা আবার কেমন 

 ধরনের কথা আগুনে হাত দিলে তো হাত পুড়েই 

 যাবে তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বললেন 

 আপনারা এমন খোদার পূজা করেন যে ওই খোদা 

 তোমাদেরকে পুড়িয়ে দেবে কিন্তু আমি এমন 

 এক খোদার পূজা করি যার হুকুমে আগুন ঠান্ডা 

 হয়ে যায় এই কথা শুনে সেখানে থাকা আরেকজন 

 হিন্দু পন্ডিত অট্টহাসি করে বলল আগুনের 

 ধর্ম তো পোড়ানো আর আপনি যেহেতু বলছেন 

 তাহলে আপনি আমাদের স্বচক্ষে দেখান তখন 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতি রহমাতুল্লাহ আলাইহি 

 আগুনকে লক্ষ্য করে বললেন হে আগুন আমি 

 আল্লাহর এক খাজা মইনুদ্দিন চিশতি বলছি 

 আল্লাহর হুকুমে তুমি ঠান্ডা হয়ে যাও এই 

 কথা বলে খাজা মইনুদ্দিন চিশতি আগুনের 

 মধ্যে প্রবেশ করলেন কিন্তু তারা অবাক হয়ে 

 দেখলেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী আগুনের মধ্যে 

 প্রবেশ করল কিন্তু একটুও পুড়ে যায়নি এই 

 অলৌকিক ঘটনা স্বচক্ষে দেখার পর তারা সবাই 

 অবাক হয়ে গেলেন এবং বললেন আপনি কে আর 

 আপনি কোন খোদার এবাদত করেন তখন খাজা 

 মইনুদ্দিন চিশতী বললেন আমার নাম গরীবে 

 নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি যিনি 

 বিশ্বজগৎসমূহের প্রতিপালক তিনি ছাড়া কোন 

 উপাস্য নাই তিনি এই সমস্ত ক্ষমতার মালিক 

 এক আল্লাহর এবাদত করি তখন সেখানে থাকা 

 সমস্ত লোক বলল আমরাও আজ থেকে সেই মালিকের 

 এবাদত করতে চাই এই বলে সেখানে থাকা সমস্ত 

 মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিল আর এভাবেই 

 খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহ আলাইহি 

 ভারতবর্ষে এসে কোরআনের আলো দিয়ে ইসলাম 

 ধর্ম প্রচার করল আল্লাহতালার দেওয়া অল 

 ঘটনা দেখার পর কোটি কোটি হিন্দু ইসলাম 

 ধর্ম গ্রহণ করেছিল যা এক নজিরবিহীন 

 দৃষ্টান্ত আর এভাবেই সমগ্র ভারতে ইসলাম 

 ধর্ম ছড়িয়ে পড়লো তো প্রিয় বন্ধুরা 

 আপনারা যদি চান যে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী 

 রহমাতুল্লাহ আলাইহির মৃত্যুর পরে যেসব 

 অলৌকিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে তার পাঠ যদি 

 আপনারা চান অবশ্যই কমেন্ট বক্সে লিখবেন আর 

 আজ এই পর্যন্ত ব্লগ পোস্টটি কেমন লেগেছে অবশ্যই 

 কমেন্ট করবেন আসসালামু 

 আলাইকুম।



 শেষকথা :


আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣


আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী রহঃ এর যে কারামত দেখে ৯০ লাখ হিন্দু মুসলমান হয়েছ | আজমিরের পুরো কাহিনী | মহাবিশ্ব টিভি নিউজ " সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।


আরও পোস্ট পড়ুন-


 গরিব মূর্তিকারের জাদুকরী টিয়া পাখি | Bangla story | bangla cartoon | Bengali Fairy Tales Cartoon


গ্রামে থেকেই লাখের ব্যবসা শুরু করুন! একটাই প্যাকেটের রহস্যে লুকিয়ে আছে কোটি টাকার সুযোগ 


কোনো অফিস ছাড়া, কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়া ৫টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া | 5 small business ideas


জীবন পরিবর্তনের সেরা লেকচার | ডক্টর নোবেল | Doctor Nobel | Motivational Speech | মোটিভেশনাল স্পিকার


চলুন পৃথিবীর ভিতরে যাত্রা শুরু করি ? বিজ্ঞানীনাও দেখে অবাক ! 









একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন