আরে ভাই যারা এই স্মার্টফোনটির জন্য ওয়েট করছিলেন আর ওয়েট করতে হবে না realme 15 Pro 5G এর জন্য এবং অলরেডি জানেন ওদের 15 সিরিজের ডিভাইস গুলো বাংলাদেশে অফিসিয়াল হয়ে গেছে সব আর এটা হচ্ছে তাদের সর্বোচ্চ বড় ভাই হ্যাঁ এই ফোনটা আসলে কিন্তু দেখতে বেশ সুন্দর পার্সোনালি আমার কাছে এটার ডিজাইনটা বেশ ভালোই লেগেছে রিয়ার প্যানেলটা একদম ক্লোসি শাইনি এবং দেখতে মার্বেল স্টোন কার্ড ওরকম একটা ব্যাপার স্যাপার আছে ভালো লাগতেছে দেখতে সোজা কথা তবে এইটা নিয়ে আমি একটু কনফিউজড এটা আসলে গ্লাস নাকি
প্লাস্টিক গ্লাসেরও ভাব দেয় আবার একটু প্লাস্টিকেও ভাইব দেয় বুঝলাম না তবে কোন ধরনের স্ক্যাচ পড়তে দেখি আমাদের এই কয়েকদিনের ব্যবহারে। আর ফিঙ্গারপ্রিন্ট বসে না বললেই চলে। বসে মূলত দেখা যায় না। কারণ হলো এই প্যাটার্নটার কারণে ভালো লাগতেছে। আর যারা আমার মত এই যে এখানে তিন তিনটা ক্যামেরা দেখে খুব বেশি খুশি হয়ে গেছেন তাদের জন্য এক বালতি সমবেদনা। কারণ ক্যামেরা মূলত হচ্ছে এইটা আর এইটা। আর এই যে বড় জিনিসটা দেখছেন এইটা হচ্ছে গিয়ে। দামি ক্যামেরা। ইয়েস। এটলিস্ট আমি ভাবছিলাম যে ওদের বড় ভাই এখানে একটা
টেলিফোটো বা যেকোন একটা শুটার দিবে। কিন্তু রিয়াল সেটা দেয়নি। আমাদের সাথে একটু দুষ্টপানি করল আর কি। বডি ফ্রেমটা প্লাস্টিকে তৈরি। আই এর ব্লাস্টার সেন্সর রয়েছে। সেকেন্ডারি নয়েজ সেনসেশন মাইক আছে এবং এটাতে 3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাকটি উধাও। ওটা দেওয়া হয়নি। তবে আইপি রেটিং ভালো। আইপি 68 69 এর রেটিং রয়েছে। আপনি চাইলে এই স্মার্টফোনটা নিয়ে অনায়াসে পানিতে যেতে পারবেন। পানি ভিজাতে পারবেন। আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফিও করতে পারবেন। তাতে করে সমস্যায় আপনাকে পড়তে হবে না। এটুকু ফর সিওর। তবে ভাই এটা সত্যিই ফোনটা দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। আর
এইযে যেমন আমাকে কিন্তু বেশ ভালোই লাগছে এই সমস্ত জিনিস। এই সমস্ত জিনিসগুলো সব আমাদের নিজস্ব। আই মিন আমাদের টাইজ প্রোডাক্ট অলরেডি আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসছে। যারা ওয়েট করছিলেন তারা চাইলে এই ধরনের সুট শার্ট, হুডি ক্যাপ ইয়েস আমাদের সবগুলো ক্যাপেই কিন্তু ওখানে চলে আসছে। আপনারা চাইলে দেখতে পারেন ভিডিওর ডেসক্রিপশনে আপনাদের জন্য লিংক এবং কুপন কোড বোথ দেওয়া আছে। Realme এই ফোনটাতে একটা কার্ভড প্যানেল দিয়েছে। 4D কার্ভ বলছে ওরা যেটা আমরা আগেকার দিনে যে একদম কার্ভড ডিসপ্লে দেখতাম ঠিক সেরকম নয়। তবে মোটামুটি হালকা পাতলা কার্ভ করা হয়েছে।
ইভেন উপরের সাইড নিচের সাইডও আপনি হালকা কার্ভড লক্ষ্য করবেন। এই ডিসপ্লেটার সাইজ 6.8 8 ইঞ্চ যা ওলেট প্যানেল 144 হ পর্যন্ত হাই রিফ্রেশ রেট দেয় সব জায়গায় তো পাবেন না কিছু কিছু অ্যাপের ক্ষেত্রে অবশ্যই পাবেন আবার বেশ কিছু অ্যাপ 90 এবং 12 তে গিয়ে লক করতে দেখবেন এইডিআর 10 প্লাস এর সাপোর্ট রয়েছে 6500 নিডস পিক ব্রাইটনেস আছে এখন এই নাম্বার টাম্বার ভাই যাই থাকুক আপনি আসলে এটা ডিরেক্ট দেখতে পারছেন কিনা বা হেভি লাইটে দেখতে পারছেন কিনা ওটাই হল মেইন বিষয় এবং দেখতে পাবেন দেখা যায় ঠিকভাবেই কর্নিং গরিলা গ্লাস সেভেন আই
প্রটেকশন করছে তারপর আমি বলব এর সাথে একটা প্রোডাক্টর ব্যবহার করবেন সেটা গ্লাস হোক বা প্লাস্টিক হোক হোয়াট এভার এটা ব্যবহার করিয়েন হোয়াইট ভাইন এলওয়ান এর সাপোর্ট রয়েছে 460008 পিডবএম ডিমিং সাপোর্ট করছে এই ডিসপ্লেটা। ওভারঅল স্পেকওয়াইজ কিন্তু ডিসপ্লেটা বেশ ভালোর দিকেই থাকে। ভালো কাতারেই রয়েছে। সেই সাথে আপনি দেখুন ডিসপ্লের চিন ভেজেল কিন্তু একদমই ন্যারো। তাছাড়াও সিমেট্রিক্যাল। যার ফলে মিডিয়া কনজামশন মাল্টিমিডিয়া কনজামশন করুন বা যেটাই করুন না কেন এই ডিসপ্লেটা দেখতে আপনার কাছে ভালো লাগবে। এবং যথেষ্ট শার্প। কারণ এটা
1.5 কে রেজলেশনের একটা প্যানেল। পিপিও ভালো। আর বেশ বুস্টে টাইপের একটা কালার দেয়। ভাইব্রেন্ট একটা কালার দেয়। যে কোন কিছু দেখতে ভালো লাগে। ব্ল্যাকটা আবার পিওর ব্ল্যাক পাওয়া যায়। সবকিছু মিলে ডিসপ্লে আউটপুট নিয়ে আপনারা অসন্তুষ্ট হবেন না। এটুক সিওর করে বলা যায়। ইভেন দাম অনুযায়ী। তবে অনেকের কাছেই হয়তো বা এই ধরনের কার্ভ ফ্ল্যাট ম্যাটার করে। ওরকম বিষয় থাকলে তো হিসাব আলাদা। রান করছে Realme 6 Based Android 15 এবং এটার ক্ষেত্রে আমি শুনেছি যে দুইটা মেজর আপডেট পাওয়া যাবে এবং তিন বছরের সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে। আর প্রসেসর হিসেবে
রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন 7z4 ইউএফএস 3.1 হল গিয়ে স্টোরেজ টাইপ 12 256 জিবি ভেরিয়েন্টে বাংলাদেশ মার্কেটে লঞ্চ করেছে ওরা এবং দাম রেখেছে 5999 টাকা ভাই ভাই যাই হোক বিষয় নিয়ে ব্লগ পোস্টের শেষ দিকে আলোচনা করবো না হয় আচ্ছা তো এর যে প্রসেসর সেটা অবশ্যই ভালো একটা প্রসেসর স্নাপড্রাগন সে সিরিজের লেটেস্ট C4 রয়েছে এখানে ইউএফএস 3.1 স্টোরেজ টাইপ রয়েছে রিডাইট স্পিড আমরা ভালো দেখছি এবং এটা একদম হায়ার মিডরেঞ্জের একটা স্মার্টফোনের মতই বেশ ফাস্ট একটা রেজাল্ট দিচ্ছে আপনি ডে টু ডে লাইফে যখন যেকোন কাজ করবেন আপনি মোটামুটি মানে অলমোস্ট একটা ফ্ল্যাশপ
লেভেলের ডিভাইসের মতই ফিল পাবেন। যেমন ধরুন অ্যাপ ওপেন টাইম আপনি দেখবেন বেশ ফাস্ট। এনিমেশনটাও সুপার স্মুথ। যেকোন ট্রান্জেকশন যেকোনো কাজ যখন করছেন আপনার কাছে ও স্মুথনেসটা মনে হবে। তাছাড়া গরমও হচ্ছে না। আবার র্যাম ম্যানেজমেন্ট ভালো। মাল্টিটাস্কিং এট এ টাইম অনেকগুলো এপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করলেও এটা মানে ক্রাশ করছে না ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অ্যাপ। সে জায়গাগুলো আপনাকে অলমোস্ট লাইক এ ফ্ল্যাগশিপ ফিল দিবে। কিন্তু একেবারে ফ্ল্যাগশিপের সাথেও কম্পেয়ার করা যাবে না। কারণ ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে আমরা স্টোর টাইপ আরো বেটার দেখি। ওগুলোর রিডেট স্পিড,
ডে টু ডে লাইফে আপনার যদি এমনটা মনে হয় যে আমার আসলে কোন একটা মানে স্টোরেজের সাথে কানেক্ট করে ডাটা ট্রান্সফার করার প্রয়োজন পড়ে তখন কিন্তু ওগুলো আরো বেশি ফাস্টার হয়। আবার দেখুন এই ফোনটা বেশ দামি একটা ফোন <unk>60000 টাকার একটা ফোন। সেই ফোনে আমরা এরকম ব্লটার আসলে হট গেম হট অ্যাপস এছাড়াও আরো অনেক অজস্র অ্যাপ রয়েছে। যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ জেমনাই আছে এখানে যেটা আমাদের প্রয়োজন। এরকম কিছু অ্যাপ দিয়ে দিলে ঠিক আছে। বাট টিমু থেকে শুরু করে আরো অনেক অনেক। তো এত অ্যাপ যেহেতু এখানে আছেই। সো
এগুলোতে স্পন্সরড বোঝাই যায়। তো ফোনের দামও তো তাহলে আরেকটু কম থাকা উচিত ছিল। রাইট? যাই হোক আপনারা এগুলো একটু ক্লিন করে নেবেন। ভাই টাকা দিয়ে যেহেতু আপনি কিনবেন একটু ক্লিন করে নিয়েন আরেকটু বেটার ভাইব পাবেন এবং তখন গিয়ে একটু ফ্ল্যাগশিপ বা সেমি ফ্ল্যাগশিপ টাইপের একটা ফিল আপনাকে দিবে। এখন দেখুন আমার মত অনেকেই হয়তো এরকম এক্সপেক্টেশন রাখতে পারেন। এই প্রাইস পয়েন্টে এসে আমি যখন 60000 টাকা দিয়ে একটা ফোন কিনছি সেটাতে প্রিভিয়াস জেনারেশনের কোন ফ্ল্যাগশিপ চিপ থাকলেই বরং আরো ভালো হতো। তখন গিয়ে আমি এটাকে মানে একচুয়াল ফ্ল্যাগশিপ কিলার
টাইপের ওভাবে দাবি করতে পারতাম। বাট এখন কিন্তু এটা ওই হায়ার মিডজেন্সের একটা স্মার্টফোন হিসেবেই দাবি করতে পারবে নিজেকে। বাট দামটা আর কি ওই লেভেলে চলে গেছে। realme যদিও বা বলছে না এই স্মার্টফোনটা গেমিং এর জন্য খুব দারুণ হবে বা গেমিং এর জন্য ডেডিকেট কিছু। তবে এরকম প্রাইস পয়েন্টের ফোন কিনে অনেকে গেমিং করবেন। আমরা দেখলাম যে হ্যাঁ এটাতে গেমশন ইফেক্টের মত গেম কেউ হ্যান্ডেল করতে পারছে বেশ ভালোভাবে। কাস্টম গ্রাফিক্স 60 এফপিএস আপনি প্লে করতে পারবেন। এবং এরকম সেটিংসে এইটা একেবারে সুপার স্টেবল রেজাল্ট দিতে পারছে। ব্যাপারটা এমন নয়। আমি ফ্রাস্টের
দিকে যেটা দেখছিলাম এটা মোটামুটি মানে লাইক 56 এফপিএস এর মত এখানে স্টেবলভাবে ছিল। প্রায় 20 25 মিনিটের মতো। বাট এরপরে লং রানে গিয়ে কখনো আমি 47 46 এর ঘরেও আসতে দেখেছি। তবে এভারেজে বলতে গেলে আপনি 51 52 এর মত পাবেন। যদি লং পিরিয়ডে আপনি গেম প্লে করেন। লাইক আপনি 50 60 মিনিট এক ঘন্টার কাছাকাছি গেম প্লে করেন তখন এভারেজে ওরকম একটা জায়গায় যাবে আর কি। তবে খুব আহামড়ি গরম হয়ে পারফরমেন্স একদম ড্রপ করে ফেলছে। হাতে ওরকম ফিল পাচ্ছেন কিংবা ওয়ার্নিং দিচ্ছে। এ জাতীয় কোন প্রবলেম আমরা ফেস করিনি। গেশন ইমপ্যাক্টে।
পাবজির ক্ষেত্রেও দেখলাম বেশ স্ট্রাবল রেজাল্ট দিচ্ছে। বাট ওই আপনি যদি ইয়ে অন করে নেন রেকর্ডিং তখন গিয়ে প্রেসার দেয় ফোনের উপরে সেটা ফেস করবেন। গেম মোড আছে সেখান থেকে আরো বেটার এক্সপেরিয়েন্স নেওয়া সম্ভব। আপনি সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। বাট আমি আসলে রেকর্ডিং এর জন্যও এটাকে রেকমেন্ড করবো না যে রেকর্ড অন করে রেখে আপনি গেমপ্লে করেন। কারণ হয় কি তখন ফ্রেমরেট যতটুকুই ওঠানামা করুক না কেন ফোনটা গরম হয়ে যায়। একটু হাতের ভিতরে আপনি সেই ফিল্ডটা পাবেন যে আগের চাইতে বোধহয় একটু চেপে ধরছি আর কি। এটা বোঝা যায়। কিছুটা মাইক্রোস্ট লাইটের দেখা আমরা
পেয়েছি। তবে খুব দারুণ রেজাল্ট কিন্তু সিওডির ক্ষেত্রে খুবই স্মুথ একটা রেজাল্ট দিতে পারছিল কল অফ ডিউটি মোবাইলে এবং এক্ষেত্রে ফ্রেম রেটটা একদম বলতে গেলে স্টেবলই তাছাড়া গরমও ওই দুটা গেমের মত অতটাও হয়নি অফিশিয়াল ফোন হিসেবে যদি আমরা কম্পেয়ার করি পারফরমেন্সের জায়গাটা মোটামুটি একটা এভারেজ পয়েন্টে আছে বাট ক্যামেরার কি অবস্থা স্মার্টফোনটির রিয়ারে 50 মেগাপিক্সেলের দুইটা শুটার আছে দুইটাই 50 মেগাপিক্সেল করে মেইন শুটার হলো 896 এবং ওয়াইএস আছে কিন্তু এখানে যেটা ছোট ভাই আমরা পাইনি পরবর্তী শুটার হল গিয়ে আল্ট্রা ওয়াইড যা 50 মেগাপিক্সেলের
এছাড়াও ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাও 50 মেগাপিক্সেলেরই শুটার রয়েছে 4k 60 এফপিএস এ ভিডিও রেকর্ড করতে পারে বোথ সাইড সো বোঝা যাচ্ছে এই স্মার্টফোনটার ক্যামেরাতেও বেশ কিছুটা ফোকাস দেওয়া হয়েছে যদিও বা টেলিফটো নেই এখন এরকম প্রাইস পয়েন্টে টেলিফটো নেই realমির একটা ফোনে এই ব্যাপারটা খুবই দুঃখজনক আমি 60 হাজার টাকায় এই ফোনের সত্যিই পোরট্রেট আশা করছিলাম এবং আমি যখন এই ফোনের রেন্ডার ঠেন্ডার দেখছিলাম তখন ভাবছিলাম যে ডেফিনেটলি এটাতে একটা টেলিফটো দিয়েই আসতে চাচ্ছে এবারে বাট না এই জায়গায় একটু হতাশ করছি কিন্তু এর ক্যামেরা আউটপুট আবার
আপনাকে অনেকটাই সন্তুষ্ট করবে যেমন মেইন ক্যামেরাটা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে কিন্তু বেশ ভালো ছবি দেয় ইমপ্রেসিভ আপনি পাবেন বেশ ব্রাইট টাইপের শার্পনেস ডিটেলও ভালো হ্যা লো লাইটে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নাইট মোড যখন আমরা অন করে নিছিলাম দেখতে পেয়েছিলাম যে একটু ওভার শশারপেনিং এর ব্যাপার স্যাপার আছে মানে এই না যে ডিটেল অনেক বেশি বাট ওভারশারপেনিং এর একটু ব্যাপার আছে এটা আফটার প্রসেসিং হয়তো আপনারা নোটিস করতে পারেন কন্ট্রাস্টি হয় কন্ট্রাস্ট কিছু বাড়ে ডেলাইটে ডাইনামিক রেঞ্জে মোস্টলি ভালো রেজাল্ট দিলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি দেখবেন যে একটু হেভি
হাইলাইট যদি সামনে থেকে চলে আসে তখন ব্ল্যাকের জায়গাগুলো আরো বেশি কন্ট্রাস্টি করে ফেলছে আরো আরো বেশি কালারফুল বা একটু পপআপ করে ফেলে। ন্যাচারাল জায়গায় থাকে না। তাছাড়া কর্নার এরিয়াতে ডিটেলের পরিমাণ একটু কম মনে হয়েছে। কিন্তু এই ফোনটার আমরা ইভেন জুম করে ব্যাপারটা নোটিস করছিলাম। আল্ট্রাইডের ব্যাপারটা খুবই ওয়ার্ড লাগলো। আল্ট্রাইডটা না কালারটা ফ্লাকচুয়েট করছে। কিছু কিছু জায়গায় যখন খুব কালারফুল কোন কিছু ছবি আপনি তুলতে যাবেন তখন এর আল্ট্রাোয়াইড যে কাজটা করে কালারটা একটু কুলারের দিকে নিয়ে প্রেজেন্ট করে। খুব ইয়ারডলি একটা মানে
রেজাল্ট দিচ্ছে। যেটা বুঝলাম না কাহিনীটা কি। তাছাড়াও মেইন ক্যামেরার সাথে কালারের কিছুটা আপনি তফাত লক্ষ্য করবেন। বাট আল্ট্রাইডার যে প্রবলেমটা বললাম এটা সব জায়গায় না। নিউট্রাল কালার আছে বা হালকা পাতলা কালার মানে একটা ছবিতে অনেকগুলো কালার নেই। তখনই ঝামেলাটা করে না কিন্তু একসাথে অনেক মাল্টিপল কালার রয়েছে। তখন গিয়ে এই ইস্যুটা দেখা যায়। ইভেন মেইন ক্যামেরার ভিডিওতেও এই ইস্যুটা আমরা খেয়াল করছিলাম যে বারবার কালারটা শিফট করছে, শিফট করছে এরকম। যদি হেভি কোন কালারফুল কোন কিছুর আপনি রেকর্ড করতে যান। সো এইটা একটা বাঘ। এটা আল্ট্রয়েডের জন্য
একটা বাগ। এটা ফিক্সেবল। আই হোপ realme এই জায়গাটা গুরুত্ব দেবে। খুব শীঘ্র আই হোপ এগুলো ঠিক করে ফেলবে। বাট ভাই আল্ট্রাইড ক্যামেরায় আপনারা শার্পনেস ডিটেল ভালো পাবেন। যেহেতু হাই মেগাপিক্সেলের একটা এখানে শুটার রয়েছে যা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে বেশ ভালো এয়ারপোর্ট বের করতে পারে। ইভেন ছবির মিডেল এরিয়া বা সাইড এরিয়াতেও মোটামুটি ভালো এই ডিটেল লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে লো লাইটে মেইন ক্যামেরার মত ততটা বেটার পারফর্ম করতে পারেনি। যেখানে এর মেইন ক্যামেরা নাইট মোড আরো কিছুটা বেটার ছিল। অন্যদিকে পোর্ট্রেট মোডে আপনারা দুইটা ফোকাল লেন্থের ছবি
তুলতে পারবেন। ওয়ান এক্স এন্ড টু এক্স। টু এক্স এর ছবিগুলো আমার কাছে বরং বেশি ভালো লেগেছে। এটা সত্যি যে ওয়ার্মের দিকে একটু টোন দেয়। স্কিন টোন একটু ওয়ার্মের দিকে নিয়ে প্রেজেন্ট করে। বাট টু বি ভেরি অনেস্ট ছবিগুলো দেখতে ভালো লাগে এস ডিরেকশনও সুপার গুড আর ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেস আপনার কাছে আর্টিফিশিয়াল লাগবে না বরং আপনাদের কাছে মোস্ট অফ দা টাইম ওয়ান এক্স এর চাইতে টু এক্স এর ছবি ভালো লাগবে কিন্তু ওয়ান এক্স টু এক্স এর মাঝে কালারের তফাত আছে হয়তো খেয়াল করছেন ওয়ান এক্সটা একটু বেশি ক্রিসপ টাইপের টু এক্সটা কেন যেন একটু ফ্লাটের দিকে এখন এটা ইউজার
টু ইউজার ভেরি করতে পারে আসলে সো বাকি থাকলো ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা এইটা আপনাকে সন্তুষ্ট করবে ফর সিওর সেলফি লাভারদের পছন্দ হয়ে যাওয়ার মত একটা ছবি দেয় বিশেষ করে ভালো লাইটিং কন্ডিশনে সেটা আউটডোর হোক ইনডোর হোক আপনি যদি লাইট ভালো দিতে পারেন ভালো ছবি পাবেন থেকে শার্পনেস ডিটেইল ভালো এবং ওই যে কালার একটু একটু ব্রাইট করে প্রেজেন্ট করে আউটডোরে যখন আপনি ছবি তুলছেন ডায়নামিক হ্যান্ডেলও কিন্তু আমরা এই জায়গায়ও খারাপ পাইনি মোটামুটি ভালোই বলছিলাম ফ্রন্টের ক্যামেরা 4 কে 60 এপিএস এ ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধা দিয়েছে এবং
সেটা আপনি কাজে লাগাতে পারবেন তবে এই যে লো লাইটের দিকে না আমরা যে বিষয়টা নোটিস করলাম যে বেশ কিছুটা নয়েজ নয়েজ একটা ব্যাপার স্যাপার নিয়ে আসে আপনি হয়তো ভিডিওতে খেয়াল করছেন। সো প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে নেবেন সেক্ষেত্রে আরো বেটার পাবেন। আর মাইক্রোফোনের কোয়ালিটিটা আপনাদের হাতে থাকলেও কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো এইটার মাইক্রোফোন কোয়ালিটি বাকি থাকে মেইন ক্যামেরার ভিডিও 4K 60 এপিএস তো আপনি রেকর্ড করতে পারছেন এবং ব্যাক ক্যামেরার 4K 60 এপিএস কিন্তু বেশ ভালো ট্রাই করছি আমি তেমন কোন জিটারিং এতে পাইনি আর হ্যাঁ আপনি যদি স্টেবিলিটি অন
করেন তাহলে বেশ কিছুটা ক্রপ করে কিন্তু যথেষ্ট ভালোই স্টেবল ফুটেজ দিতে পারে আর ব্লগ পোস্টে আমরা মেইন ক্যামেরার মত হালকা একটু ওয়ার্মের দিকে টোন দিতে দেখছি এবং যেটা আমি তখন বলছিলাম যে কালারের কিছুটা ফ্লাচুয়েট করে যদি কিনা এট এ টাইম অনেক বেশি কালার থাকে আপনার ভিডিওর মাঝে সো সো এই একটা ইস্যুই আছে। এখন ক্যামেরা দেখুন মেইন ক্যামেরা আল্ট্রাইড বলেন, ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা এবং ভিডিও সব মিলে এইটা এজ অফিশিয়াল ফোন এই জায়গা থেকে মোটামুটি খারাপ করে নাই। যা করছে ভালোই ট্রাই করছে। তবে টেলিফটো এরকম প্রাইস পয়েন্টে নেই। এটা
শুধু এই ফোন না। আমি আরো বেশ কয়েকটা অফিশিয়াল ফোনে দেখেছি যেগুলোতে টেলিফটো ছাড়াই এরকম প্রাইস পয়েন্টে আসছে। মানে এটা খুবই দুঃখজনক যে এরকম প্রাইস ব্রাকেটে আমরা টেলিফটো এখনো অফিশিয়াল ফোনে পাচ্ছি না। যেখানে আমরা গ্রে মার্কেটে তো মনে হয় 30,000 এর নিচে চলে আসছে অলরেডি। সো এই দিকে একটু গুরুত্ব দিলে পরে বোধহয় ভালো হয়। নেক্সট টাইম আই হোপ যে ওরা এই ব্যাপারগুলো মাথায় নিবে। realme এর এই ফোনটা যথেষ্ট পাতলা হওয়া সত্ত্বেও এটার সাউন্ড কোয়ালিটি কিন্তু ভালো ছিল। এটাতে স্টেডিও স্পিকার পাবেন। সাউন্ড যথেষ্ট লাউড এবং পাতলা ফোন হলেও সাউন্ডটা একদম
থিনারের দিকে না বরং আমার কাছে ভালোই লেগেছে। এয়ারপিসের সাউন্ড ভালো আছে। নেটওয়ার্ক রিসিপশনে কোন সমস্যা নেই। 5G এনাবেল্ট ডিভাইস। আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার আছে। এটা যথেষ্ট ফাস্ট যথেষ্ট ফাস্ট একুরেট। আর 7000 এমএইচ এর ব্যাটারি এন্ড 80 ওয়াট এর চার্জিং সিস্টেম। প্রায় এক ঘন্টার মতো লাগে এটাকে ফুল চার্জ করতে আর কি। 25 মিনিটে আপনি 50% চার্জ করে নিতে পারবেন। চালাতে পারবেন দেড় দিনের মত। এসওটির ক্ষেত্রে বলতে গেলে প্রায় আট ঘন্টা। আট ঘন্টা প্লাস অনেক ক্ষেত্রে মানে এটার ইউজার টু ইউজার ভেরি করে। বাট দুইদিন চালাতে পারবেন ওই
ব্যাপারটা মাথায় না রাখলেও হবে। এই ফোনটাতে বেশ কিছু এআই এর ফিচার্স রয়েছে। ক্যামেরার ক্ষেত্রেও এমনকি আপনারা ওই যে ছবি তোলার পরে সেগুলোকে আপনি এআই এর মাধ্যমে প্রসেস করতে পারবেন। আপনি যদি চান আপনার এই সোয়েট শার্ট চেঞ্জ করে এখানে একটা জ্যাকেট পড়ে ফেলবেন। হ্যাঁ। ওটা বললে কমেন্ট দিলে সেটা করে দিবে। আপনি প্লেস চেঞ্জ করতে পারেন। তবে আমি আগেও বলেছি আবারও বলছি এই ফোনের মাঝে ওই এআই এর ফিচার্স থাকলেও সেটা কিন্তু অবশ্যই ইন্টারনেটের মাধ্যমে করছে এবং আপনার ছবিটা যখন আপনি প্রসেস করতে দিচ্ছেন সেই ডেটাগুলো কিন্তু পাস হয়ে যাচ্ছে এবং
সেখান থেকে কাজ হয়ে দেন আপনাকে দেখানো হচ্ছে এটা ফোনের ইন্টার্নাল ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার না করে একদম ওভাবে করে দিচ্ছে ব্যাপারটা এমন না। তো যদি এমনটা হয় আপনি আপনার কোন ব্যক্তিগত ছবি বা যেকোন ছবি আপনি চাচ্ছেন না যে যেটা বাহিরে কারো কাছে শেয়ার হোক তখন গিয়ে এই ধরনের ফিচার্স ব্যবহার করার ক্ষেত্রে একটু গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন নিশ্চয়ই বর্তমান মার্কেট বিবেচনায় realme 15 Pro 5G স্মার্টফোনটি বেশ কিছু জায়গায় ভালো কিছু দিচ্ছে কিছু জায়গায় আরেকটু বেটার করতে পারলে কম্পিটিটরদেরকে আসলে খুব সহজেই বিট করতে পারতো যে বিষয়গুলো আমি অলরেডি
ক্লিয়ার করলাম ক্যামেরার কথা বলছিলাম এবং যদি কিনা ও লাস্ট ইয়ারে কোন ফ্ল্যাগশিপ চিপ দিয়ে আসতো তাহলে কিন্তু একেবারে ফ্ল্যাগশিপ কিলার অফিশিয়ালফ ফ্ল্যাগশিপ কিলার হিসেবেই আমরা দাবি করতে পারতাম। সো ইয়া এই হচ্ছে Realme 15 Pro এর দাম একটু কমায় রাখলে ভালো হয় আর কি। আপনাদের কাছে কেমন লাগছে কমেন্ট করে জানাবেন। দেখা হচ্ছে নতুন ব্লগ পোস্টে।
শেষকথা :
আমাদের এই mahabishwatvnews.com পত্রিকা ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত যে নিউজ বা শিক্ষনীয় ব্লগ পোস্ট করা হয় ঠিক তেমনই আজকের এই শিক্ষনীয় আর্টিকেলটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসছে। 🫣
আর হ্যাঁ আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করবেন,যাতে তারাও এই শিক্ষণীয় আর্টিকেলটি পড়ে "realme 15 Pro Review in Bengali || চকচকে রিয়ালমি!" সম্পর্কে জেনে উপকৃত হতে পারে।
আরও পোস্ট পড়ুন-
Realme 14 5G Rrview || এটা কি আসলেই গেমিং ফোন!
Realme C71 কি ১৫ হাজার টাকায় শুধুই কি বড় ব্যাটারি নিয়ে হাজির! নাকি আছে আরও কিছু!
Realme C75X Review || realme এর এই নতুন ফোনে কি আছে নতুন?
